রিটার্ণ কোথায় দাখিল করতে হয়? না করলে যা হয়।

প্রত্যেক শ্রেণীর করদাতার রিটার্ণ দাখিলের জন্য আয়কর সার্কেল নির্দিষ্ট করা আছে। যেমন, ঢাকা সিভিল জেলায় অবস্থিত যে সকল বেসমারিক সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারী ও পেনশনভূক্ত কর্মকর্তা/ কর্মচারীর নাম A, B এবং C অক্ষরগুলো দিয়ে শুরু হয়েছে তাদেরকে কর অঞ্চল-৪, ঢাকা এর কর সার্কেল-৭১ এ রিটার্ণ জমা দিতে হবে। পুরোনো করদাতাগণ তাদের বর্তমান সার্কেলে রিটার্ণ জমা দেবেন। নতুন করদাতাগণ তাদের নাম, চাকুরীস্থল বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানার ভিত্তিতে নির্ধারিত সার্কেলে ১২-ডিজিট টিআইএন (e-TIN) উল্লেখ করে আয়কর রিটার্ণ দাখিল করবেন। করদাতাগণ প্রয়োজনে নিকটস্থ আয়কর অফিস বা কর পরামর্শ কেন্দ্র থেকে আয়কর রিটার্ণ দাখিল সংক্রান্ত তথ্য জেনে নিতে পারেন।

প্রতি বছর দেশের বিভিন্ স্থানে অনুষ্ঠেয় আয়কর মেলায় করদাতাগণ আয়কর রিটার্ণ দাখিল করতে পারেন। রিটার্ণ দাখিলের সময় করদাতা বিদেশে অবস্থান করলে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসেও রিটার্ণ দাখিল করাযায়। কোন সরকারী কর্মকর্তা প্রেষণে বা ছুটিতে বিদেশে উচ্চ শিক্ষরত বা প্রশিক্ষণরত থাকলে বা লিয়েনে বাংলাদেশের বাইরে কর্মরত থাকলে উক্ত প্রেষণ বা লিয়েন সমাপ্তিতে দেশে আসার তিন মাসের মধ্যে তার প্রেষণ বা লিয়েনকালীন সময়ের সকল রিটার্ণ দাখিল করবেন।

রিটার্ণ দাখিল না করলে কি হয়?

কোন করদাতা আয়কর অধ্যাদেশের ৭৫ ধারা অনুসারে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ণ দাখিলে ব্যর্থ হলে তার উপর আয়কর অধ্যাদেশের ১২৪ ধারা অনুযায়ী জরিমানা, ৭৩ ধারা অনুযায়ী ৫০ শতাংশ অতিরিক্ত সরল সুদ এবং ৭৩A ধারা অনুযায়ী বিলম্ব সুদ (Delay interest) আরোপযোগ্য হবে। যে ক্ষেত্রে করদাতা রিটার্ণ দাখিলের জন্য সময়ের আবেদন করে উপ কর কমিশনার কর্তৃক মঞ্জুরকৃত বর্ধিত সময়ের মধ্যে রিটার্ণ দাখিল করবেন, সে ক্ষেত্রে করদাতার উপর জরিমানা আরোপিত হবে না, তবে অতিরিক্ত সরল সুদ ও বিলম্ব সুদ আরোপিত হবে।

admin

আমার ব্লগের কোন কন্টেন্ট সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে বা জানাতে ইমেইল করতে পারেন admin@bdservicerules.info ঠিকানায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.