পেনশন সহজীকরণ আইনের উত্তরাধীকার মনোনয়ন মোতাবেক সাধারণ ভবিষ্য তহবিল এ যাকেই মনোনয়ন দেওয়া হোক না কেন পেনশন নীতিমালা অনুসারে স্ত্রী’ই হবে তার উত্তোলন কারীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি।

বিয়ের পর নমিনি কি পরিবর্তন করতে হবে? জিপিএফ এর মনোনয়ন বিয়ের পর পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়ে না। বিয়ের পর স্বয়ক্রিয় ভাবে স্ত্রী মনোনয়নে চলে আসে। সম্পত্তি উত্তরাধীকার আইন দ্বারা পেনশন আইন নিয়ন্ত্রণ হয় না। সাধারণ সম্পদ বন্টন আর মৃত্যুর পর পেনশন বা চাকুরীজিবীর পরিবার বলতে স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, মা, বাবা এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তাছাড়া অফিসের ডিডিও’র মাধ্যমে কর্মচারীদের জিপিএফ নমিনি যে কোন সময় পরিবর্তন করা যায় এবং অংশ আকারে জিপিএফ বন্টনও করা যায়।

উত্তরাধিকার নির্ণয়ে কি কোর্ট হইতে সাকসেশন সার্টিফিকেট লাগবে? না। পারিবারিক পেনশনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী চাকরিতে থাকা অবস্হায় অথবা পরবর্তী যে কোন সময়ে তাঁহার পরিবারের যে কোন এক বা একাধিক সদস্যকে তাঁহার পারিবারিক পেনশনের সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষের উত্তরাধিকারী মনোনীত করিতে পারিবেন। মনোনয়নের অবর্তমানে পারিবারিক পেনশন ও আনুতোষিক প্রদানের ক্ষেত্রে তাঁহার সর্বশেষ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ তৎকালীন অর্থ ও রাজস্ব বিভাগের ১৬-০৪-১৯৫৯ তারিখের স্মারক নং ২৫৬৬(৪০)-এফ এবং অর্থ বিভাগের ২৮-০৫-২০১২খ্রিঃ তারিখের স্মারক নং ০৭.০০.০০০০.১৭১.১৩.০০২.১২.(অংশ-১)-৫৭ অনুসরণে উত্তরাধিকারী নির্ণয় করিবেন।

মৃত পেনশনারের স্ত্রী/স্বামী পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন নাই এই মর্মে স্হানীয় পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে কাউন্সিলর/সর্বশেষ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ-এর প্রদত্ত সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য হইবে(সংযোজনী-৩)। কোর্ট হইতে সাকসেশন সার্টিফিকেট প্রদানের বাধ্যবাধকতা থাকিবে না। কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী পুনঃবিবাহে আবদ্ধ না হওয়ার শর্তে আজীবন পারিবারিক পেনশন প্রাপ্য হইবেন। তবে কর্মচারীর বিধবা স্ত্রীর পুনঃবিবাহ না করার অংগীকার- বা প্রত্যয়নপত্র দাখিলের শর্ত ৫০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সী বিধবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।

বিস্তারিত জানতে সম্পূর্ণ পরিপত্রটি দেখুন: ডাউনলোড

 

কর্মকর্তা বা কর্মচারীর ই-এলপিসি ও না দাবীর ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত রয়েছে? । ই এলপিসি একমাস পূর্বে গ্রহণ করতে হবে

