গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি: সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর গুঞ্জন ভূয়া! (ফেসবুক পোস্ট)
সরকারি কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫-এর বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে আগামী ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।
❌ গুজবে কান দেবেন না! সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেতন কাঠামো নিয়ে ছড়িয়ে পড়া তথাকথিত ‘প্রস্তাবিত চিত্র’টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং কমিশনের কোনো অফিশিয়াল তথ্য নয়।
✅ কমিশন এখনও কোনো প্রস্তাব চূড়ান্ত করেনি। তারা দ্রুতগতিতে কাজ করছে এবং শীঘ্রই একটি গ্রহণযোগ্য সুপারিশ সরকারের কাছে পেশ করা হবে।
➡️ নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য অপেক্ষা করুন এবং ভিত্তিহীন গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না।
#জাতীয়বেতনকমিশন #সরকারিচাকরি #বেতনকাঠামো #গুজব_সতর্কতা

পে কমিশনের ‘ভুয়া’ সুপারিশে বিভ্রান্তি: গেজেটের আগে সতর্ক থাকার আহ্বান!
ঢাকা: সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন স্কেলের সুপারিশ সংক্রান্ত একটি ভুয়া নথি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, বিশেষত ফেসবুকে, ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় তীব্র বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই বিষয়ে খোদ পে কমিশন কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে যে, প্রচারিত ১৫ পৃষ্ঠার সুপারিশটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন এবং এটি কমিশনের তৈরি কোনো নথি নয়।
🚫 কমিশনের বক্তব্য: ‘নথিটি ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর’
জাতীয় বেতন কমিশনের সদস্য ড. মোহাম্মদ আলী খান এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন যে, “যে ১৫ পৃষ্ঠার সুপারিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরছে, সেটি কমিশনের তৈরি নয়। এমন কোনো নথি আমাদের কাছে নেই। এটি ভুয়া এবং বিভ্রান্তিকর।”
তিনি আরও জানান, কমিশন দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরির কাজ করছে এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের (stakeholders) মতামত নেওয়া এখনও বাকি রয়েছে। আগামী সোমবার (২৪ নভেম্বর) সচিবদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠকের কথা রয়েছে।
ফেসবুকে প্রচারিত এই নথিতে কমিশনের নাম-লোগো ব্যবহার করে বিভিন্ন গ্রেডে বেতন বৃদ্ধি, ইনক্রিমেন্ট কাঠামো ও ভাতা সংশোধনের যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা সরকারি চাকরিজীবীদের বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে বলে কমিশন মনে করছে।
⚠️ গেজেট প্রকাশের আগ পর্যন্ত সতর্ক থাকুন
পে কমিশন বারবার সতর্ক করে দিয়েছে যে, চূড়ান্ত গেজেট বা সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের ভুয়া ও মনগড়া তথ্যে কেউ যেন বিভ্রান্ত না হন। যেহেতু নতুন পে-স্কেল একটি স্পর্শকাতর বিষয়, তাই গেজেট প্রকাশের আগ পর্যন্ত এভাবে আরও অনেক কাল্পনিক সুপারিশ বা ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সাধারণ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে, কেবলমাত্র কমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত তথ্য বা সরকারের গেজেটের উপর নির্ভর করতে।
⏳ বর্তমান পরিস্থিতি ও সরকারি কর্মচারীদের ক্ষোভ
দীর্ঘ ১০ বছর পর নতুন পে-স্কেল ঘোষণার উদ্যোগ নেওয়া হলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। মূল্যস্ফীতির উচ্চ চাপ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে তারা দ্রুত নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, নতুন পে-স্কেলের সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকার নয়, বরং আগামী নির্বাচিত সরকার নেবে। তার এই মন্তব্যের পর কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে এবং তারা নির্বাচনের আগেই পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
পে কমিশন কমিটির সভা আগামী ২৪ তারিখ তার আগেই পে স্কেল খসড়া কিভাবে প্রকাশ হবে?
🚫 ২৪ তারিখের সভার আগে ‘খসড়া’ প্রকাশের দাবিটি ভিত্তিহীন-পূর্ববর্তী উত্তরে যেমন উল্লেখ করা হয়েছে, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ১৫ পৃষ্ঠার নথিটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং এটিকে পে কমিশনের কোনো দাপ্তরিক ‘খসড়া’ বা সুপারিশ বলা যায় না।
পে কমিশনের ঘোষণা: খোদ পে কমিশন কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে তারা এমন কোনো নথি প্রকাশ বা অনুমোদন করেনি। এটি স্রেফ একটি মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর প্রচার।
প্রক্রিয়া চলমান: ২৪ নভেম্বর (সোমবার) কমিশনের যে সভাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা, সেটি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা। এই সভাটি চূড়ান্ত সুপারিশ বা গেজেট প্রকাশের পূর্বশর্ত, অর্থাৎ এখনো আনুষ্ঠানিক তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। এই সভার আগে কোনো খসড়া চূড়ান্ত হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
সুতরাং, ২৪ তারিখের সভার আগে কোনো ‘খসড়া’ প্রকাশিত হয়েছে—এই কথাটিই ভিত্তিহীন, কারণ প্রচারিত নথিটি আসলে ভুয়া।



