ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ২০২১

কোন প্রার্থী বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি কোন সড়ক কিংবা জনগণের চলাচল বা সাধারণ ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত স্থানে নির্বাচনি ক্যাম্প বা অফিস স্থাপন করিতে পারিবেন না। (২) চেয়ারম্যান পদে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তার নির্বাচনি এলাকায় ৩ (তিন)টির অধিক, সংরক্ষিত আসনের সদস্য পদে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তাহার নির্বাচনি এলাকায় ১ (এক)টির অধিক এবং সাধারণ আসনের সদস্য পদে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তাহার নির্বাচনী এলাকায় ১ (এক)টির অধিক নির্বাচনি ক্যাম্প বা অফিস স্থাপন করিতে পারিবেন না।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

নির্বাচন কমিশন

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন

সচিবালয় শেরে বাংলা নগর, ঢাকা।

প্রজ্ঞাপন

১। শিরােনাম ও প্রবর্তন —(১) এই বিধিমালা ইউনিয়ন পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০২১ নামে অভিহিত হইবে।

(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

২। সংজ্ঞা।—বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কিছু না থাকিলে, এই বিধিমালায় (১) “আইন” আর্থ স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৬১ নং

আইন);

(২) “ইউনিয়ন পরিষদ ” ভার্থ আইনের ধারা ১০ এর অধীন গঠিত কোন ইউনিয়ন পরিষদ

(৩) “কমিশন”, তার্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ এর তাধীন

(৪) প্রতিষ্ঠিত নির্বাচন কমিশন; “দেওয়াল” অর্থ বাসস্থান, অফিস, আদালত, শিক্ষা প্রতিহন, ব্যবসাকেন্দ্র, শিশ্ন কারখানা, দোকান বা অন্য কোন স্থাপনা, কা বা পাকা যাহাই হউক না কেন, এর বাহিরের ও ভিতরের দেওয়াল বা বে বা হবে সীমানা নির্ধারণকারী দেওয়াল বা বেড়া এবং বৃক্ষ, বিদ্যুৎ লাইনের বুট, যথা, সড়ক দীপ, সড়ক বিডাক, খ্রিন, কালভাট, সড়কের উপরিভাগ ও বমি হও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;

(৫) “নির্বাচন” অর্থ কোন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সদস্য পদে নির্বাচন বা উপ-নির্বাচন।

(৬) “নির্বাচনি এলাকা” অর্থ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধার্মিত এলাক;

(৭) নির্বাচন-পর্ব সময়” এই নির্বাচনি তফসিল ঘোষণার তারিখ হইতে নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত সময়কাল;

(৮) “পাে”তার” তার্থ কাগজ, কাপড়, মেসিন, ভিনিটাল ডিসপ্লে বাের্ড বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমসহ অন্য যে কোন মাধ্যমে প্রকৃত কেন চপ, চামচ, বিজ্ঞাপনপত্র, বিজ্ঞাপনচিত্র এবং যে কোন ধরনের বনাম বা বিলবাের্ডও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে;

(৯) “পােস্টার লাগানাে অর্থ প্রচার বা ডিম্নরুপ কোন উদ্দেশ্যে, দেওয়াল বা যানবাহনে,

আঠা বা অন্য কোন পদার্থ হামা পেটিম সাটিয়া দেওয়া, লাগাইয়া দেওয়া, ঝুলাইয়া | দেওয়া, টাঙ্গাইয়া দেওয়া বা স্থান করা;

(১০) “প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তার্থ এমন একজন প্রার্থী যিনি চেয়ারম্যান আথবা সদস্য হিসাবে নির্বাচনের জন্য বৈধভাবে মনোনীত হইয়াহেন এবং যিনি তাহার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন নাই; (১১) “প্রার্থী” অর্থ কোন ইউনিয়ন পরিষদের

(ক) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য কোন রাজনৈতিক দল কর্তৃক মনােনীত ব্যক্তি | অথবা স্বতন্ত্র প্রার্থী; এবং

(খ) সদস্য পদে নির্বাচনের জন্য মনােনয়নপত্র দাখিলকারী যে কোন ব্যক্তি; (১২) “যানবাহন” তার্থ জল, স্থল বা আকাশ পথে চলাচলকারী, ঢাকামুক্ত বা ঢাকাবিহীন,

যাত্রী বা মালামাল বহনকারী যান্ত্রিক বা অ| ২াতিক কোন পরিবহণ; (১৩) “রাজনৈতিক দল” অর্থ Representation of the People der, 1972 (P.0.No. 155 of 1972) এর Article 2 এর Clause (xixa) তে সংজ্ঞায়িত Registered Political Party; (১৪) “সরকারি সুবিধাভােগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি তার্থ প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, সরকারের মন্ত্রী, চিফ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, বিরােধী দলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরােধী দলীয় উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হইপ, উপমন্ত্রী বা তাহাদেয় সমপদমর্যাদার কোন ব্যক্তি, সংসদ-সদস্য এবং সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ; (১৫) “সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ” অর্থ গণতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২(১) এ সংজ্ঞায়িত সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ; এবং (১৬) “স্বতন্ত্র প্রার্থী” অর্থ এইরূপ কোন প্রার্থী যিনি কোন রানৈতিক দল কর্তৃক মনােনয়ন প্রাপ্ত নহেন।

৩। নির্বাচনি প্রচারণার ক্ষেত্রে সমানাধিকার আইন এবং এই বিধিমালার আন্যান্য বিধান সাপেক্ষে, নির্বাচনি প্রচারণার ক্ষেত্রে যে কোন প্রতিস্থা গ্রহী, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী কোন রাগনেতিক দল কিংবা উহার মনােনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাহাদের পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি সমান অধিকার থাকিবে। |

৪। কোন প্রতিষ্ঠানে চীদা, অনুদান ইত্যাদি নিষিদ্ধ।—কোন প্রার্থী বা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাহার পক্ষে রাজনৈতিক দল, অন্য কোন ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিহীন নির্বাচন-পূর্ব সময়ে সংটি ইউনিয়ন এলাকায় অবস্থিত কোন প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে বা গােপনে কোন প্রকার টা বা আনুদান প্রদান করিতে বা প্রদানের অঙ্গীকার করিতে পারিবেন না।

৫। প্রচারণার সময়। কোন প্রার্থী রাজনৈতিক দল, অন্য কোন ব্যক্তি, সা বরাদ্দের পূর্বে কোন প্রকার নির্বাচনি প্রচার না। , অন্য কোন ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান প্রতীক ‘ন প্রকার নির্বাচনি প্রচার শুরু করিতে পারিবেন না।

(গ) প্রতিপক্ষের পথসভা বা দৱোয়ী সভা বা অন্যান্য প্রচারাভিযানি পণ্ড বা উহাতে বাধা প্রদান না কোন গোলযোগ সৃষ্টি করিতে পারিবেন না; এবং (

ঘ) কোন পথসভা বা গৱােয় সভা অনুষ্ঠানে বাধাদানকারী বা অন্য কোনভাবে গােলযোগ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের শরণাপন্ন হইবেন এবং এই ধরনের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিজের ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন

গাদি ব্যবহারে বাধা-নিষেধ।- কোন

৬। সার্কিট হাউজ, ইত্যাদি ব্যবহারে বাধা-নিষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচন-পূর্ব সময়ে

(ক) সরকারি সার্কিট হাউজ, ডাকবাংলাে বা রেস্ট হাউজে অবস্থান করিতে পারিবেন না ; এবং (খ) তাহার পক্ষে বা অন্য কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিপক্ষে প্রচারণার স্থান হিসাবে সরকারি সার্কিট হাউজ, ডাকবাংলাে, রেস্ট হাউজ, কোন সরকারি কার্যালয় অথবা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষকে ব্যবহার করিতে পারিবেন না।

৭। সভা সমিতি, অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ।- কোন প্রার্থী বা তাহার পক্ষে কোন রাজনৈতিক দল, অন্য কোন ব্যক্তি, সংস্থা বা। প্রতিষ্ঠান

(ক) পথসভা ও ঘরােয়া সভা ব্যতীত কোন জনসভা বা শােভাযাত্রা করিতে পারিবেন না; (খ) পথসভা ও ঘরােয়া সভা করিতে চাহিলে প্রস্তাবিত সভার কমপক্ষে ২৪ (চব্বিশ ঘণ্টা পূর্বে তাহার স্থান এবং সময় সম্পর্কে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিতে হইবে, যাহাতে উক্ত স্থানে চলাচল ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশ প্রশাসন প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারে ?