  • উক্ত স্মারকের ২.০৫ অনুচ্ছেদের (ক) উপানুচ্ছেদ নিম্নরূপে প্রতিস্হাপিত হইবে : সরকারি কর্মচারী অবসর-উত্তর ছুটিতে গমনের ১১ (এগার) মাস পূর্বে সংশ্লিষ্ট হিসাব রক্ষণ অফিস/আয়ন ও ব্যয়ন কর্মকর্তা তাঁহার “অবসর-উত্তর ছুটিতে যাওয়ার অব্যবহিত পূর্বের তারিখে” এবং “চূড়ান্ত অবসর গ্রহণের অব্যবহিত পূর্বের তারিখে” শেষ আহরণযোগ্য/নির্ধারণযোগ্য প্রত্যাশিত বেতন উল্লেখপূর্বক ইএলপিসি (Expected Last Pay Certificate) (সংযোজনী-১) জারি করিবেন। আয়ন ও ব্যয়ন কর্মকর্তা কর্তৃক জারিকৃত নন-গেজেটেড কর্মচারীর ইএলপিসি সংশ্লিষ্ট হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা ০৭(সাত) কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিস্বাক্ষর করিতে হইবে। ইএলপিসি-র সংগে ১(এক) মাস পূর্বে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরদানক্রমে প্রেরিত চাকরি বৃত্তান্তের অনুলিপি সংযুক্ত করিতে হইবে। চাকরি বৃত্তান্তে অনিষ্পত্তিকৃত অডিট আপত্তি, বিভাগীয় মামলার তথ্য থাকিলে তাহা ইএলপিসি-তে ক্রমিক ৪(ড)-এ লাল কালিতে উল্লেখ করিতে হইবে।
  • উক্ত স্মারকের ২.০৬ অনুচ্ছেদের (ক) উপানুচ্ছেদের শেষে নিম্নরূপ বাক্য সংযোজিত হইবে : পেনশন মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ পেনশন আবেদন প্রাপ্তির ১ (এক) মাসের মধ্যে না-দাবী প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করিতে ব্যর্থ হইলে আবেদনকারীর কাছে কোন দাবী নাই ধরিয়া তাহার পেনশন কেইস নিষ্পত্তির ব্যবস্হা করিতে হইবে।
  • উক্ত স্মারকের ২.০৭ অনুচ্ছেদের (ক) ও (গ) উপানুচ্ছেদ নিম্নরূপে প্রতিস্হাপিত হইবে : (ক) ছুটি নগদায়ন (ল্যাম্পগ্র্যান্ট) মঞ্জুরি ও ভবিষ্য তহবিল স্হিতি আদেশ প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট কর্মচারী বিল দাখিল করিবেন। বিল প্রাপ্তির পর প্রাপ্য ছুটির (সর্বোচ্চ ১৮ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ) নগদায়ন অর্থাৎ লাম্পগ্র্যান্ট-এর অর্থ এবং সর্বমোট ভবিষ্য তহবিলের স্হিতি হিসাব রক্ষণ অফিস সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর পিআরএল- এ গমনের ২(দুই) মাস পূর্বে অগ্রিম তারিখের (post dated) চেকের মাধ্যমে তাঁহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ অফিস প্রধানের নিকট প্রেরণ করিবেন। নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ/অফিস প্রধান পিআরএল-এ যাইবার ১(এক) মাস পূর্বে উক্ত চেক সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে হস্তান্তর করিবেন।
  • হিসাব রক্ষণ অফিস উপর্যুক্ত সকল অগ্রিম তারিখের (post dated) চেক নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ/অফিস প্রধানের কাছে প্রেরণের অগ্রায়ন পত্রের (Forwarding letter) অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারীকে এবং কল্যাণ কর্মকর্তাকে প্রদান করিবে। উপরে বর্ণিত সময়ে অগ্রিম তারিখের (post dated) চেকসমূহ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ/অফিস প্রধানের নিকট প্রেরণে হিসাব রক্ষণ অফিস সমর্থ না হইলে প্রতিটি কেস-এ বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা পূর্বক প্রাসঙ্গিক তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর পিআরএল/অবসর-এ গমণের অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগ ও হিসাব মহা-নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়কে হিসাব রক্ষণ অফিস কর্তৃক রেজিষ্টার্ড এডি যুক্ত পত্র/জি,ই,পি/ফ্যাক্স/ই-মেইলের মাধ্যমে জানাইতে হইবে।

ভবিষ্য তহবিলের সুদ/ইনক্রিমেন্ট যদি না নিতে চাই?

যে সকল ব্যক্তি ভবিষ্য তহবিলে জমা অর্থের উপর সুদ/ইনক্রিমেন্ট গ্রহণ করিতে অনিচ্ছুক তাঁহাদের ভবিষ্য তহবিলের সুদ/ইনক্রিমেন্ট এর পরিবর্তে সরকারের তরফ হইতে চাঁদা/অনুদান প্রদানের বিষয় পরবর্তীকালে বিবেচনা করা হইবে। যদিও এখন আইবাস++ হতে সুদ Yes or No করার ব্যবস্থা রয়েছে। তাই কোন কর্মচারী যদি জিপিএফ সুদ না নিতে চান সেটিও কার্যকর করতে পারবেন।

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ৮ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে admin@bdservicerules.info ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

admin has 3010 posts and counting. See all posts by admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *