আনুষ্ঠানিক সভা বা ভোজ সভায় আপনার আচরণ যেমন হবে।
বিভিন্ন সময় সরকারি প্রতিষ্ঠানে ভোজ অনুষ্ঠান বা সভা আহবান করে থাকে। এসব প্রতিষ্ঠানে আমরা কিভাবে অংশ গ্রহণ করব তার সুষ্পষ্ট একটি নির্দেশনা সরকার কর্তৃক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, সংস্থাপন মন্ত্রণালয়, শাখা-ডি৩, নং সম/ডি৩-২০/৮৪-১৭০ তারিখ: ২৬/৬/১৯৮৪ সালে একটি সার্কুলার জারির মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে। একজন সরকারি কর্মচারীর প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ কেমন হবে তা নিম্নরূপ নির্ধারিত হয়েছে।
০১। পোশাকের ব্যাপারে সরকারী নির্দেশাবলী যথাযথভাবে অনুসরণ করা। (লিংক যুক্ত করা হবে)
০২। কোন আলোচনা বা মিটিং-এ সভাপতির অনুমতিক্রমে কথা বলা।
০৩। কোন আনুষ্ঠানিক সভায় বক্তার বক্তব্য ধৈর্য্য সহকারে শ্রবণ করা এবং তার বক্তব্য শেষ হওয়ার পর অনুমতিক্রমে তাকে প্রশ্ন করা।
০৪। নিঃশব্দে খাওয়া।
- ১ জুলাই থেকেই নবম পে-স্কেল কার্যকর, প্রথম ধাপে বেতন কত বাড়বে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা
- সরকারি চাকরিতে ‘রাজস্ব খাতভুক্ত অস্থায়ী নিয়োগ’: বিভ্রান্তি ও আসল সত্য জানেন কি?
- শ্রান্তি বিনোদন ছুটি নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : সময়মতো আবেদনের কৌশল ও আর্থিক সুবিধা?
- প্রাথমিকে মেডিকেল ছুটি: বিসিএস ক্যাডার নয়, নিবন্ধিত যেকোনো এমবিবিএস চিকিৎসকের সার্টিফিকেটই যথেষ্ট?
- সামরিক চাকরি থেকে ‘আনঅফিশিয়াল’ বিদায় ও নতুন চাকরি : iBAS++ জটিলতা ও আইনি পরিণতি কি?
০৫। শিষ্টাচার ও শালীনতা বজায় রেখে আহার গ্রহণ করা।
০৬। যথাসময়ে সভায় উপস্থিত থাকা।
০৭। কোন কারণে সভায় না গেলে অপারগতার কারণ আগেই জানিয়ে দেয়া।
০৮। সুচিন্তিত ও স্বচ্ছ মতামত প্রদান করা।
০৯। কোন অনুষ্ঠানে বা সভায় একতরফা কথা না বলে অন্যকেও কথা বলার সুযোগ দেয়া।
১০। সভায় সাবলীল ও প্রাঞ্জল ভাষায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য উপস্থাপন করা।



