যে সকল ক্ষেত্রে পাওনা ছুটির নগদায়ন করা যাবে বা যাবে না।

১। একজন সরকারী কর্মচারী অবসর উত্তর ছুটির অতিরিক্ত ছুটি পাওনা থাকিলে, সর্বশেষ প্রাপ্ত বেতনের হারে পাওনা ছুটির সর্বাধিক ১২ মাস (বর্তমানে ১৮ মাস) পর্যন্ত বিক্রি করিতে পারিবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ছুটি ভোগ না করিলেও এই ছুটি বিক্রির সুবিধা পাইবেন। এইক্ষেত্রে অর্ধগড় বেতনের ছুটিকে প্রতি দুই দিনের জন্য একদিন হিসাবে পূর্ণগড় বেতনের ছুটিতে রূপান্তর করা যাইবে। (স্মারক নং MF/FD/Reg-II/leave-16/84/9, তারিখ: ২১ জানুয়ারি, ১৯৮৫)।

২। দন্ড হিসাবে বাধ্যতামূলক ভাবে অবসরপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা/কর্মচারী ১২ মাসের (বর্তমানে ১৮ মাস) ছুটি নগদায়ন সুবিধা পাইবেন না। (স্মারক নং অম(অবি)/প্রবি-২/ছুটি-৩/৮৫/৫১, তারিখ: ৩০ মে ১৯৮৯)

৩। চাকরিরত অবস্থায় কোন সরকারী কর্মচারী মৃত্যুবরণ করিলে মৃত্যুর তারিখে অবসর গ্রহণ ধরিয়া পাওনা সাপেক্ষে ছুটির ১২ মাসের পরিবর্তে তাঁহার প্রাপ্য নগদ অর্থ তাঁহার পরিবারকে প্রদেয় হইবে। এই ক্ষেত্রে পরিবার বলিতে পারিবারিক পেনশন প্রদান নিমিত্তে সংজ্ঞায়িত পরিবার বুঝাইবে। (স্মারক অম/অবি/প্রবি-২/ছুটি-১৬/৮৪/১৯৩, তারিখ: ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫)

৪। অবসরের পর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রেও ছুটি নগদায়নের সুবিধা প্রাপ্য। তবে এই ক্ষেত্রে ছুটির প্রাপ্যতা নির্ণয়ের সময় পিআরএল এর সময় ১২ মাস বাদ দিয়া অবশিষ্ট পাওনা ছুটির অনুর্ধ্ব ১২ মাস (বর্তমানে ১৮ মাস) নগদায়নের সুবিধা দেওয়া হইবে। (স্মারক নং অম(অবি)/প্রবি-২/ছুটি-১৪/৮৫/১৪০, তারিখ: ২৫ আগস্ট, ১৯৮৭)

৫। পিঅরএল এর ৩ মাস পূর্বে ছুটি নগদায়নের অর্থ প্রদানের আদেশ জারি করিতে হইবে। চাকরিজীবী আদেশ প্রাপ্তির পর বিল দাখিল করিবেন। বিল প্রাপ্তির পর প্রাপ্য ছুটির টাকা পিআরএল আরম্ভের ২ মাস পূর্বৈ হিসাব রক্ষণ অফিস পোস্ট ডেটেড চেকের মাধ্যমে চাকরিজীবীর নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ/অফিস প্রধানের নিকট প্রেরণ করিবেন। অফিস প্রধান সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে পিআরএল-এ যাওয়ার ১ (এক) মাস পূর্বে উক্ত চেক হস্তান্তর করিবেন। (স্মারক নং অম/অবি/প্রবি-১/৩টি-২/২০০৫(অংশ-১/৫) তারিখ: ২৭ জানুয়ারি, ২০০৯)

admin

আমার ব্লগের কোন কন্টেন্ট সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে বা জানাতে ইমেইল করতে পারেন admin@bdservicerules.info ঠিকানায়।

One thought on “যে সকল ক্ষেত্রে পাওনা ছুটির নগদায়ন করা যাবে বা যাবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.