আমাদের সেবাসমূহ
যে সেবা দরকার সেটি দেখে নিন, তারপর সংশ্লিষ্ট ট্যাবে বিস্তারিত পাবেন।
নতুন ভোটার হবেন যেভাবে
১৬ বছর বা তার বেশি বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক আবেদন করতে পারেন। ১৮ বছর পূর্ণ হলে নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়।
- services.nidw.gov.bd/nid-pub/ পোর্টালে গিয়ে “নতুন নিবন্ধনের আবেদন” বাটনে ক্লিক করুন।
- জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে তথ্য মিলিয়ে ফর্ম পূরণ করুন।
- ফর্ম প্রিন্ট করুন বা আবেদন নম্বর সংরক্ষণ করুন।
- নির্ধারিত দিনে মূল কাগজসহ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে নিজে যান।
- আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, ছবি ও স্বাক্ষর দিন এবং তথ্য যাচাই করুন।
- রসিদ রাখুন। পরে ডিজিটাল কপি নামান ও স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করুন।
প্রয়োজনীয় কাগজ
মনে রাখুন
মাধ্যমিক বা তার বেশি পাস করলে এসএসসি সনদ বাধ্যতামূলক (ইসি, ২৯ এপ্রিল ২০২৬)। নাম ও জন্ম তারিখ জন্ম নিবন্ধন ও সনদের সঙ্গে হুবহু মিলতে হবে। প্রবাসীরা ইসি নির্ধারিত দেশের স্টেশনে আবেদন করতে পারেন।
সংশোধন ও খরচ ক্যালকুলেটর
নাম, পিতা-মাতার নাম, জন্ম তারিখ ইত্যাদি সংশোধনের ফি এখানে হিসাব করুন।
খরচ হিসাব করুন
কে নিষ্পত্তি করবেন
| ক্যাটাগরি | ধরন | কর্তৃপক্ষ |
|---|---|---|
| ক | যাচাইযোগ্য সনদে জন্ম তারিখ | মাঠ পর্যায় |
| খ | বয়স ১–৪ বছর পরিবর্তন | জেলা অফিসার |
| গ | বয়স ৪ বছরের বেশি | আঞ্চলিক অফিসার |
| ঘ | আমূল পরিবর্তন | মহাপরিচালক |
আবেদনপত্র জেনারেটর
তথ্য দিন, কভার লেটার তৈরি হবে। মূল আবেদন পোর্টালের ফর্মেই জমা দিতে হবে।
প্রশ্নোত্তর
সাধারণ প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর। খুঁজতে নিচে লিখুন।
কার্ড হারিয়ে গেলে করণীয়
ইসি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে জিডির বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে। এখন নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে অনলাইনে আবেদন করলেই হয়।
- আগে ভালো করে খুঁজে দেখুন। না পেলে আপনার এনআইডি নম্বর জোগাড় করুন (পুরনো ফর্ম, ব্যাংক বা সিমের রেকর্ড, ডিজিটাল কপি)।
- services.nidw.gov.bd পোর্টালে লগইন করে হারানো কার্ডের নতুন কপির আবেদন বেছে নিন।
- পোর্টালে দেখানো ফি অনলাইনে জমা দিন।
- আবেদন নম্বর ও রসিদ সংরক্ষণ করুন এবং পোর্টালে অবস্থা দেখুন।
- নির্বাচন অফিস ডাকলে মূল কাগজসহ যান, তারপর তৈরি কার্ডটি সংগ্রহ করুন।
কার্ডের তথ্যে ভুল থাকলে
প্রথমে হারানো কার্ডটি তুলুন, তারপর সংশোধনের আবেদন করুন। দুটি আলাদা আবেদন।
জরুরি দরকারে
নতুন কার্ড আসার আগে পোর্টাল থেকে ডিজিটাল কপি নামানোর সুযোগ থাকলে সেটি কাজে লাগাতে পারেন।
সাবধান থাকুন
কার্ড বা নম্বর কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না। অপব্যবহারের সন্দেহ হলে ব্যাংক ও মোবাইল অপারেটরকে জানান। দালালকে টাকা দেবেন না।