কার্য বিধিমালা ১৯৯৬ মোতাবেক কর্মবন্টন।

সচিব তাঁহার অধীনে কর্মকর্তাগণের মধ্যে কার্যবিধিমালা, ১৯৯৬ মোতাবেক সর্বাধিক ক্ষমতার্পনের বিষয় নির্ধারণ করিবেন এবং মন্ত্রণালয়/বিভাগ কর্মসম্পাদনের প্রকৃতি ও কর্মকর্তাগণের উপর ন্যস্ত ক্ষমতাবলি সম্পর্কে সুষ্পষ্ট স্থায়ী আদেশ জারি করিবেন এবং এই মর্মে নিশ্চয়তা বিধান করিবেন যে,

১। কর্মবন্টন প্রক্রিয়া সমতাভিত্তিক হইবে;

২। বিষয়সমূহের উপস্থাপন সমপর্যায়ের কর্মকর্তার মাধ্যমে না হইয়া পরবর্তী উর্ধ্বতন পর্যায়ের কর্মকর্তার মাধ্যমে হইবে; এবং

৩। সচিব ব্যতীত অনধিক তিনটি ধাপের মধ্য দিয়া সাধারণত বিষয়সমূহ অতিক্রম করিবে।

মন্ত্রণালয় বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত না হইলে একজন অতিরিক্ত সচিব /যুগ্নসচিব একটি সুনির্দিষ্ট কার্যপরিধির দায়িত্ব পালন করিবেন। তিনি তাঁহার পরিধির মধ্যে পূর্ণ দায়িত্ব বহন করিবেন এবং প্রয়োজনে নির্দেেশর জন্য নথি সরাসরি মন্ত্রীর নিকট উপস্থাপন করিবেন। এই ধরনের বিষয়সমূহ তাঁহার নিকট সচিবের মাধ্যমে ফেরত আসিবে। মন্ত্রীর নিকট উপস্থাপনের পূর্বে নিজস্ব বিবেচনার জন্য সচিব কোনো নির্দিষ্ট বিষয় অতিরিক্ত সচিব/যুগ্নসচিবের নিকট হইতে চাহিয়া পাঠাইবার ক্ষমতা রাখিবেন এবং কোনো নির্দিষ্ট বিষয় মন্ত্রীর নিকট পাঠাইবার পূর্বে তাঁহার সহিত পরামর্শের জন্য তাঁহাদিগকে অনুরোধ জানাইতে পারিবেন।

গুরুত্বপূর্ণ নীতি বিষয়ক প্রশ্ন জড়িত নহে অথবা যাহা বিধিমালা অথবা স্থায়ী আদেশবলে নিষ্পত্তির জন্য উপসচিব নিজেই ক্ষমতাপ্রাপ্ত, এমন সকয় বিষয় উপসচিব নিজেই নিষ্পত্তি করিবেন।

সুষ্পষ্ট নজির রহিয়াছে অথবা পূর্ব দৃষ্টান্তের কোনো বিচ্যুতির প্রশ্ন উঠে না অথবা বিধিমালা ও স্থায়ী আদেশের আওতাধীন নিষ্পত্তির করিতে নিজেই ক্ষমতাপ্রাপ্ত এমণ সকল বিষয় শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজেই নিষ্পত্তি করিবেন। সংশয় দেখা দিলে তিনি তাঁহার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ চাহিতে পারিবেন।

 

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ৮ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে [email protected] ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *