ইচ্ছাধীন অবসর বলতে কি বুঝায়? সংশ্লিষ্ট বিধি উল্লেখসহ বর্ণনা।

গণকর্মচারী (অবসর) আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী ইচ্ছাধীন অবসর গ্রহণের ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপঃ ধারা-৯(১)। চাকুরীর মেয়াদ পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হইবার পর যে কোন সময় একজন গণকর্মচারী অবসর গ্রহণের অভিপ্রায়কৃত তারিখের ন্যূনপক্ষে ত্রিশ দিন পূর্বে নিয়ােগকারী কর্তৃপক্ষকে লিখিত নােটিশ প্রদানক্রমে অবসর লাভের ইচ্ছা ব্যক্ত করিতে পারেন।

তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ইচ্ছা একবার ব্যক্ত করিলেই তাহা চুড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে এবং তাহা সংশােধন বা প্রত্যাহারের অনুমতি প্রদান করা যাইবে না।

(খ) গণকর্মচারী (অবসর) বিধিমালা, ১৯৭৫ অনুযায়ী ইচ্ছাধীন অবসর গ্রহণের বিধির শর্তসমূহ নিম্নরূপঃ

বিধি-৯। গণকর্মচারী (অবসর) আইন, ১৯৭৪ এর ৯(১) উপধারার অধীনে কোন গণকর্মচারী স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবসর প্রস্তুতি ছুটি ভােগের অভিপ্রায় ব্যক্ত করিলে প্রাপ্যতা সাপেক্ষে অবসর প্রস্তুতি ছুটি প্রাপ্য হইবেন, যদি

(এ) তিনি যে তারিখে ছুটি ভােগ করিতে আগ্রহী তাহার ত্রিশ দিন পূর্বে আবেদন দাখিল করেন।

(বি) যে তারিখে ছুটিতে যাইতে ইচ্ছুক তাহা আবেদনে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেন; 

(সি) যে সময়কালের জন্য ছুটির আবেদন করা হইয়াছে তাহা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেন ; এবং 

(ডি) অনুরূপ ছুটির প্রাপ্যতা সম্পর্কে হিসাব মহা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় হইতে একটি প্রতিবেদন সংযুক্ত করেন। 

গণকর্মচারী (অবসর) আইন, ১৯৭৪ (১৯৭৪ সনের ১২নং আইন) এর ধারা-১০ অনুযায়ী কতিপয় ক্ষেত্রে অবসর সুবিধাদিপ্রাপ্য হইবে না তাহা নিম্নে প্রদত্ত হইল :

ধারা-১০। কতিপয় ক্ষেত্রে অবসর সুবিধাদি প্রাপ্য হইবে না।- চাকুরী হইতে অবসর গ্রহণ অথবা চাকুরী অবসানের সময়ে কোন কর্মচারীর বিরুদ্ধে সরকার বা নিয়ােগকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তাহার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম বা কোন বিভাগীয় কার্যক্রম চালু থাকিলে, উক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত ভবিষ্যৎ তহবিলে তাহার জমাকৃত চাঁদা এবং আরােপিত সুদ ব্যতীত পেনশন ও অন্যান্য অবসরজনিত সুবিধাদি প্রাপ্য হইবে না। উক্ত কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত বর্ণিত শর্ত অনুযায়ী পেনশন ও অন্যান্য অবসরজনিত সুবিধা পাইবে। 

ইচ্ছাধীন অবসর বলতে কি বুঝায়? সংশ্লিষ্ট বিধি উল্লেখসহ বর্ণনা: ডাউনলোড

সরকারি চাকরি আইন ২০১৮

Leave a Reply

Your email address will not be published.