কখন সরকারী কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়? তিনি যে সুবিধাগুলো দাবী করতে পারেন না।

যে সব পরিস্থিতিতে একজন সরকারী কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয় তাহার বর্ণনা নিম্নে প্রদত্ত হইল :বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস, প্রথম খণ্ডের

সাময়িক বরখাস্তকালীন আর্থিক সহায়তা ও পরবর্তী দণ্ড আরােপসহ পুনর্বহালে নিয়মিত করণ পদ্ধতি

চাকুরি হতে “সাময়িক বরখাস্ত হওয়া একজন সরকারী কর্মচারী  ও একজন সরকারী কর্মচারী সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে যে সকল আর্থিক সহায়তা পাইয়া

সাময়িক বরখাস্ত কি? সাময়িক বরখাস্তকালে কি কি সুবিধা প্রাপ্য ও অপ্রাপ্যতা।

সাময়িক বরখাস্তের অর্থ হইতেছে কোন কর্মচারীকে সাময়িকভাবে কিছুদিনের জন্য সরকারী কার্য সম্পাদনে, দায়িত্ব পালনে, সরকারী ক্ষমতা প্রয়ােগে বিরত রাখা এবং

সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে সরকারী কর্মচারীদের ছুটি প্রাপ্যতার বিধান।

বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস্, প্রথম খণ্ডের বিধি-৭৪ অনুযায়ী যখন কোন সরকারী কর্মচারী সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা জেলে আটক থাকেন তখন তার ছুটি

বিভাগীয় মামলা নিষ্পত্তি নির্দেশিকা ২০২১

বিভাগীয় মামলা নিষ্পত্তি নির্দেশিকা (কেবল সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য), শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারি কর্মচারীদের তাদের কর্মকালে দায়িত্ব

অসদাচরণের দায়ে অভিযুক্ত কর্মচারীর শাস্তির বিধান ২০২২

সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অসদাচারণে শাস্তি বিধান রয়েছে। এসব শাস্তি প্রদানের ক্ষেত্রে তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান

সরকারী কর্মচারী (শৃংখলা ও আপীল) বিধিমালা, ১৯৮৫ অনুযায়ী আপীল, রিভিউ ও রিভিশনের বিধান।

সরকারী কর্মচারী (শৃংখলা ও আপীল) বিধিমালা, ১৯৮৫ অনুযায়ী আপীল, রিভিউ ও রিভিশনের বিধানসমূহ নিম্নে বর্ণনা করা হইল- আপীলঃ বিধি-১৬। রাষ্ট্রপতি

পলায়ন (Desertion) বলতে কী বুঝায়? ঐ অপরাধে কোন কোন শাস্তি প্রযােজ্য?

সরকারী কর্মচারী (শৃংখলা ও আপীল) বিধিমালা, ১৯৮৫ এর বিধি-২ (ডি) | অনুযায়ী “পলায়ন” অর্থ অনুমতি ব্যতীত চাকুরী ত্যাগ বা কর্তব্য

লঘুদণ্ড প্রদানেরক্ষেত্রে যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করিতে হয়, তাহার বিস্তারিত বিবরণ।

যখন কোন সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিধি-৩এর উপ-বিধি (এ) বা (বি) বা (সি) এর অধীনে কোন কার্যক্রম গ্রহন করা হয় এবং

যে সকল আচরণ অসদাচরণের অর্ন্তভূক্ত।

“অসদাচরণ” অর্থ সুশৃংখলা বা চাকুরীর শৃংখলার হানিকর আচরণ অথবা “সরকারী কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯” এর কোন বিধানের পরিপন্থী কোন কার্য

ফৌজদারী মামলায় অব্যাহতি প্রাপ্তদের বেতন ভাতা পরিশোধ সংক্রান্ত।

বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মতামত নেয়া হয়েছে। উক্ত মন্ত্রণালয় থেকে যে সকল শিক্ষক/ শিক্ষিকা বিভিন্ন ফৌজদারী মামলায় জড়িত হয়ে

রিভিউ আবেদনের পরও চাকরি হতে বরখাস্ত।

অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিনা অনুমতিতে নির্ধারিত কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকাসহ গুরুতর অসদাচারনের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছিল, যা তদন্তে প্রমানিত

এক নাগাড়ে ৫ বছর বা ততোধিক কাল কর্তব্য (ডিউটি) হতে অনুপস্থিতিতে চাকুরীর অবসান।

এক নাগাড়ে ৫(পাঁচ) বছর বা ততোধিক কাল কর্তব্য (ডিউটি) হতে অনুপস্থিত থাকায় বাংলাদেশ চাকুর বিধিমালা (প্রথম খন্ড) এর বিধি ৩৪

বিনানুমতিতে ১ দিন অনুপস্থিতির ব্যাখ্যা পেশ না করায় সাময়িক বরখাস্ত।

সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(গ) বিধি অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কর্মস্থলে অনুপস্থিত (Desertion) থাকার অভিযোগে একই

নিয়ন্ত্রণ বর্হিভূত দেনার দায়ে জেল আটকে পূর্ণ বেতন ভাতাদি প্রাপ্য।

বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস পার্ট-২ এর বিধি ৭৩ মোতাবেক জেলে আটক যদি দেনার দায়ে হইয়া থাকে এবং যদি প্রমানিত হয় যে,