সার্ভিস রুলস । নীতি । পদ্ধতি । বিধি

নবম পে-স্কেলে বেতন নির্ধারণে আসছে ‘পার্থক্য যোগ পদ্ধতি’: জেনে নিন আপনার বেতন কত হবে

সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেলের সুপারিশ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে নবম জাতীয় পে-কমিশন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এবারের পে-স্কেলে বেতন নির্ধারণের জন্য ‘পার্থক্য যোগ পদ্ধতি’ (Difference Addition Method) ব্যবহারের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা ২০১৫ সালের পে-ফিক্সেশন পদ্ধতি থেকে ভিন্ন।

পার্থক্য যোগ পদ্ধতিতে বেতন ফিক্সেশনের নিয়ম আপলোড করা নথি অনুযায়ী, নতুন স্কেলে বেতন নির্ধারণের জন্য মূলত তিনটি ধাপ অনুসরণ করা হবে: ১. ইনক্রিমেন্ট পার্থক্য নির্ণয়: বর্তমান বেসিক থেকে ২০১৫ স্কেলের মূল বেসিক বিয়োগ করে ইনক্রিমেন্টের পার্থক্য বের করতে হবে। ২. নতুন বেসিক নির্ধারণ: নতুন পে-স্কেলের প্রারম্ভিক বেসিকের সাথে বের করা ইনক্রিমেন্ট পার্থক্যটি যোগ করতে হবে। ৩. রাউন্ডিং নিয়ম: যোগফলটি যদি নতুন পে-স্কেলের চার্টে সরাসরি না থাকে, তবে তার নিকটতম উচ্চতর ধাপে বেতন রাউন্ড করে নির্ধারণ করা হবে।

বাস্তব উদাহরণ: গ্রেড-৯ এর বেতন নির্ধারণ ধরা যাক, ২০১৫ স্কেলে গ্রেড-৯ ভুক্ত একজন কর্মকর্তার মূল বেসিক ছিল ২২,০০০ টাকা। বর্তমানে তিনি বেতন পাচ্ছেন ২৬,৭৬০ টাকা।

  • ইনক্রিমেন্ট পার্থক্য: ২৬,৭৬০ – ২২,০০০ = ৪,৭৬০ টাকা।

  • প্রস্তাবিত নতুন স্কেলে প্রারম্ভিক বেসিক: ৪৫,১০০ টাকা (নথি অনুযায়ী)।

  • নতুন বেসিক নির্ধারণ: ৪৫,১০০ + ৪,৭৬০ = ৪৯,৮৬০ টাকা।

  • পে-ফিক্সেশন: চার্ট অনুযায়ী ৪৯,৮৬০ টাকার পরবর্তী উচ্চতর ধাপটিই হবে ঐ কর্মকর্তার চূড়ান্ত নতুন বেতন।

পে-কমিশনের উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:

  • বেতন বৃদ্ধি: কমিশন সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০,০০০ টাকা (২০তম গ্রেড) এবং সর্বোচ্চ ১,৬০,০০০ টাকা (১ম গ্রেড) করার প্রস্তাব করেছে।

  • ভাতা বৃদ্ধি: টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,০০০ টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে মাসিক ২,০০০ টাকা বিশেষ ভাতার প্রস্তাব রয়েছে।

  • স্বাস্থ্যবিমা: সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্যবিমা চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

  • বাস্তবায়ন সময়কাল: ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে আংশিক এবং ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন কাঠামো পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন এই পদ্ধতির ফলে নিম্ন ধাপে বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে এবং বৈষম্য কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গেজেট প্রকাশের পর এই নিয়মগুলো চূড়ান্তভাবে প্রয়োগ করা হবে।

সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেলের সুপারিশ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে নবম জাতীয় পে-কমিশন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এবারের পে-স্কেলে বেতন নির্ধারণের জন্য ‘পার্থক্য যোগ পদ্ধতি’ (Difference Addition Method) ব্যবহারের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা ২০১৫ সালের পে-ফিক্সেশন পদ্ধতি থেকে ভিন্ন। পার্থক্য যোগ পদ্ধতিতে বেতন ফিক্সেশনের নিয়ম আপলোড করা নথি অনুযায়ী, নতুন স্কেলে বেতন নির্ধারণের জন্য মূলত তিনটি ধাপ অনুসরণ করা হবে: ১. ইনক্রিমেন্ট পার্থক্য নির্ণয়: বর্তমান বেসিক থেকে ২০১৫ স্কেলের মূল বেসিক বিয়োগ করে ইনক্রিমেন্টের পার্থক্য বের করতে হবে। ২. নতুন বেসিক নির্ধারণ: নতুন পে-স্কেলের প্রারম্ভিক বেসিকের সাথে বের করা ইনক্রিমেন্ট পার্থক্যটি যোগ করতে হবে। ৩. রাউন্ডিং নিয়ম: যোগফলটি যদি নতুন পে-স্কেলের চার্টে সরাসরি না থাকে, তবে তার নিকটতম উচ্চতর ধাপে বেতন রাউন্ড করে নির্ধারণ করা হবে। বাস্তব উদাহরণ: গ্রেড-৯ এর বেতন নির্ধারণ ধরা যাক, ২০১৫ স্কেলে গ্রেড-৯ ভুক্ত একজন কর্মকর্তার মূল বেসিক ছিল ২২,০০০ টাকা। বর্তমানে তিনি বেতন পাচ্ছেন ২৬,৭৬০ টাকা। ইনক্রিমেন্ট পার্থক্য: ২৬,৭৬০ - ২২,০০০ = ৪,৭৬০ টাকা। প্রস্তাবিত নতুন স্কেলে প্রারম্ভিক বেসিক: ৪৫,১০০ টাকা (নথি অনুযায়ী)। নতুন বেসিক নির্ধারণ: ৪৫,১০০ + ৪,৭৬০ = ৪৯,৮৬০ টাকা। পে-ফিক্সেশন: চার্ট অনুযায়ী ৪৯,৮৬০ টাকার পরবর্তী উচ্চতর ধাপটিই হবে ঐ কর্মকর্তার চূড়ান্ত নতুন বেতন। পে-কমিশনের উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ: বেতন বৃদ্ধি: কমিশন সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০,০০০ টাকা (২০তম গ্রেড) এবং সর্বোচ্চ ১,৬০,০০০ টাকা (১ম গ্রেড) করার প্রস্তাব করেছে। ভাতা বৃদ্ধি: টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,০০০ টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে মাসিক ২,০০০ টাকা বিশেষ ভাতার প্রস্তাব রয়েছে। স্বাস্থ্যবিমা: সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রথমবারের মতো স্বাস্থ্যবিমা চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। বাস্তবায়ন সময়কাল: ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে আংশিক এবং ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন কাঠামো পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন এই পদ্ধতির ফলে নিম্ন ধাপে বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে এবং বৈষম্য কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও গেজেট প্রকাশের পর এই নিয়মগুলো চূড়ান্তভাবে প্রয়োগ করা হবে।

বেতন ফিক্সেশনের প্রস্তাবিত নিয়মটি মূলত ‘পার্থক্য যোগ পদ্ধতি’ (Difference Addition Method) নামে পরিচিত। আপনার আপলোড করা নথি এবং নবম পে-কমিশনের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, এই পদ্ধতিতে বেতন নির্ধারণের ধাপগুলো নিচে সহজভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:

ধাপ ১: ইনক্রিমেন্ট পার্থক্য নির্ণয় প্রথমে আপনার বর্তমান মূল বেতন (বেসিক) থেকে ২০১৫ সালের পে-স্কেলের ওই গ্রেডের সর্বনিম্ন বা শুরুর মূল বেতন বিয়োগ করতে হবে।

  • সূত্র: (বর্তমান বেসিক – ২০১৫ স্কেলের প্রারম্ভিক বেসিক) = ইনক্রিমেন্ট পার্থক্য।

ধাপ ২: নতুন বেসিক নির্ধারণ নতুন পে-স্কেলে আপনার গ্রেডের যে প্রারম্ভিক বেসিক নির্ধারিত হবে, তার সাথে উপরের বের করা ‘ইনক্রিমেন্ট পার্থক্য’ যোগ করতে হবে।

  • সূত্র: (নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক বেসিক + ইনক্রিমেন্ট পার্থক্য) = প্রস্তাবিত নতুন বেসিক।