তবে শর্ত থাকে যে, জনগণের চলাচলের বিঘ্ন সৃষ্টি করিতে পারে এইরূপ কোন সড়কে পথসভা করিতে পারিবেন না বা তদুদ্দেশ্যে কোন মঞ্চ তৈরি করিতে পারিবেন না ;

৮। পোস্টার, লিফলেট ব্য হ্যান্ডবিল ব্যবহার সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ।

(১) পােস্টার সাদা-কালাে রঙের হইতে হইবে এবং উহার আয়তন ৬০ (ষাট) সেন্টিমিটার x ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) সেন্টিমিটারের অধিক হইতে পারিবে না। (২) পােস্টারে ছাপানাে ছবি সাধারণ ছবি (Portrait) হইতে হইবে এবং কোন অনুষ্ঠান বা মিছিলে নেতৃত্বদান, প্রার্থনারত অবস্থা ইত্যাদি ভঙ্গিমার ছবি ছাপানাে যাইবে না। (৩) সাধারণ ছবির আকার ৬০ (ষাট) সেন্টিমিটার x ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) সেন্টিমিটার এর অধিক হইতে পারিবে না। (৪) নির্বাচনি প্রতীকের আকার, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা উচ্চতা কোনক্রমেই ৩ (তিন) মিটারের অধিক হইতে পারিবে না। (৫) নির্বাচনি প্রচারণায় কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নিজ ছবি ও প্রতীক ব্যতীত অন্য কাহারাে নাম, ছবি বা প্রতীক ছাপাইতে কিংবা ব্যবহার করিতে পারিবেন না ।

তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোন রাজনৈতিক দলের মনােনীত হলে সেই ক্ষেত্রে তিনি কেবল তাহার দলের বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি পােস্টারে বা লিফলেটে ছাপাইতে পারিবেন।

(গ) মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, সংখ্যা ও তারিখবিহীন কোন ভােটার স্লিপ মুদ্রণ করিতে পারিবেন না।

১০। প্রতীক হিসাবে জীবন্ত প্রাণি ব্যবহার সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ। নির্বাচনি প্রচারণার ক্ষেত্রে প্রতীক হিসাবে জীবন্ত প্রাণি ব্যবহার

(৩) নির্বাচনি ক্যাম্প বা অফিসে কোন টেলিভিশন, ভিসিআর, ভিসিডি, ডিভিডি ইত্যাদি ব্যবহার করা যাইবে না। করা যাইবে না।

১১। মিছিল বা শোডাউন সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ।

(১) মনােনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিলের সময় কোন প্রকার মিছিল কিংবা শাে-ডাউন করা যাইবে না বা প্রার্থী ৫ (পাঁচ) জনের অধিক সমর্থক লইয়া মনােনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে পারিবেন না। (২) নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোন প্রকার মিছিল বা কোনরূপ

শাে-ডাউন করা যাইবে না। ১২। নির্বাচনি ক্যাম্প বা অফিস স্থাপন ইত্যাদি সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ।

(১) কোন প্রার্থী বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি কোন সড়ক কিংবা জনগণের চলাচল বা সাধারণ ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত স্থানে নির্বাচনি ক্যাম্প বা অফিস স্থাপন করিতে পারিবেন না। (২) চেয়ারম্যান পদে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তার নির্বাচনি এলাকায় ৩ (তিন)টির অধিক, সংরক্ষিত আসনের সদস্য পদে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তাহার নির্বাচনি এলাকায় ১ (এক)টির অধিক এবং সাধারণ আসনের সদস্য পদে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তাহার নির্বাচনী এলাকায় ১ (এক)টির অধিক নির্বাচনি ক্যাম্প বা অফিস স্থাপন করিতে পারিবেন না।

১৩। যানবাহন ব্যবহার সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ।- কোন প্রার্থী ৰা। তাহার পক্ষে কোন রাজনৈতিক দল, অন্য কোন ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান

