৯ম পে-স্কেল ও সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকার দাবিতে ২ জানুয়ারি দেশব্যাপী প্রতীকী অনশন
বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এবং সর্বনিম্ন ৩৫,০০০ টাকা বেতন নির্ধারণসহ এক দফা দাবিতে রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। আজ শুক্রবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত কর্মসূচি
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২ জানুয়ারি ২০২৬ (শুক্রবার) রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনেসহ দেশের ৬৪ জেলার সকল প্রেস ক্লাবের সামনে একযোগে প্রতীকী অনশন পালন করবেন সরকারি কর্মচারীরা। কর্মসূচিটি সকাল ৯:৩০ মিনিটে শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১২:৩০ মিনিট পর্যন্ত।
প্রধান দাবিগুলো
সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত ব্যানারে মূল দাবি হিসেবে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে:
৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন: বৈষম্য দূর করতে দ্রুত ৯ম পে-স্কেল ঘোষণা ও বাস্তবায়ন।
বেতন কাঠামো: ১:৪ অনুপাতে ১২টি গ্রেডের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন বেতন ৩৫,০০০ টাকা নির্ধারণ।
সময়সীমা: আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করে ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে তা কার্যকরের দাবি।
সংবাদ সম্মেলনের প্রেক্ষাপট
বক্তারা বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে বর্তমান বেতন কাঠামো একেবারেই অসামঞ্জস্যপূর্ণ। সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। তারা আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, যদি ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশ করা না হয়, তবে ২ জানুয়ারির অনশন কর্মসূচির পর আরও কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সকল স্তরের সরকারি কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধভাবে এই প্রতীকী অনশন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

সরকারি কর্মচারীদের একদফা দাবী কি?
আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করা এবং ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে তা কার্যকর করা। এই এক দফা দাবির ভেতরে প্রধানত দুটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: ১. বেতন বৈষম্য নিরসন: ১:৪ অনুপাতে ১২টি গ্রেডের ভিত্তিতে বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা। ২. সর্বনিম্ন বেতন: নতুন স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৩৫,০০০ টাকা নির্ধারণ করা।
মূলত, সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি ও কর্পোরেশনের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের দাবিকেই তারা “এক দফা” হিসেবে অভিহিত করছেন।



