মৃত পিতার শুন্য পদে চাকুরীর জন্য আবেদন পত্র লিখবেন যেভাবে।

নিম্ন বেতন ভূক্ত সরকারি কর্মচারীর মৃত্যুতে তার পরিবার পড়ে যায় বিপদে। যে পরিমাণ পেনশন ও আনুতোষিক পায় তা দিয়ে বড় পরিবার হলে কোন ভাবে ব্যয় সামাল দিতে পারে না, এক্ষেত্রে পোষ্য কোটা না থাকলেও পরিবারের যোগ্য সদস্য চাকরির জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে রাজস্বখাতে সরকারি চাকরি কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না করলেও মাস্টাররোলে ঠিকই একটি চাকরির ব্যবস্থা কর্তৃপক্ষ সদয় হলে করে দিতে পারেন। পরবর্তীতে মাস্টাররোলের চাকরিও নিয়মিতকরণ করা হয়ে অনেকাংশে। নিচে মৃত পিতার শুণ্য পদে চাকুরীর জন্য আবেদন পত্রের নমুনা দেওয়া হলো।

বরাবর

মহাপরিচালক

জাতীয় সম্প্রচার কর্তৃপক্ষ

রেডিও উইং

১২১, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

ঢাকা।

বিষয়: মৃত পিতার শুণ্য পদে চাকুরীর জন্য আবেদন।

জনাব,

সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমার পিতা: মো: জামাল খান ১৯-০৬-১৯৭৭ ইং হইতে ২৮-২-১৯৮৯ ইং পর্যন্ত.. কেন্দ্রে এবং ১-৩-১৯৮৯ ইং হইতে .কেন্দ্র-২, , সাভার, ঢাকায় “মালী” পদে চাকুরীরত ছিলেন। আমার পিতা হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে বিগত ১৫/০৪/১৯৯১ ইং তারিখে মারা যান। রেখে যান আমার বিধবা আম্মা ও নাবালক ৫ ভাই বোন। সাবালক হিসেবে আমিই একমাত ছেলে। আমার বাবা বেঁচে থাকা অবস্থায়ই তার সামান্য আয়ে আমাদের সদস্য সংখ্যা বেশী হওয়ার দরুন দিন কাল ভালভাবে চলতো না। বর্তমানে বাবা মারা যাওয়ার দরুন অর্ধাহারে/ অনাহারে কালাতিপাত হচ্ছে।

এমতাবস্থায়, হুজুরের নিকট আকুল আবেদন আপনার একজন গরীব মৃত কর্মচারীর পরিবারের সদস্যদের বেঁচে থাকার অবলম্বন হিসাবে আমার মৃত বাবার শুন্য পদে আমাকে নিয়োগ প্রদান করে আমার বিধবা আম্মা ও নাবালক ভাইবোনদের মুখে দু-মঠো অন্ন যোগান দেওয়ার সুযোগদানে আজ্ঞা হয়।

১। নাম: মো: আজগর আলী

২। পিতার নাম: আমির হোসেন

৩। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম ও পোস্ট: সাভার, ঢাকা।

৪। বর্তমান ঠিকানা: গ্রাম ও পোস্ট: সাভার, ঢাকা।

৫। শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণী পাশ।

৬। জন্ম তারিখ: ২০-০৫-১৯৭৩

৭। ধর্ম: ইসলাম

৮। জাতীয়তা: বাংলাদেশী

তারিখ:

বিনীত নিবেদক,

(মো: আজগর আলী)

মৃত আমীর হোসেনের পুত্র।

সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে যারা প্রশাসন শাখা বা হিসাব শাখায় কাজ করেন তারাই কেবল চাকরি সম্পর্কিত বিধি বিধানগুলো সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখেন। অবশিষ্ট ৮০% কর্মকর্তা/ কর্মচারীই সরকারি চাকরির বিধানাবলীবাংলাদেশ সার্ভিস রুলস, হালনাগাদ পেনশন রুলসভ্রমণ বিধি ও প্রাপ্যতা , উৎসব ভাতার প্রাপ্যতা, সরকারি কর্মচারীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা বা চিকিৎসা শেষে ব্যয় উত্তোলন, বিভিন্ন ভাতাদির প্রাপ্যতা, বিভিন্ন ধরনের অগ্রিম সুবিধা গ্রহণ, নিয়োগ ও বদলি নীতিমালা, বিভিন্ন ধরনের ছুটি কিভাবে নিতে হয়, বাসা বরাদ্দ বা বাড়ি ভাড়া প্রাপ্যতা, শিক্ষা সহায়ক ভাতা বা রেশন সুবিধা ইত্যাদি সর্ম্পকে ভাল ধারনা রাখেন না। এই ওয়েবসাইটটিতে উপরোক্ত বিষয়গুলো সহজ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সাধারণ কর্মচারী যাতে সহজেই ব্যাপার গুলো বুঝতে পারে এবং যদি কোন বিধি বুঝতে সমস্যা হয় তা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করতে পারেন সে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কেউ যদি কোন বিধি বা নীতিমালা বুঝতে অসমর্থ হয় তবে আমাদের ফেসবুক পেইজগ্রুপ এবং ইমেইল ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন।

প্রতিটি পোস্টের রেফারন্স পোস্টের শেষে “ডাউনলোড” নামের যে লিংক দেওয়া আছে সেখান থেকে সংগ্রহ করে নিতে পারেন। ডাউনলোড ফাইল Google Drive or Box.com এ স্টোর করা আছে। কারও যদি ফাইলটি ডাউনলোড করতে সমস্যা হয় তবে আপনি আপনার নিজের gmail Account এ Login করে নিন। লগইন করার পর ঠিকই ফাইলটি ডাউনলোড হবে। তবুও যদি আপনি রেফারেন্স ফাইল ডাউনলোডে সমস্যায় পড়ে তবে আপনি এডমিনকে alaminmia.tangail@gmail.com এ ফাইলের নাম দিয়ে নক করুন। এডমিন আপনার ইমেইলের উত্তর দিবে।

কিছু কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের কাছে সরকারি চাকরির বিধি বিধানের কিছু বইও হয়তো সংগ্রহে আছে কিন্তু তা মূলত সংগ্রহেই মাত্র বের করে পড়ার সময় বা সুযোগ নেই। কারও সময় বা সুযোগ থাকলেও বের করে পড়া পর্যন্ত হয় না। আবার দেখা যায় যে, অসংখ্য বইয়ের মধ্যে একটি সামারি বই চাকরির বিধানাবলীই শুধুমাত্র সংগ্রহ রয়েছে। সরকারি চাকরি সংক্রান্ত অসংখ্যা বই রয়েছে যেগুলো আবার প্রতি বছরই আপডেট হয়ে থাকে আপনি যদি শুধুমাত্র এই ওয়েবসাইটের সাথে যুক্ত থাকেন তবে আপনি সকল আপডেট তথ্যই পেয়ে যাবেন। ব্লগটি ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

admin

এই ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে বা কোন তথ্য যুক্ত করতে বা সংশোধন করতে চাইলে অথবা কোন আদেশ, গেজেট পেতে এই admin@bdservicerules.info ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.