ট্রজারি রুলস এর সাবসিডিয়ারী রুলস-৬১ অনুযায়ী সরকারের নিকট কোন দাবী প্রাপ্য হইবার ছয় মাসের (বর্তমানে এক বৎসর) মধ্যে পেশ না করা হইলে তাহা অনুসন্ধান আদেশ ব্যতীত পরিশোধ করা যাইবে না। এই বিধি সাবসিডিয়ারী রুলস-২২৭ অনুযায়ী পরিচালিত অবসর ভাতা, সরকারী ঋণপত্রের উপর সুদ অথবা সরকারের বিশেষ বিধি ও আদেশ দ্বারা পরিচালিত অন্য কোন শ্রেণীর পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। 

আর্থিক ক্ষমতা অর্পন ২০১৫ মোতাবেক ভ্রমণ বিল দাখিলের সর্বোচ্চ সময় সীমা ১৮ মাস উল্লেখ করা হয়েছে। বাস্তবতা ভিন্ন বিষয় হিসাবরক্ষণ অফিস দাবী করছে প্রতি অর্থ বছরের বিল সংশ্লিষ্ট অর্থ বছরের মধ্যেই দাখিল করতে হবে। বিভিন্ন দপ্তর ও অধিদপ্তরগুলো ভ্রমণ বিল পরিশোধে বাজেট কপিতে পরবর্তী অর্থ বছরে বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য উক্তি উল্লেখ করে দিচ্ছে।

সাধারণত সরকারি অফিসের প্রতি অর্থ বছরের বিল প্রতি অর্থ বছরে পরিশোধ করতে হয়। বকেয়া বিল পরিশোধের বিধান রহিত করণ করা হয়েছে। বকেয়া বিল হিসাব রক্ষণ অফিস পাশ করে না।

এক অর্থ বছরের বিল পরবর্তী অর্থ বছরে পরিশোধ করতে হলে উক্ত অধিদপ্তরের বা সদর দপ্তরের এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করতে হয়। অন্যথায় আঞ্চলিক অফিসগুলো বকেয়া বিল পরিশোধ করতে পারে না এবং হিসাবরক্ষণ অফিস এরকম আদেশ ব্যতীত বকেয়া বিল পাশ করে না। যে সকল খাত বা কোড হতে বকেয়া বিল পরিশোধ করা যায়।

অগ্রীম গৃহীত ভ্রমণ বিল দাখিলের সময়সীমা ১৮ মাস করা হয়েছে।

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ৮ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে admin@bdservicerules.info ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

admin has 3023 posts and counting. See all posts by admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *