অবসর গ্রহণ ও কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রাপ্য সুবিধাদি।

একজন সরকারি কর্মচারী অবসরগ্রহণ করিলে নিজে বা কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করিলে তাহার পরিবার নিম্নোক্ত সুবিধাদি পাইবেন।

(ক) মাসিক পেনশন:

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী আজীবন মাসিক পেনশন পাইবেন। ইহাছাড়া ১০০% পেনশন সমর্পণকারীগণের পেনশন পুন:স্থাপন হওয়ার ক্ষেত্রেও আজীবন মাসিক পেনশন প্রাপ্য হইবেন। (পেনশন সহজীকরণ আদেশ, ২০২০)।

(খ) আনুতোষিক:

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী অবসরগ্রহণের সময় মোট পেনশনের বাধ্যতামূলকভাবে সমর্পনকৃত অংশের জন্য আনুতোষিক টেবিলে বর্ণিত নির্ধারিত হারে আনুতোষিক পাইবেন। (পেনশন সহজীকরণ আদেশ, ২০২০)।

(গ) এককালীন বিশেষ আর্থিক সহায়তা

চাকরির মেয়াদ ৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে কোনো কর্মচারী স্বাস্থ্যগত কারণে অক্ষম হইয়া পড়িলে, অথবা মৃত্যু হইলে, চাকরির মেয়াদের প্রতি বৎসর কিংবা উহার অংশ বিশেষের জন্য তাঁহার শেষ আহরিত ০৩ (তিন)টি মূল বেতনের সমপরিমাণ হারে তিনি অথবা তাঁহার পরিবার ১লা জুলাই, ২০১৬ তারিখ হইতে এককালীন বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রাপ্য হইবেন। (পেনশন সহজীকরণ আদেশ, ২০২০ এর সংযোজনী -১৯)।

(ঘ) চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা ও বাংলা নববর্ষ ভাতা:

পেনশনার/ শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী/ পুন:স্থাপিত পেনশনার/ পরিবার (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) মাসিক পেনশনের পাশাপাশি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা ও বাংলা নববর্ষ ভাতা প্রাপ্য হইবেন। (পেনশন সহজীকরণ আদেশ, ২০২০ এর অনুচ্ছেদ-২.০৪)।

(ঙ) চিকিৎসা সুবিধা:

চিকিৎসা সুবিধা বিধিমালা, ১৯৭৪ অনুসারে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও তাঁহার পরিবার সরকারি হাসপাতালে বিনা খরচে চিকিৎসা সুবিধা পাইবেন।

(চ) যৌথবীমা ও কল্যাণ তহবিলের সুবিধা:

(১) কর্মচারী শারীরিক বা মানসিক অসুস্থ্যতার কারণে অপসারিত হইলে বা অবসর গ্রহণ করিলে ১৫ বৎসর পর্যন্ত কল্যাণ অনুদান পাইবেন। (২) কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করিলে পরিবার নির্ধারিত হারে যৌথবীমার অর্থ ও কল্যাণ অনুদান পাইবেন। (৩) অবসরগ্রহণের ১০ বৎসরে মধ্যে মৃত্যুবরণ করিলে পরিবার নির্ধারিত হারে কল্যাণ অনুদান পাইবেন।

সরকারি কর্মচারীগণের পেনশন সহজীকরণ আদেশ, ২০২০

admin

এই ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে বা কোন তথ্য যুক্ত করতে বা সংশোধন করতে চাইলে অথবা কোন আদেশ, গেজেট পেতে এই admin@bdservicerules.info ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.