প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রীম কোর্টের বিচারকগণের জন্য গৃহ নির্মাণ ঋণ নীতিমালা ২০২১

বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রীম কোর্টের মাননীয় বিচারকগণের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ ঋণ নীতিমালা, ২০২১ নামে অভিহিত হবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

অর্থ মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ

প্রশাসন ও সমন্বয়

গৃহ নির্মাণ ঋণ কোষ

নং-০৭.০০.০০০০.২০৬.৯৯.৩৬৫.৫২৮; তারিখ: ২৭ জুন ২০২১

পরিপত্র

বিষয়: বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রীম কোর্টের মাননীয় বিচারকগণের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ ঋণ প্রদান সংক্রান্ত।

১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন:

ক) এ নীতিমালা “বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রীম কোর্টের মাননীয় বিচারকগণের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ ঋণ নীতিমালা, ২০২১” নামে অভিহিত হবে।

খ) এ নীতিমালা ১ জুলাই, ২০২১ খ্রি: তারিখ হতে কার্যকর হবে।

২। সংজ্ঞা:

বিষয় ও প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকলে এ নীতিমালায়-

ক) প্রধান বিচারপতি অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি;

খ) বিচারক অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য কর্তৃক নিযুক্ত বিচারক;

গ) ঋণ গ্রহীতা অর্থ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারক, যিনি এ নীতিমালার আওতায় গৃহ নির্মাণ ঋণ গ্রহণ করেছেন;

ঘ) গৃহ নির্মাণ ঋণ অর্থ বাড়ি (আবাসিক) নির্মাণের জন্য একক ঋণ, জমিসহ তৈরি বাড়ি ক্রয়ের জন্য একক ঋণ, জমি ক্রয়সহ বাড়ি (আবাসিক ) নির্মাণের জন্য প্রুপভিত্তিক ঋণ, বাড়ি (আবাসিক) নির্মানের জন্য গ্রুপভিত্তিক ঋণ এবং ফ্ল্যাট ক্রয়ের জন্য ঋণকে বুঝাবে;

ঙ) বাস্তবায়নকারী সংস্থা বলতে এমন সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বুঝাবে যেসকল প্রতিষ্ঠান এ পরিপত্রের আলোকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও বিচারকগণের মধ্যে গৃহ নির্মানের জন্য ঋণ বিতরণ করবে;

চ) প্রতিষ্ঠান বলতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত ” বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট” কে বুঝাবে।

ছ) সরকার বলতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়কে বুঝাবে।

৩। ঋণ প্রাপ্তির যোগ্যতা:

ক) এ নীতিমালার ২(ক) ও ২(খ) অনুসারে ঋণ আবেদনকারীকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এবং বিচারক হতে হবে;

খ) গৃহ নির্মাণ ঋণের আবেদনের সর্বশেষ বয়সসীমা হবে অবসর গমনের ১ (এক) বছর পূর্ব পর্যন্ত এবং রাষ্ট্র প্রদত্ত সুদ ভর্তুকি অবসর গ্রহণের সর্বশেষ দিন পর্যন্ত প্রাপ্য হবেন;

গ) একজন আবেদনকারী কেবলমাত্র একবারই এ নীতিমালার আওতায় গৃহ নির্মাণ ঋণ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

৪। ঋণ প্রাপ্তির শর্ত:

ক) এ নীতিমালার আওতায় একজন সরকারি কর্মচারী দেশের যে কোন এলাকায় গৃহ নির্মাণ ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন।

খ) গৃহ নির্মাণ ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে ভবনের নকশা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।

গ) ঋণ প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে প্রস্তাবিত ভূমি বা ফ্ল্যাট সম্পূর্ণ দায়মুক্ত হতে হবে।

ঘ) ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক বা বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকে আবেদনকারীর একটি হিসাব থাকতে হবে। উক্ত হিসাবের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বেতন/ ভাতা/ পেনশন এবং গৃহ নির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয় ঋণ বিতরণ ও আদায় সংক্রান্ত সমুদয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ঙ) ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র সম্পূর্ণ তৈরি (Ready) ফ্ল্যাটের জন্য ঋণ প্রদান করা হবে। এক্ষেত্রে সরকারি সংস্থা কর্তৃক ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে “সম্পূর্ণ তৈরি ফ্ল্যাটের” শর্ত শিথিল করা যাবে

৫। বাস্তবায়নকারী সংস্থা:

ক) বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রীম কোর্ট এর বিচারকগণের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ ঋন প্রদান করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র মালিকানাধীন তফসিলি ব্যাংকসমূহ, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন এবং ০৫টি বানিজ্যিক ব্যাংক (ইসলামী ব্যাংক ব্যাংলাদেশ লিমিটেড, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসাবে কার্যক্রমটি পরিচালনা করবে;

খ) সরকার অন্য যে কোন বানিজ্যিক ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে নিয়োগ করতে পারবে।

৬। তহবিলের উৎস:

বাস্তবায়নকারী সংস্থাসমূহ তাদের নিজস্ব তহবিল হতে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রীম কোর্ট এর বিচারকগণের জন্য গৃহ নির্মান ঋণ প্রদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

(গ) ঋণের সর্বোচ্চ সিলিং নির্ধারণ:

(১) সরকারি কর্তৃক নির্ধারিত সর্বোচ্চ সিলিং (সংযোজনী-ক/সংযোজনী-খ) ও বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক Due Diligence-এর মাধ্যমে নিরূপিত পরিমাপ-এ দুয়ের মধ্যে যা কম সে পরিমাণ ঋণ মঞ্জুর ও বিতরণ করা যাবে। তবে সিলিং নির্ধারণের ক্ষেত্রে জমিসহ তৈরি বাড়ি ক্রয় এবং ফ্ল্যাটের ক্রয় মূল্যের সাথে রেজিস্ট্রেশন ফি অন্তর্ভূক্ত করতে হবে।

(২) ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে ঋণ প্রদানের জন্য ডেট (Debt) ইক্যুইটি রেশিও হবে ৯০:১০।

বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রীম কোর্টের মাননীয় বিচারকগণের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ ঋণ প্রদান সংক্রান্ত পরিপত্র: ডাউনলোড

admin

এই ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে বা কোন তথ্য যুক্ত করতে বা সংশোধন করতে চাইলে অথবা কোন আদেশ, গেজেট পেতে এই admin@bdservicerules.info ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.