ধাপ ৩: রাউন্ডিং নিয়ম (চূড়ান্ত নির্ধারণ) যোগফলটি যদি নতুন পে-স্কেলের বেতন চার্টের কোনো ধাপের সাথে হুবহু মিলে যায়, তবে সেটিই হবে আপনার নতুন বেতন। আর যদি হুবহু না মিলে, তবে চার্ট অনুযায়ী ওই টাকার ঠিক পরের উচ্চতর ধাপে আপনার বেতন ফিক্সেশন করা হবে।

একটি উদাহরণ (গ্রেড-৯ এর ক্ষেত্রে):

  • ২০১৫ স্কেলে প্রারম্ভিক বেসিক: ২২,০০০ টাকা।

  • বর্তমান বেসিক: ২৬,৭৬০ টাকা।

  • ইনক্রিমেন্ট পার্থক্য: ৪,৭৬০ টাকা (২৬,৭৬০ – ২২,০০০)।

  • নতুন স্কেলে প্রারম্ভিক বেসিক: ৪৫,১০০ টাকা।

  • হিসাবকৃত নতুন বেসিক: ৪৯,৮৬০ টাকা (৪৫,১০০ + ৪,৭৬০)।

  • ফিক্সেশন: ৪৯,৮৬০ টাকার পরবর্তী নিকটতম উচ্চতর ধাপটিই হবে চূড়ান্ত বেতন।

এই পদ্ধতির মূল সুবিধা হলো, এতে জ্যেষ্ঠতা বজায় থাকে; অর্থাৎ যারা দীর্ঘদিন ধরে ইনক্রিমেন্ট পেয়ে বেতন বাড়িয়েছেন, তারা নতুন স্কেলেও সেই অনুপাতে বেশি বেতন পাবেন।

১৪ গ্রেডে মূল বেতন ১৭৫২০ টাকা হলে ফিক্সেশন কত দাঁড়াবে? ফিক্সেশন বা বেতন নির্ধারণের ধাপসমূহ (পার্থক্য যোগ পদ্ধতি):

১. বর্তমান গ্রেড ও মূল বেতন (২০১৫ স্কেল অনুযায়ী): – আপনার গ্রেড: ১৪

  • আপনার বর্তমান বেসিক: ১৭,৫২০ টাকা

  • ১৪ গ্রেডের ২০১৫ স্কেলের প্রারম্ভিক (শুরু) বেসিক: ১০,২০০ টাকা

২. ইনক্রিমেন্ট পার্থক্য নির্ণয় (Increment Difference):

  • বর্তমান বেসিক – ২০১৫ স্কেলের প্রারম্ভিক বেসিক

  • ১৭,৫২০ – ১০,২০০ = ৭,৩২০ টাকা

৩. প্রস্তাবিত নতুন স্কেলে ফিক্সেশন:

  • ১৪ গ্রেডের প্রস্তাবিত নতুন প্রারম্ভিক বেসিক: ২৩,৫০০ টাকা (সাম্প্রতিক খসড়া তালিকা অনুযায়ী)

  • নতুন বেসিক নির্ধারণ: নতুন প্রারম্ভিক বেসিক + ইনক্রিমেন্ট পার্থক্য

  • ২৩,৫০০ + ৭,৩২০ = ৩০,৮২০ টাকা

৪. চূড়ান্ত ফিক্সেশন (রাউন্ডিং নিয়ম):

  • আপলোড করা নথির নিয়ম অনুযায়ী, যদি নতুন পে-স্কেলের চার্টে সরাসরি ৩০,৮২০ টাকা না থাকে, তবে তার পরবর্তী নিকটতম উচ্চতর ধাপে আপনার বেতন ফিক্সেশন করা হবে।

সারসংক্ষেপ: আপনার নতুন মূল বেতন বা ফিক্সেশন দাঁড়াবে ৩০,৮২০ টাকা (অথবা নতুন পে-চার্টের পরবর্তী উচ্চতর ধাপ)।

উল্লেখ্য যে, এটি পে-কমিশনের প্রস্তাবিত ‘পার্থক্য যোগ পদ্ধতি’র ভিত্তিতে করা একটি হিসাব। সরকার চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের সময় এই পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তন আনলে মূল বেতনে কিছুটা তারতম্য হতে পারে। তবে বর্তমান প্রস্তাবনা অনুযায়ী আপনার মূল বেতন বর্তমানের তুলনায় প্রায় ৭৬% বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Alamin Mia

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *