সরকারি চাকুরী সংক্রান্ত ১০টি ফান্ডামেন্টাল রুলস।

মেডিকেল ফিটন্যাস সার্টিফিকেট ব্যতীত সরকারি চাকুরীতে কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ করা যাইবে না এবং এই সার্টিফিকেট প্রথম বেতন বিলের সাথে দাখিল করিতে হইবে।

তাহা ছাড়া যথাযোগ্য কর্তৃপক্ষ যদি মনে করেন যে, তাহার অধীনস্থ কোন কর্মচারী এমন কোন রোগে আক্রান্ত যাহা তাহার কর্তব্য পালনে বিঘ্ন সৃষ্টিকরিতেছে বা যাহা অন্যান্য কর্মচারীদেরও ভয়ের কারণ হইয়া দাঁড়াইয়াছে। অর্থাৎ অন্যান্যদের মধ্যে ছড়াইয়া পড়িতে পারে, তাহা হইলে কর্মচারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ প্রদান করিতে পারেন এই ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর যদি মেডিকেল কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা নিরীক্ষা অন্তে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর রোগ মুক্তির জন্য নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চিকিৎসা ও বিশ্রামের জন্য সুপারিশ করেন, তাহা হইলে উক্ত সুপারিশকৃত সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর স্থায়ীভাবে কর্তব্য সম্পাদনে অক্ষম বলিয়া মতামত ব্যক্তি করেন, তাহা হইলে মেডিকেল কর্তৃপক্ষের এই মতামত সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে অবগত করাইতে হইবে। সংশ্লিষ্ট কর্মচারী তাহার অবগত হওয়ার সাত দিনের মধ্যে মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য পরিদপ্তরের নিকট প্রয়োজনীয় ফিসহ পুন:স্বাস্থ্য পরীক্ষার আবেদন করিতে পারেন। এই আবেদনের ভিত্তিতে পুন:স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা স্বাস্থ্য পরিদপ্তর গ্রহণ করিবেন। পুন:স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যদি মেডিকেল কর্তৃপক্ষ মনে করেন, সংশ্লিষ্ট কর্মচারী স্থায়ীভাবে কর্তৃব্য পালনে অক্ষম নয়, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কর্তৃপক্ষ মেডিকেল কর্তৃপক্ষের সুপারিশের ভিত্তিতে প্রয়োজনে চিকিৎসা ও বিশ্রামের জন্য প্রয়োজনীয় ছুটি প্রদানের পর চাকুরীতে পুন:বহাল করিবেন এবং এইক্ষেত্রে তাহার অনুপস্থিতির কালকে কর্মরত হিসাবে গণ্য করিতে হইবে। আর যদি সংশ্লিষ্ট কর্মচারী পুন:স্বাস্থ্য পরীক্ষার আবেদন করেন অথবা পুন:স্বাস্থ্য পরীক্ষায় স্থায়ীভাবে অক্ষম বলিয়াঘোষিত হন তাহা হইলে উক্ত কর্মচারীকে চাকুরী হইতে অবসর প্রদান করিতে হইবে এবং বিধি মোতাবেক প্রাপ্য হইলে আনুতোষিকসহ অক্ষমতাজনিত অবসর ভাতা প্রদান করা যাইবে। আর সংশ্লিষ্ট কর্মচারী অক্ষমতাজনিত অবসর ভাতা আবেদন করিলে তাহাই প্রদান করিতে হইবে। (এফ,আর-১০)।

১। বিল হইতে প্রয়োজনীয় জামানত কর্তৃন করিতে হইবে এবং নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পর কাজের মান সন্তোষজনক অবস্থায় না থাকিলে জামানতের অর্থ ফেরত প্রদান করা যাইবে না।

২। হাজতে থাকালীন সময়ের জন্য কোন প্রকার বেতন ভাতাদি প্রদান করা যাইবে না। তবে নির্দোষ প্রমানিত হইয়া বেকসুর খালাসপ্রাপ্ত হইলে, হাজতকালীন সময়ে বেতন ভাতাদি প্রদান করা যাইবে। (বি,এফ, আর-৭৩)

৩। ছুটিকালীন সময়ের জন্য যোগদান কালের জন্য ও সামরিক বদলীকালীন সময়ের জন্য স্থায়ী ভ্রমণ ভাতা প্রাপ্য নয়।

৪। বরখাস্তকালীন ও হাজতবাসের সময়ের জন্য কোন প্রকার ছুটি প্রদান করা যাইবে না। (বি,এস,আর-৭৪)।

৫। প্রকৃত মালামাল পরীক্ষা, গণনা ও পরিমাণপূর্বক গ্রহণ মজুত হতে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে। (আ:বি: ১৪৮)

৬। মজুদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে বৎসরে একবার মজুদ পরীক্ষা করিতে হইবে। (আ: বি: ১৫৯)

৭। গড় বেতন বলিতে পূর্ববর্তী ১২ মাসের বেতনের গড় বুঝাইবে এবং ক্ষতিপূরণ ভাতা বলিতে কর্তব্য পালনকালে বিশেষ অবস্থার প্রেক্ষিতে উদ্ভূত ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রদানকৃত ভাতা বুঝাইবে। (বিএসআর-৫)

৮। ভ্রমণ ভাতা অগ্রিম গ্রহণ করা হইয়া থাকিলে, তাহা ভ্রমণ ভাতা বিলে সমন্বয় করিতে হইবে। (জি,এফ,আর-২৬৯(৩)।

৯। যে কোন নির্মাণ কাজের দরপত্র খোলাখুলিভাবে আহবান করিতে হইবে এবং কাজের পূর্বে প্রশাসনিক অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে এবং নির্মাণ কাজের নক্সা ও প্রাক্কলন যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হইতে হইবে এবং ব্যয় বরাদ্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখিতে হইবে। ইহা সর্বনিম্ন দরপত্র গ্রহণ না করা হইলে, যথাযথ ব্যাখ্যাসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে।

১০। একজন কর্মচারী বিশেষ আদেশের অবর্তমানে নতুন নিয়োগ বা বদলীর ক্ষেত্রে ট্রানজিট পিরিয়ডের বেতন ভাতাদি যোগদানকৃত অফিস হইতে গ্রহণ করিবেন। (একাউন্ট কোড-৩১(৩)।

admin

আমার ব্লগের কোন কন্টেন্ট সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে বা জানাতে ইমেইল করতে পারেন admin@bdservicerules.info ঠিকানায়।

Leave a Reply