(ক) কোন ট্রাক, বাস, মােটর সাইকেল, নৌযান, ট্রেন কিংবা অন্য কোন যান্ত্রিক যানবাহন সহকারে মিছিল বা মশাল মিছিল বা অন্য কোন প্রকারের মিছিল বাহির করিতে পারিবে না কিংবা কোনরূপ শােডাউন করিতে পারিবে না; (খ) নির্বাচনি প্রচারকার্যে হেলিকপ্টার বা অন্য কোন আকাশযান ব্যবহার করা যাইবে না, তবে দলীয় প্রধানের যাতায়াতের জন্য উহা ব্যবহার করিতে পারিবে কিন্তু যাতায়াতের সময় হেলিকপ্টার হইতে লিফলেট, ব্যানার বা অন্য কোন প্রচার সামগ্রী প্রদর্শন বা বিতরণ করিতে পারিবেন না; এবং (গ) ভােটকেন্দ্রের নির্ধারিত চৌহদ্দির মধ্যে মােটর সাইকেল বা অন্য কোন যান্ত্রিক যানবাহন চালাইতে পারিবেন না।

১৪। নির্বাচনের দিন যানবাহন ব্যবহার সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ।

(১) কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে কোন ভােটকেন্দ্রে বা ভােটকেন্দ্র হইতে ভােটারদের আনা নেওয়ার জন্য যানবাহন ভাড়া করা যাইবে না বা ব্যবহার করা যাইবে না। (২) নির্বাচনে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার সুবিধার্থে কমিশন কর্তৃক অনুমােদিত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ভােটকেন্দ্রের নির্ধারিত চৌহদ্দির মধ্যে কোন যানবাহন চালানাে যাইবে না।

১৫। দেওয়াল লিখন সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ। কোন প্রার্থী বা তাহার পক্ষে কোন রাজনৈতিক দল, কোন ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান যে কোন রং এর কালি বা চুন বা কেমিক্যাল দ্বারা দেওয়াল না যানবাহনে কোন লিখন, মুদ্রণ, ছাপচিত্র বা চিত্র অংকন করিয়া নির্বাচনি প্রচারণা চালাইতে পার্বিবেন না।

১৬। গেইট, তেরিণ বা ঘের নির্মাণ, প্যাণ্ডেল বা ক্যাম্প স্থাপন ও আলোকসজ্জাকরণ সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ। কোন প্রার্থী বা তাহার পক্ষে কোন রাজনৈতিক দল, অন্য কোন ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান

(ক) নির্বাচনি প্রচারণায় কোন গেইট, তােরণ বা ঘের নির্মাণ করিতে পারিবেন না কিংবা চলাচলের পথে কোন প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিতে পারিবেন না; (খ) নির্বাচনি প্রচারণার জন্য ৩৬ (ছত্রিশ) বর্গমিটারের অধিক স্থান লইয়া কোন প্যান্ডেল বা ক্যাম্প তৈরি করিতে পারিবেন না ; (গ) নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসাবে বিদ্যুতের সাহায্যে কোন প্রকার আলােকসজ্জা করিতে পারিবেন না; এবং (ঘ) কোন সড়ক কিংবা জনগণের চলাচল ও সাধারণ ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত স্থানে নির্বাচনি ক্যাম্প বা অফিস স্থাপন করিতে পারিবেন না।

(খ) নির্বাচনি ক্যাম্পে ভােটারগণকে কোনরূপ পানীয় বা খাদ্য পরিবেশন করিতে পারিবেন না; এবং (গ) ভােটারগণকে কোনরূপ উপটৌকন, বকশিশ ইত্যাদি প্রদান করিতে পারিবেন না। ১৮। উস্কানিমূলক বক্তব্য বা বিবৃতি প্রদান এবং উছুল আচরণ সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ।- কোন প্রার্থী বা তাহার পক্ষে কোন রাজনৈতিক দল, অন্য কোন ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান

(ক) নির্বাচনি প্রচারণাকালে ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করিয়া বক্তব্য প্রদান বা কোন ধরনের তিক্ত উস্কানিমূলক বা মানহানিকর কিংবা লিঙ্গ, সাম্প্রদায়িকতা বা ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে এমন কোন বক্তব্য প্রদান করিতে পারিবেন না । (খ) নির্বাচন উপলক্ষে কোন নাগরিকের জমি, ভবন বা অন্য কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির কোনরূপ ক্ষতিসাধন করিতে পারিবেন না ; (গ) অনভিপ্রেত গােলযােগ ও উচ্ছখল আচরণ দ্বারা কাহারও শান্তি ভঙ্গ করিতে পারিবেন না; এবং (ঘ) কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে ভােটারদের । প্রভাবিত করিবার উদ্দেশ্যে কোন প্রকার বল প্রয়ােগ বা অর্থ। ব্যয় করিতে পারিবেন না।

১৭। প্রচারণামূলক বক্তব্য, খাদ্য পরিবেশন, উপঢৌকন প্রদান সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ। কোন প্রার্থী বা তাহার পক্ষে কোন রাজনৈতিক দল, অন্য কোন ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান –

(ক) নির্বাচনি প্রচারণার জন্য কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ছবি বা তাহার পক্ষে প্রচারণামূলক কোন বক্তব্য বা অন্য কারাে ছবি বা প্রতীকের চিহ্নসম্বলিত শার্ট, জ্যাকেট ফতুয়া ইত্যাদি ব্যবহার করিতে পারিবেন না;

১৯। বিস্ফোরক দ্রব্য বহন সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ।- কমিশন। কর্তৃক অনুমােদিত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি ভােটকেন্দ্রের নির্ধারিত চৌহদ্দির মধ্যে Explosives Act, 1884 (Act No. IV of 1884 এর section 4 এর Clause (1) এ সংজ্ঞায়িত explosive, Explosive Substances Act, 1908 (Act No. VI of 1908) এর Section 2 এ সংজ্ঞায়িত cA substance 472 Arms Act 1878 (Act No. XI of 1878) এর section 4 এ সংজ্ঞায়িত arms ও ammunition বহন করিতে পরিবেন না।

(২) নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনি কাজে সরকারি প্রচারযন্ত্র, সরকারি যানবাহন, অন্য কোন সরকারি সুযােগ-সুবিধা ভােগ এবং সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণকে ব্যবহার করিতে পারিবে না।

২০। ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রচারণা সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ।- কোন প্রার্থী বা তাহার পক্ষে কোন রাজনৈতিক দল, অন্য কোন ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, গির্জা বা অন্য কোন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কোন প্রকার নির্বাচনি প্রচারণা চালাইতে পারিবেন।

নির্বাচন-পূর্ব সী”। কোন প্রাত’ত করিতে

২৩। নির্বাচন-পূর্ব সময়ে সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচিতে কর্তৃত্ব করিবার ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ।- কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তাহার নির্বাচনি এলাকায় সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচিতে কর্তৃত্ব করিতে পারিবেন না কিংবা এতদসংক্রান্ত সভায় যােগদান করিতে পারিবেন না।

২১। মাইক্রোফোন ব্যবহার সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ।

(১) কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাহার পক্ষে কোন রাজনৈতিক দল, অন্য কোন ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান একটি ওয়ার্ডে পথসভা ৰা নির্বাচনি প্রচারণার কাজে একের অধিক মাইক্রোফোন বা শব্দের মাত্রা বর্ধনকারী অন্যবিধ অল্প ব্যবহার করিতে পারিবেন না। (২) কোন নির্বাচনি এলাকায় মাইক বা শব্দের মাত্রা বর্ধনকারী অন্যবিধ যন্ত্রের ব্যবহার দুপুর ২ (দুই) টিচার পূর্বে এবং রাত ৮ (আট) ঘটিকার পরে করা যাইবে না। ২২। সরকারি সুবিধাভােগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর নির্বাচনি প্রচারণা এবং সরকারি সুযোগসুবিধা সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ।

(১) সরকারি সুবিধাভােগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং কোন সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্বাচন-পূর্ব সময়ে নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণায় বা নির্বাচনি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করিতে পান্নিবেন না !

তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার ভােটার হইলে তিনি কেবল তাহার ভােট প্রদানের জন্য ভােটকেন্দ্রে যাইতে পারিবেন।

২৪। নির্বাচন-পূর্ব সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে অংশগ্রহণের উপর বাধা-নিষেধ।- কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে পূর্বে সভাপতি বা সদস্য হিসাবে নির্বাচিত বা মনােনীত হইয়া থাকিলে নির্বাচন-পূর্ব সময়ে তিনি উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন সভায় সভাপতিত্ব বা অংশগ্রহণ করিবেন না অথবা উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন কাজে জড়িত হইবেন না।

২৫। নির্বাচন-পূর্ব সময়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার জন্য প্রকল্প অনুমােদন, ফলক উন্মোচন ইত্যাদি সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ।

(১) নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোন সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব বা উন্নয়ন তহবিলভুক্ত কোন প্রকল্পের অনুমােদন, ঘােষণা বা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কিংবা লক উন্মোচন করা যাইবে না।

২৯। ভােটকেন্দ্রে প্রবেশাধিকার।

(১) ভােটকেন্দ্রে নির্বাচনি কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, নির্বাচনি এজেন্ট, নির্বাচনি পর্যবেক্ষক, কমিশন কর্তৃক অনুমােদিত ব্যক্তিবর্গ, ভােটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ এবং ভােটারদেরই প্রবেশাধিকার থাকিবে। (২) কোন রাজনৈতিক দলের বা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মীগণ ভােটকেন্দ্রে প্রবেশ বা ভােটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে ঘােরাফেরা করিতে পারিবেন না। (৩) পােলিং এজেন্টগণ তাহাদের জন্য নির্ধারিত স্থানে উপবিষ্ট থাকিয়া তাহাদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করিবেন।

১ নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোন সরকারি সুবিধাভােগী অতি

পর্ণ ব্যক্তি সরকারি বা আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত গতিষ্ঠানের তহবিল হইতে কোন ব্যক্তি বা গােষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কোন প্রকার অনুদান ঘোষণা বা বরাদ্দ প্রদান বা অর্থ অবমুক্ত করিতে পারিবেন না। .) নির্বাচন-পূর্ব সময়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সদস্য বা অন্য কোন পদাধিকারী সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় উন্নয়নমূলক কোন প্রকল্প অনুমােদন বা ইতোপূর্বে অনুমােদিত কোন প্রকল্পে অর্থ অবমুক্ত বা প্রদান করিতে

পারিবেন না। ২৬। বিলবাের্ড ব্যবহার সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ ।- নির্বাচনি প্রচারণার ক্ষেত্রে কোন প্রকারের স্থায়ী বা অস্থায়ী বিলবোর্ড ভুমি বা অন্য কোন কাঠামাে বা বৃক্ষ ইত্যাদিতে পিন বা ব্যবহার করা যাইবে না। ২৭। নির্বাচনি ব্যয়সীমা সংক্রান্ত বাধা নিষেধ। কোন প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী নির্ধারিত নির্বাচনি ব্যয়সীমা কোন অবস্থাতেই অতিক্রম করিতে পারিবেন না। ২৮। মনােনয়নপত্র দাখিল ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় বাধা প্রদান নিষেধ।

(১) কোন প্রাণী কর্তৃক রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের নিকট মনােনয়নপত্র দাখিল করিবার সময় অন্য কোন প্রার্থী বা ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা কােন রাজনৈতিক দলের কেহ কোন প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিতে পারিবেন না। (২) কোন প্রার্থী কর্তৃক রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের নিকট প্রার্থিতা প্রত্যাহার করিবার সময় অন্য কোন প্রার্থী বা ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে কেহ কোন প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিতে পারিবেন না।

৩০। নির্বাচন প্রভাবমুক্ত রাখা।- প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাহার পক্ষে অর্থ, অস্ত্র ও পেশী শক্তি কিংবা স্থানীয় ক্ষমতা দ্বারা নির্বাচন প্রভাবিত করা যাইবে না।

৩১। বিধিমালার বিধান লঙ্ঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

(১) কোন প্রার্থী বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি নির্বাচন-পূর্ব সময়ে এই বিধিমালার কোন বিধান লঙ্ঘন করিলে অনধিক ৬ (ছয়) মাসের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ (দশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন। (২) কোন রাজনৈতিক দল অথবা কোন প্রার্থীর পক্ষে কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন-পূর্ব সময়ে এই বিধিমালার কোন বিধান লঙ্ঘন করিলে অনধিক ১০ (দশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা ২০২১ : ডাউনলোড

Leave a Reply

Your email address will not be published.

close