প্রশিক্ষণ । সংযুক্তি । উচ্চশিক্ষা। প্রেষণ

সরকারি সভা-সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয়ে নতুন সীমা নির্ধারণ: নাস্তা ৮০ ও মধ্যাহ্নভোজ ৭০০ টাকা

সরকারি কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা এবং ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ ২০২৬’-এর নতুন নীতিমালা জারি করা হয়েছে। এই নীতিমালায় সরকারি সভা, কনফারেন্স, প্রশিক্ষণ কোর্স এবং বোর্ড বা কমিশনের সভায় আপ্যায়ন ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

আপ্যায়ন ব্যয়ের বিস্তারিত ব্রেকডাউন

নতুন গেজেট বা নীতিমালা অনুযায়ী, বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে আপ্যায়ন ব্যয়ের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধান পরিবর্তনগুলো হলো:

  • সাধারণ আপ্যায়ন (নাস্তা): প্রতিটি সভার জন্য জনপ্রতি সর্বোচ্চ ৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এই খাতে একটি সভায় মোট ব্যয় ৪,০০০ টাকার বেশি হতে পারবে না।

  • মধ্যাহ্নভোজ বা নৈশভোজ: দীর্ঘমেয়াদী সভা বা বিশেষ কনফারেন্সের ক্ষেত্রে জনপ্রতি সর্বোচ্চ ৭০০ টাকা হারে খাবারের ব্যয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে একটি অনুষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ ব্যয়ের সীমা রাখা হয়েছে ৭০,০০০ টাকা

কারা এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন?

নীতিমালা অনুযায়ী, এই আর্থিক ব্যয় অনুমোদনের ক্ষমতা বিভিন্ন স্তরে ভাগ করা হয়েছে:

  1. মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহ: কলাম-৩ অনুযায়ী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিব বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পূর্ণ ক্ষমতা ভোগ করবেন।

  2. অধিদপ্তর ও দপ্তর প্রধান: কলাম-৪ অনুযায়ী সংযুক্ত দপ্তর প্রধানরাও (অধিদপ্তর/পরিদপ্তর) মন্ত্রণালয়ের অনুরূপ ক্ষমতা অর্থাৎ জনপ্রতি ৮০ টাকা নাস্তা এবং ৭০০ টাকা খাবারের বরাদ্দ দিতে পারবেন।

  3. আঞ্চলিক ও জেলা পর্যায়: বিভাগীয়, আঞ্চলিক এবং জেলা পর্যায়ের অফিসগুলোকেও মন্ত্রণালয়ের অনুরূপ আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

  4. উপজেলা পর্যায়: তবে উপজেলা পর্যায়ের অফিসের ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট খাতের ব্যয় করার ক্ষমতা ‘শূন্য’ রাখা হয়েছে অথবা বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্যয় সংকোচনের বার্তা

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢালাওভাবে সরকারি অর্থ খরচ রোধ করতে এই নির্দিষ্ট সীমা (Cap) নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন সভার গুণগত মান বজায় থাকবে, অন্যদিকে অপ্রয়োজনীয় বিশাল অঙ্কের বিল উত্তোলনের সুযোগ কমে আসবে। বিশেষ করে সভার মোট ব্যয়ের ওপর ৪,০০০ এবং ৭০,০০০ টাকার যে সিলিং দেওয়া হয়েছে, তা সরকারি কোষাগারের ওপর চাপ কমাতে সহায়ক হবে।

নতুন এই নীতিমালা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং সকল সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে।

সরকারি কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা এবং ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে 'আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ ২০২৬'-এর নতুন নীতিমালা জারি করা হয়েছে। এই নীতিমালায় সরকারি সভা, কনফারেন্স, প্রশিক্ষণ কোর্স এবং বোর্ড বা কমিশনের সভায় আপ্যায়ন ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

আপ্যায়ন ব্যয়ের বিস্তারিত ব্রেকডাউন
নতুন গেজেট বা নীতিমালা অনুযায়ী, বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে আপ্যায়ন ব্যয়ের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধান পরিবর্তনগুলো হলো:

সাধারণ আপ্যায়ন (নাস্তা): প্রতিটি সভার জন্য জনপ্রতি সর্বোচ্চ ৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এই খাতে একটি সভায় মোট ব্যয় ৪,০০০ টাকার বেশি হতে পারবে না।

মধ্যাহ্নভোজ বা নৈশভোজ: দীর্ঘমেয়াদী সভা বা বিশেষ কনফারেন্সের ক্ষেত্রে জনপ্রতি সর্বোচ্চ ৭০০ টাকা হারে খাবারের ব্যয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে একটি অনুষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ ব্যয়ের সীমা রাখা হয়েছে ৭০,০০০ টাকা।

কারা এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন?
নীতিমালা অনুযায়ী, এই আর্থিক ব্যয় অনুমোদনের ক্ষমতা বিভিন্ন স্তরে ভাগ করা হয়েছে:

মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহ: কলাম-৩ অনুযায়ী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিব বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পূর্ণ ক্ষমতা ভোগ করবেন।

অধিদপ্তর ও দপ্তর প্রধান: কলাম-৪ অনুযায়ী সংযুক্ত দপ্তর প্রধানরাও (অধিদপ্তর/পরিদপ্তর) মন্ত্রণালয়ের অনুরূপ ক্ষমতা অর্থাৎ জনপ্রতি ৮০ টাকা নাস্তা এবং ৭০০ টাকা খাবারের বরাদ্দ দিতে পারবেন।

আঞ্চলিক ও জেলা পর্যায়: বিভাগীয়, আঞ্চলিক এবং জেলা পর্যায়ের অফিসগুলোকেও মন্ত্রণালয়ের অনুরূপ আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা পর্যায়: তবে উপজেলা পর্যায়ের অফিসের ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট খাতের ব্যয় করার ক্ষমতা 'শূন্য' রাখা হয়েছে অথবা বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্যয় সংকোচনের বার্তা
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢালাওভাবে সরকারি অর্থ খরচ রোধ করতে এই নির্দিষ্ট সীমা (Cap) নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন সভার গুণগত মান বজায় থাকবে, অন্যদিকে অপ্রয়োজনীয় বিশাল অঙ্কের বিল উত্তোলনের সুযোগ কমে আসবে। বিশেষ করে সভার মোট ব্যয়ের ওপর ৪,০০০ এবং ৭০,০০০ টাকার যে সিলিং দেওয়া হয়েছে, তা সরকারি কোষাগারের ওপর চাপ কমাতে সহায়ক হবে।

নতুন এই নীতিমালা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং সকল সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে।

আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ ২০২৬

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *