সর্বশেষ প্রকাশিত পোস্টসমূহ

নির্বাচন ঘিরে সারা দেশে যানবাহন চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ: প্রজ্ঞাপন জারি

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট। এই নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সারা দেশে যানবাহন চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিস্তারিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মোটরসাইকেল চলাচলে ৩ দিনের নিষেধাজ্ঞা

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সারা দেশে ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত (টানা ৭২ ঘণ্টা) সব ধরনের মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। তবে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও জরুরি সেবার ক্ষেত্রে এই নিয়ম শিথিলযোগ্য।

ভোটের দিন বন্ধ থাকবে ভারী ও মাঝারি যানবাহন

ভোটগ্রহণের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি (১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত) নিম্নলিখিত যান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে:

  • ট্যাক্সি ক্যাব

  • পিক-আপ ও মাইক্রোবাস

  • ট্রাক ও লঞ্চ (নির্দিষ্ট রুট ব্যতীত)

যাদের জন্য নিয়ম শিথিল থাকবে

জনসাধারণের দুর্ভোগ কমাতে এবং জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় বেশ কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না:

  1. জরুরি সেবা: অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও ডাক বিভাগের গাড়ি।

  2. সংবাদমাধ্যম ও পর্যবেক্ষক: নির্বাচন কমিশনের স্টিকারযুক্ত সাংবাদিক ও অনুমোদিত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন।

  3. বিমানবন্দর যাত্রী: বিদেশগামী বা বিদেশফেরত যাত্রী পরিবহনে নিয়োজিত যানবাহন (পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।

  4. নির্বাচনী কাজ: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের গাড়ি।

  5. হাইওয়ে ও প্রধান সড়ক: আন্তঃজেলা সংযোগ সড়ক ও মহাসড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হবে যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না হয়।

অতিরিক্ত ক্ষমতা ও তদারকি

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা প্রয়োজনবোধে এই বিধিনিষেধ আরও কঠোর করতে পারবেন কিংবা বিশেষ ক্ষেত্রে শিথিল করতে পারবেন। এছাড়া নৌপথের জন্য পৃথক নির্দেশনা জারি করা হয়েছে যেখানে ১২ ফেব্রুয়ারি লঞ্চ ও ইঞ্জিনচালিত বোট চলাচল সীমিত থাকবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, ১২ কোটি ৭৬ লাখেরও বেশি ভোটার এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। ভোটগ্রহণের দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর করা হচ্ছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট। এই নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সারা দেশে যানবাহন চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিস্তারিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মোটরসাইকেল চলাচলে ৩ দিনের নিষেধাজ্ঞা
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সারা দেশে ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত (টানা ৭২ ঘণ্টা) সব ধরনের মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। তবে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও জরুরি সেবার ক্ষেত্রে এই নিয়ম শিথিলযোগ্য।

ভোটের দিন বন্ধ থাকবে ভারী ও মাঝারি যানবাহন
ভোটগ্রহণের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি (১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত) নিম্নলিখিত যান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে:

ট্যাক্সি ক্যাব

পিক-আপ ও মাইক্রোবাস

ট্রাক ও লঞ্চ (নির্দিষ্ট রুট ব্যতীত)

যাদের জন্য নিয়ম শিথিল থাকবে
জনসাধারণের দুর্ভোগ কমাতে এবং জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় বেশ কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না:

জরুরি সেবা: অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও ডাক বিভাগের গাড়ি।

সংবাদমাধ্যম ও পর্যবেক্ষক: নির্বাচন কমিশনের স্টিকারযুক্ত সাংবাদিক ও অনুমোদিত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন।

বিমানবন্দর যাত্রী: বিদেশগামী বা বিদেশফেরত যাত্রী পরিবহনে নিয়োজিত যানবাহন (পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।

নির্বাচনী কাজ: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের গাড়ি।

হাইওয়ে ও প্রধান সড়ক: আন্তঃজেলা সংযোগ সড়ক ও মহাসড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হবে যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না হয়।

অতিরিক্ত ক্ষমতা ও তদারকি
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা প্রয়োজনবোধে এই বিধিনিষেধ আরও কঠোর করতে পারবেন কিংবা বিশেষ ক্ষেত্রে শিথিল করতে পারবেন। এছাড়া নৌপথের জন্য পৃথক নির্দেশনা জারি করা হয়েছে যেখানে ১২ ফেব্রুয়ারি লঞ্চ ও ইঞ্জিনচালিত বোট চলাচল সীমিত থাকবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, ১২ কোটি ৭৬ লাখেরও বেশি ভোটার এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। ভোটগ্রহণের দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পরিবহন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর করা হচ্ছে।

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *