সর্বশেষ প্রকাশিত পোস্টসমূহ

পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে সরকারি কর্মচারীরা: ঐক্য পরিষদের কঠোর হুঁশিয়ারি

নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে গতকাল শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগ ও প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে সরকারি কর্মচারীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশের ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। আজ এক সাংগঠনিক বিবৃতিতে পরিষদ এই ঘটনাকে “ইতিহাসের কালো অধ্যায়” হিসেবে অভিহিত করে অবিলম্বে হামলাকারীদের শাস্তি ও দাবি আদায়ের আল্টিমেটাম দিয়েছে।

আন্দোলনের পটভূমি ও হামলার বিবরণ

উল্লেখ্য, গতকাল সকাল ৯টা থেকে হাজার হাজার সরকারি কর্মচারী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমবেত হন। সেখান থেকে তারা মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে রওনা হলে শাহবাগ ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন এলাকায় পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শী ও সংগঠন সূত্রে জানা যায়, পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, জলকামান এবং বেধড়ক লাঠিচার্জ করে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে আব্দুল হান্নান, জয় দাস, আব্দুল আউয়ালসহ অন্তত ১৫ জন কর্মচারী গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঐক্য পরিষদের বিবৃতিতে যা বলা হয়েছে

বিবৃতিতে পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক ওয়াহেদ আলী এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বলেন:

“আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের ন্যায্য অধিকারের দাবি জানাচ্ছিলাম। কিন্তু প্রশাসন যে কায়দায় নিরীহ কর্মচারীদের ওপর বলপ্রয়োগ করেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও ন্যাক্কারজনক। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের রক্ত রাজপথে ঝরিয়ে কোনো দাবি ধামাচাপা দেওয়া যাবে না।”

বিবৃতিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে মূলত ৪টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরা হয়েছে: ১. হামলার বিচার: শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে যারা লাঠিচার্জের নির্দেশ দিয়েছে এবং যারা হামলা চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। ২. গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি: মিছিল থেকে আটককৃত কর্মচারীদের অবিলম্বে বিনাশর্তে মুক্তি দিতে হবে। ৩. গেজেট প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রতিশ্রুতি থাকলেও সরকার তা লঙ্ঘন করেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগেই এই গেজেট কার্যকর করতে হবে। ৪. বেতন বৈষম্য নিরসন: ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বেতন ও সুযোগ-সুবিধার যে বৈষম্য রয়েছে, তা দূর করতে হবে।

পরবর্তী কর্মসূচি

ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই হামলার প্রতিবাদে এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সারাদেশে কর্মবিরতিসহ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। যদি দ্রুত দাবি মেনে নেওয়া না হয়, তবে সচিবালয়সহ সকল সরকারি দপ্তর অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনরত নেতারা।

নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে গতকাল শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগ ও প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন 'যমুনা'র সামনে সরকারি কর্মচারীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশের ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। আজ এক সাংগঠনিক বিবৃতিতে পরিষদ এই ঘটনাকে "ইতিহাসের কালো অধ্যায়" হিসেবে অভিহিত করে অবিলম্বে হামলাকারীদের শাস্তি ও দাবি আদায়ের আল্টিমেটাম দিয়েছে।আন্দোলনের পটভূমি ও হামলার বিবরণ
উল্লেখ্য, গতকাল সকাল ৯টা থেকে হাজার হাজার সরকারি কর্মচারী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমবেত হন। সেখান থেকে তারা মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে রওনা হলে শাহবাগ ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন এলাকায় পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শী ও সংগঠন সূত্রে জানা যায়, পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, জলকামান এবং বেধড়ক লাঠিচার্জ করে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে আব্দুল হান্নান, জয় দাস, আব্দুল আউয়ালসহ অন্তত ১৫ জন কর্মচারী গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঐক্য পরিষদের বিবৃতিতে যা বলা হয়েছে
বিবৃতিতে পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক ওয়াহেদ আলী এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বলেন:"আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের ন্যায্য অধিকারের দাবি জানাচ্ছিলাম। কিন্তু প্রশাসন যে কায়দায় নিরীহ কর্মচারীদের ওপর বলপ্রয়োগ করেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও ন্যাক্কারজনক। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের রক্ত রাজপথে ঝরিয়ে কোনো দাবি ধামাচাপা দেওয়া যাবে না।"বিবৃতিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে মূলত ৪টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরা হয়েছে: ১. হামলার বিচার: শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে যারা লাঠিচার্জের নির্দেশ দিয়েছে এবং যারা হামলা চালিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। ২. গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি: মিছিল থেকে আটককৃত কর্মচারীদের অবিলম্বে বিনাশর্তে মুক্তি দিতে হবে। ৩. গেজেট প্রকাশ: ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রতিশ্রুতি থাকলেও সরকার তা লঙ্ঘন করেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগেই এই গেজেট কার্যকর করতে হবে। ৪. বেতন বৈষম্য নিরসন: ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বেতন ও সুযোগ-সুবিধার যে বৈষম্য রয়েছে, তা দূর করতে হবে।পরবর্তী কর্মসূচি
ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই হামলার প্রতিবাদে এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সারাদেশে কর্মবিরতিসহ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। যদি দ্রুত দাবি মেনে নেওয়া না হয়, তবে সচিবালয়সহ সকল সরকারি দপ্তর অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনরত নেতারা।

পরবর্তী কর্মসূচী কি?

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের বিবৃতি এবং বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে, গতকালকের হামলার পর কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। পরিষদের পরবর্তী সম্ভাব্য কর্মসূচিগুলো নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:


ঐক্য পরিষদের পরবর্তী সম্ভাব্য কর্মসূচি

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে, যদি অবিলম্বে তাদের দাবি মানা না হয় এবং হামলার বিচার না করা হয়, তবে তারা ধাপে ধাপে কঠোর আন্দোলনে যাবে। তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনাগুলো হলো:

  • কালো ব্যাজ ধারণ (প্রাথমিক প্রতিবাদ): আগামীকাল থেকে সকল সরকারি দপ্তরে ১১-২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা হামলার প্রতিবাদে এবং শোক পালনের উদ্দেশ্যে কালো ব্যাজ ধারণ করে কাজ করতে পারেন।

  • বিক্ষোভ ও মানববন্ধন: দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এবং বিভাগীয় শহরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

  • স্মারকলিপি প্রদান: প্রধান উপদেষ্টা বরাবর পুনরায় দাবি আদায় এবং গতকালকের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে।

  • পূর্ণদিবস কর্মবিরতি (চূড়ান্ত পদক্ষেপ): যদি ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ‘নবম পে স্কেল’-এর কোনো কার্যকর ঘোষণা বা গেজেট না আসে, তবে পরিষদ দেশজুড়ে “কলম বিরতি” বা পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ডাক দিতে পারে। এর ফলে সচিবালয়সহ মাঠ পর্যায়ের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • ঢাকায় মহাসমাবেশ: পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সারাদেশে থেকে লক্ষাধিক কর্মচারীকে ঢাকায় এনে কেন্দ্রীয়ভাবে বড় ধরনের মহাসমাবেশ করার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।


নেতৃবৃন্দের বার্তা

আন্দোলনকারী নেতাদের মতে, তারা সংঘাত চান না বরং তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বেতন বৈষম্য দূর করতে চান। পুলিশের হামলার কারণে এখন সাধারণ কর্মচারীদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, তাই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *