১১ মাসে ১ দিন উপস্থিতিতে ইএফটি পেনশন প্রদান শুরু।

হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় এর ২৮/০৭/২০১৯ খ্রি: তারিখের ০৭.০৩.০০০০.০১০.০৮.৮৩৯.১৮.৩৭৫ নম্বর বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে হিসাবরক্ষণ অফিসমূহ স্বশরীরে পেনশনারদের উপস্থিতি ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিল জেলারেশনের মাধ্যমে পেনশনারদের মাসিক পেনশন ইএফটি’র মাধ্যমে পেনশনারদের ব্যাংক একাউন্টে প্রেরণ করা হচ্ছে।

সিএও পেনশন ও ফান্ড ম্যানেজমেন্ট কর্তৃক মোবাইল এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এবং সকল হিসাবরক্ষণ অফিসে বায়োমেট্রিক ডিভাইস স্থাপনের মাধ্যমে পেনশনারের অঙ্গুলের ছাপ সনাক্ত করে জীবিত আছেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উক্ত কার্যাবলী বাস্তবায়ন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত অন্তরবর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে ১১ (এগার) তম মাসে ০১ (এক) বার পেনশনারদের বাংলাদেশের যে কোন হিসাবরক্ষণ অফিসে স্বশরীরে হাজিরা দিতে হবে এবং তাদের পিপিও বই ও জাতীয় পরিচয়পত্র উপস্থাপন করতে হবে। অন্যথায় মাসিক পেনশন ইএফটি’র মাধ্যমে প্রদান কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। হিসাব রক্ষণ অফিস সমূহ আইবাস++ এর পেনশন মডিউলে পেনশনারদের যাচাই করার তথ্য আপলোড করার পর পুনরায় পরবর্তী বছরে মাসিক পেনশন ইএফটি’র মাধ্যমে পেনশন তাদের ব্যাংক একাউন্টে প্রেরণ অব্যাহত থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিটিতে স্বাক্ষর করেছেন অতিরিক্ত হিসাব মহানিয়ন্ত্রক (হিসাব ও পদ্ধতি) মোহাম্মদ মমিনুল হতক ভূঁইয়া।

এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে বিজ্ঞপ্তি সংগ্রহ করতে পারেন: ডাউনলোড

প্রশ্নোত্তর পর্ব:

  • প্রশ্ন: প্রতিমাসের হিসাব রক্ষণ অফিসে যেতে হবে?
  • উত্তর: না। ১১ মাসে এক বার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

  • প্রশ্ন: পিপিও বই নিলেই হবে?
  • উত্তর: হ্যাঁ, সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রও নিয়ে যেতে হবে।

  • প্রশ্ন: ১১তম মাসে একবার না গেলে কি হবে?
  • উত্তর: মাসিক পেনশন ইএফটি বন্ধ হয়ে যাবে।
Avatar

admin

আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী। ভালবাসি চাকরি সংক্রান্ত বিধি বিধান জানতে ও অন্যকে জানাতে। আমার ব্লগের কোন কন্টেন্ট সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে বা জানাতে ইমেইল করতে পারেন alaminmia.tangail@gmail.com ঠিকানায়। ধন্যবাদ আপনাকে ওয়েবসাইটটি ভিজিট করার জন্য।