পেনশনারের ইএফটি বন্ধে করণীয়।

পেনশনারগণ এখন ইএফটি’র মাধ্যমে পেনশন পেয়ে থাকেন। একজন পেনশনারের মৃত্যুতে তার পেনশন ইএফটি বন্ধ না করা পর্যন্ত পেনশন তার ব্যাংক হিসাবে জমা হতে থাকে। যদিও ১১ মাসে একবার লাইভ ভেরিফিকেশন না করালে পেনশন ইএফটি এমনিতেও বন্ধ হয়ে যায়। একজন পেনশনারের মৃত্যুতে মৃত্যুর তথ্য স্থানীয় হিসাবরক্ষণ অফিস অথবা অনলাইনে পেনশন এন্ড ফান্ড ম্যানেজমেন্ট অফিসে প্রেরণ করুন। প্রেরিত তথ্যের উপর ভিত্তি করে হিসাবরক্ষণ অফিস অথবা পেনশন অফিস পেনশন বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

স্থানীয় অফিস বা যে কোন হিসাবরক্ষণ অফিসে মৃত্যুর তথ্য জানালে হবে?

জি, আপনি দেশের যে কোন হিসাবরক্ষণ অফিসে পেনশনারের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, মোবাইল নম্বর, মৃত্যুর তারিখ ও মৃত্যু সনদপত্র দাখিল করলে পেনশন বন্ধ হয়ে যাবে। এই কাজটি আপনি চাইলে ঘরে বসেই সেরে নিতে পারেন। পেনশনারের পরিবার পেনশনারের মৃত্যুর পর তার পেনশন বন্ধ করতে অনলাইনে Pension and Fund Management লিংকে ঢুকবেন তারপর তিনি Pensioner’s Death Information entry নামে একটি অনলাইন ফরম পাবেন। এই Pensioner’s Death Information entry অনলাইন ফরমে ১৭ ডিজিটের NID/Smart ID নম্বর, Phone No বা মোবাইল নম্বর (যেটি দিয়ে ইএফটি করা) Registered phone number for EFT,  Date of Death (Actual Date of Death of Pensioner),  সবশেষে মৃত্যুসনদ আপলোড করবেন (Upload Death Certificate (optional)। যদি মৃত্যুসনদ আপলোড বাধ্যতামূলক নয়। উপরোক্ত তথ্যগুলো প্রদান করার পর পেনশন অফিস ইএফটি বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবে।

মূল পেনশনার মারা গেলে পরিবার পেনশন পাবেন তবুও কি পেনশন বন্ধ করতে হবে?

অবশ্যই। কারণ পেনশনারের ব্যাংক একাউন্ট তার নিজ নামে থাকে এবং পরিবারিক পেনশন কার্যক্রম সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত পেনশন ইএফটি বন্ধ করতে হবে। পারিবারিক পেনশন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে গেলে পুনরায় সংশ্লিষ্ট পারিবারিক পেনশনারের নামে পেনশন ইএফটি হবে। তাই কোন কর্মচারী পেনশনরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে দেরি না করে খুব দ্রুত পেনশন ও ফান্ড ম্যানেজমেন্ট অফিসের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করুন।

পেনশনারের মৃত্যুর পরবর্তী সময়ে যত দ্রুত সম্ভব হিসাবরক্ষণ অফিসকে অবহিত করতে হবে।

সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে যারা প্রশাসন শাখা বা হিসাব শাখায় কাজ করেন তারাই কেবল চাকরি সম্পর্কিত বিধি বিধানগুলো সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখেন। অবশিষ্ট ৮০% কর্মকর্তা/ কর্মচারীই সরকারি চাকরির বিধানাবলী, বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস, হালনাগাদ পেনশন রুলস, ভ্রমণ বিধি ও প্রাপ্যতা , উৎসব ভাতার প্রাপ্যতা, সরকারি কর্মচারীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা বা চিকিৎসা শেষে ব্যয় উত্তোলন, বিভিন্ন ভাতাদির প্রাপ্যতা, বিভিন্ন ধরনের অগ্রিম সুবিধা গ্রহণ, নিয়োগ ও বদলি নীতিমালা, বিভিন্ন ধরনের ছুটি কিভাবে নিতে হয়, বাসা বরাদ্দ বা বাড়ি ভাড়া প্রাপ্যতা, শিক্ষা সহায়ক ভাতা বা রেশন সুবিধা ইত্যাদি সর্ম্পকে ভাল ধারনা রাখেন না। এই ওয়েবসাইটটিতে উপরোক্ত বিষয়গুলো সহজ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সাধারণ কর্মচারী যাতে সহজেই ব্যাপার গুলো বুঝতে পারে এবং যদি কোন বিধি বুঝতে সমস্যা হয় তা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করতে পারেন সে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কেউ যদি কোন বিধি বা নীতিমালা বুঝতে অসমর্থ হয় তবে আমাদের ফেসবুক পেইজ, গ্রুপ এবং ইমেইল ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন।

প্রতিটি পোস্টের রেফারন্স পোস্টের শেষে “ডাউনলোড” নামের যে লিংক দেওয়া আছে সেখান থেকে সংগ্রহ করে নিতে পারেন। ডাউনলোড ফাইল Google Drive or Box.com এ স্টোর করা আছে। কারও যদি ফাইলটি ডাউনলোড করতে সমস্যা হয় তবে আপনি আপনার নিজের gmail Account এ Login করে নিন। লগইন করার পর ঠিকই ফাইলটি ডাউনলোড হবে। তবুও যদি আপনি রেফারেন্স ফাইল ডাউনলোডে সমস্যায় পড়ে তবে আপনি এডমিনকে alaminmia.tangail@gmail.com এ ফাইলের নাম দিয়ে নক করুন। এডমিন আপনার ইমেইলের উত্তর দিবে।

কিছু কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের কাছে সরকারি চাকরির বিধি বিধানের কিছু বইও হয়তো সংগ্রহে আছে কিন্তু তা মূলত সংগ্রহেই মাত্র বের করে পড়ার সময় বা সুযোগ নেই। কারও সময় বা সুযোগ থাকলেও বের করে পড়া পর্যন্ত হয় না। আবার দেখা যায় যে, অসংখ্য বইয়ের মধ্যে একটি সামারি বই চাকরির বিধানাবলীই শুধুমাত্র সংগ্রহ রয়েছে। সরকারি চাকরি সংক্রান্ত অসংখ্যা বই রয়েছে যেগুলো আবার প্রতি বছরই আপডেট হয়ে থাকে আপনি যদি শুধুমাত্র এই ওয়েবসাইটের সাথে যুক্ত থাকেন তবে আপনি সকল আপডেট তথ্যই পেয়ে যাবেন। ব্লগটি ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

admin

এই ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে বা কোন তথ্য যুক্ত করতে বা সংশোধন করতে চাইলে অথবা কোন আদেশ, গেজেট পেতে এই admin@bdservicerules.info ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.