ভিত্তি: সাধারণ ভবিষ্য তহবিল বিধিমালা, ১৯৭৯। কার্যকর সর্বশেষ নির্দেশনা ও সীমা অর্থ বিভাগের প্রজ্ঞাপন থেকে মিলিয়ে নিন।
১. ফেরতযোগ্য অগ্রিম
প্রয়োজনে (চিকিৎসা, গৃহনির্মাণ, বিবাহ ইত্যাদি) চাঁদাদাতা ফেরতযোগ্য অগ্রিম নিতে পারেন।
অগ্রিম সর্বোচ্চ ৪৮টি মাসিক কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য।
যে মাসে অগ্রিম নেওয়া হয়, তার পরবর্তী মাসের বেতন বিল থেকে কিস্তি কর্তন শুরু হয়।
আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ বিধিমালা ২০১৫ অনুযায়ী নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ (অধিদপ্তর/বিভাগ প্রধান) সর্বোচ্চ একটি অগ্রিমের কিস্তি ১ বছর পর্যন্ত স্থগিত রাখতে পারেন। আঞ্চলিক/উপজেলা পর্যায়ের অফিসের এ ক্ষমতা নেই।
২. অফেরতযোগ্য অগ্রিম
৫২ বছর বয়স পূর্ণ হলে জমার ৮০% পর্যন্ত অফেরতযোগ্য অগ্রিম তোলা যায়, যা পরিশোধ করতে হয় না (বিধি ১৩(৯) ও ১৩(১০))।
৫২ বছর পূর্তিতে এক বা একাধিক অপরিশোধিত কিস্তি অফেরতযোগ্য অগ্রিমে রূপান্তর করা যায় (বিধি ১৩(১০))।
৩. বিল তৈরিতে করণীয় (টি, আর ফরম নং ৩৭)
বিলে চাঁদাদাতার নাম, মূল বেতন, মঞ্জুরী পত্রের নং ও তারিখ এবং ভবিষ্য তহবিলের হিসাব নং থাকতে হবে।
প্রতি ২০০ টাকার উপরে প্রদানে রেভিনিউ স্ট্যাম্পসহ প্রাপ্তির রশিদ গ্রহণ করতে হবে।
চাঁদাদাতার হিসাবের স্থিতি অগ্রিমের পরিমাণের চেয়ে বেশি কি না, আয়ন কর্মকর্তা প্রত্যয়ন করবেন।
৪. মুনাফার হার
জিপিএফ জমার ওপর সরকার প্রতি অর্থবছরে স্লাবভিত্তিক ১১% থেকে ১৩% মুনাফা নির্ধারণ করে। চাঁদার হার মূল বেতনের ৫% থেকে ২৫%।