প্রাধিকারপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম এবং গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা, ২০১৯

গাড়ি ক্রয়ের পর দুর্ঘটনায় বিনষ্ট বা চুরি হলে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় প্রাপ্তি অব্যাহত থাকবে, তবে এক্ষেত্রে কিস্তির টাকা নিয়মিত পরিশােধ করতে হবে অন্যথায় অপরিশােধিত কিস্তির উপর শতকরা ১৫ (পনের) টাকা হারে সুদ প্রদান করতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে তিনি নিজস্ব বাহিনী হতে গাড়ির সুবিধা পাবেন না।

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

গণভবন কমপ্লেক্স শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭

নম্বর ২৩.০০.০০০০.০১০.০২.০০১.১৮ -১৬০ তারিখ: – ৫ মে ২০১৯

প্রজ্ঞাপন

বিষয়ঃ প্রাধিকারপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম এবং গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা, ২০১৯।

নং-২৩.০০.০০০০.০১০.০২.০০১.১৮-১৬০ উপযুক্ত বিষয়ে প্রাধিকারপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের গাড়ি সেবা নগদায়ন গ্রহণের লক্ষ্যে নিম্নবর্ণিত নীতিমালা জারি করা হলােঃ

১। সংক্ষিপ্ত শিরােনাম

(১) এ নীতিমালা প্রাধিকারপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম এবং গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা, ২০১৯” নামে অভিহিত হবে। 

(২) এ নীতিমালা প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ হতে কার্যকর হবে। 

সংজ্ঞা

বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকলে এ নীতিমালায়, (ক) “গাড়ি” অর্থ নতুন অথবা গাড়ি ক্রয়ের তারিখ হতে ০৫ (পাঁচ) বছরের মধ্যে প্রস্তুতকৃত সেডান কার/সেলুন/স্টেশন ওয়াগান/এসইউভি (SUV-Sports Utility Vehicle)/সিইউভি (CUV- Crossover Utility Vehicle)।

ব্যাখ্যাঃ এসইউভি (SUV) বা সিইউভি (CUV) প্রচলিত অর্থে জীপ (Jeep) বা অনুরূপ গাড়িকে বুঝাবে। গাড়ির সর্বনিম্ন সি.সি ১৫০০(+১০) হবে, তবে সম্পূর্ন নতুন (Brand New) গাড়ির ক্ষেত্রে ১৩০০সি.সি।

(খ) “গাড়ি সেবা নগদায়ন” অর্থ প্রাধিকারপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাবৃন্দ কর্তৃক সরকার হতে গাড়ি সুবিধা গ্রহণের পরিবর্তে সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিমের মাধ্যমে ক্রয়কৃত গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত আর্থিক সুবিধাদি; 

(গ) “প্রাধিকারপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা” অর্থ- সশস্ত্র বাহিনী সমূহের মেজর/সমর্যাংক (Substantive Rank) ও লেফটেন্যান্ট কর্ণেল/সমর্যাংক এবং তদুর্ধ্ব পদবির কর্মকর্তা। তবে মেজর/সমর্যাংক (Substantive Rank) ও লেফটেন্যান্ট কর্ণেল/সমর্যাংক কর্মকর্তার কমিশন প্রাপ্তির পর চাকুরিকাল ন্যূনতম ১০ বৎসর হতে হবে। আরও উল্লেখ থাকে যে, আর্মড ফোর্সেস নার্সিং সার্ভিসেস (এএফএনএস) এর কর্মকর্তাগণ এবং বাংলাদেশ ন্যাশন্যাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) এর অনারী মেজর এবং সমতুল্যরা “প্রাধিকারপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা” বিবেচিত হবেন ।

(ঘ) “গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়” অর্থ নীতি ১০ এর (১) এ বর্ণিত গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়; 

(ঙ) “বিশেষ অগ্রিম” অর্থ এ নীতিমালার অধীন গাড়ি ক্রয়ের উদ্দেশ্য প্রদত্ত সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম এবং

(চ) “সরকারি দাবী আদায় আইন” অর্থ Public Demands Recovery Act, 1913 (Bengal Act No. lll of 1913)। নীতিপ্রাধান্য।–আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন নীতিমালায় যা কিছুই থাকুক না কেন এ নীতিমালা কার্যকর হবে।

বিশেষ অগ্রিম সুবিধা প্রাপ্তির যােগ্যতা 

(১) এ নীতিমালার অধীন বিশেষ অগ্রিম সুবিধা প্রাপ্তির জন্য সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাকে সার্বক্ষণিক গাড়ি ব্যবহারের প্রাধিকার প্রাপ্ত কর্মকর্তা হতে হবে। 

(২) কোন প্রাধিকার প্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা গাড়ি সেবা নগদায়নের চেক উত্তোলন করলে তিনি তা প্রত্যাহার করতে পারবেন না। এর ব্যত্যয় হলে শতকরা ১৫ (পনের) টাকা হারে জরিমানা/বিলম্ব ফি প্রদান করতে হবে।

(৩) নীতি ৪ (১) ও (২) এর নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কোন একজন প্রাধিকার প্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা এ নীতিমালার অধীন গাড়ি ক্রয়ের জন্য বিশেষ অগ্রিম সুবিধা পাবেন, যথাঃ

(ক) প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রাপ্যতা যতদিন থাকবে ততদিনের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। তবে মঞ্জুরি আদেশ জারীর তারিখ হতে এল.পি.আর. শুরুর তারিখ পর্যন্ত চাকুরির মেয়াদ অবশ্যই ০১ (এক) বছর থাকতে হবে;

নীতিমালা জারির পর কোন প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সরকারি অথবা তার নিজস্ব বাহিনী হতে গাড়ি সুবিধা গ্রহণ করলেও গাড়ি সেবা নগদায়নের আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ অগ্রিম গ্রহণপূর্বক গাড়ি ক্রয়ের পর সরকারি অথবা নিজস্ব বাহিনীর গাড়ি ব্যবহারের সুবিধা আর বহাল থাকবে না।

(গ) বৈদেশিক চাকুরি/লিয়েন/জাতিসংঘ মিশন/চুক্তিতে কর্মরত কোন প্রাধিকারপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা বৈদেশিক চাকুরি/লিয়েন/চুক্তি/জাতিসংঘ মিশন শেষে চাকুরিতে যােগদানের পর বিশেষ অগ্রিমের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

(ঘ) মঞ্জুরী আদেশ জারীর তারিখে প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সশস্ত্র বাহিনীর চাকুরিতে নিয়ােজিত থাকতে

হবে। 

৫। বিশেষ অগ্রিম গ্রহণের অযােগ্যতা

কোন একজন প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ নীতিমালার অধীন গাড়ি ক্রয়ের জন্য বিশেষ অগ্রিম সুবিধা গ্রহনের অযােগ্য হবেন যদি তাঁর:

(ক) সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম মঞ্জুরি আদেশ জারির তারিখ হতে এল.পি.আর শুরুর তারিখ পর্যন্ত চাকরির মেয়াদ যদি কমপক্ষে এক (০১) বছর না থাকে; এবং

(খ) সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম মঞ্জুরি আদেশ জারির তারিখে প্রাধিকারপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা যদি বৈদেশিক | চাকুরি/লিয়েন/চুক্তিতে নিয়ােজিত থাকলে।

(গ) বিভিন্ন প্রকার অগ্রিম বা গৃহ নির্মাণ অগ্রিম গ্রহণের কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার পেনশন বা গ্র্যাচুয়িটি হতে

প্রস্তাবিত বিশেষ অগ্রিমের টাকাআদায় করা সম্ভব না হয়।

(ঘ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাজনিত মামলা/কোর্ট মার্শাল চলমান থাকলে বা শৃঙ্খলাজনিত

মামলায়/কোর্ট মার্শালে শাস্তি প্রাপ্ত হলে।

৬। বিশেষ অগ্রিম মঞ্জুরের শর্ত

(১) সরকারের পক্ষে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ নীতিমালার অধীন গাড়ি ক্রয়ের অগ্রিম মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ বলে বিবেচিত হবে।

(২) প্রাধিকার প্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ পরিশিষ্ট-‘ক’ ফরমে অগ্রিমের আবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর দাখিল করবেন।

(৩) নীতি ৬ (১) ও এ নীতিমালার অন্যান্য উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে প্রয়ােজনীয় বাজেট বরাদ্দ করবে।

(৪) প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয় এবং এর আনুষঙ্গিক অন্যান্য খরচাদি যেমন রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন ইত্যাদি সকল খরচ নির্বাহের জন্য অর্থ বিভাগের পূর্বানুমােদনক্রমে সময়ে সময়ে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত এককালীন সুদমুক্ত অগ্রিম এর পরিমাণ প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করতে পারবে।

(৫) নীতি ৬(২) এর অধীন আবেদনকারীগণের মধ্যে প্রাধিকার অর্জনের সময় হতে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে বিশেষ অগ্রিম মঞ্জুর করতে হবে, তবে এক্ষেত্রে একই তারিখে একই পদে প্রাধিকার অর্জিত কর্মকর্তাদের মধ্য হতে অবসর গমন বা এলপিআর নিকটবর্তী কর্মকর্তাগণ অগ্রাধিকার পাবেন। জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ০৩ (তিন) অর্থ বছরে ধাপে ধাপে মেজর/সমর্যাংক ও তদুর্ধ্ব কর্মকর্তাদের গাড়ি সেবা নগদায়ন সুবিধা প্রদান করা হবে।

(৬) কোন কর্মকর্তা তার সমগ্র চাকুরীকালে ০১ (এক) বারের বেশি এ নীতিমালার অধীন কোন অগ্রিম গ্রহণ করতে পারবেন না।

৭। ক্রয়কৃত গাড়ির রেজিস্ট্রেশন খরচ ও অতিরিক্ত অর্থ ফেরত

(১) চুক্তি সম্পাদনের অনধিক ৯০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে গাড়ি ক্রয়, রেজিস্ট্রেশন, বীমা ও এতদসংক্রান্ত অন্যান্য কার্যাদি (বন্ধকী ফরমসহ) সম্পন্ন করতে হবে।

(২) গাড়ি ক্রয়, রেজিস্ট্রেশন, বীমা ও এতদসংক্রান্ত অন্যান্য কার্যাদি বাবদ ব্যয়িত অর্থের অতিরিক্ত উত্তোলিত অর্থ অনধিক ১৫(পনের) দিনের মধ্যে সরকার বরাবর ফেরত প্রদান করতে হবে।।

(৩) যদি কোন কর্মকর্তা মঞ্জুরিকৃত অর্থের অধিক ব্যয়ে গাড়ি ক্রয় করেন তাহলে উক্ত অতিরিক্ত পরিমান অর্থ সরকারের নিকট হতে দাবী করতে পারবেন না।

(৪) নীতি ৭ (১) এবং (২) অনুসরণে ব্যর্থ হলে শতকরা ১৫ (পনের) টাকা হারে সুদ প্রদান করতে হবে।

৮। চুক্তি সম্পাদন ও গাড়ি বন্ধক

(১) বিশেষ অগ্রিম মঞ্জুরিকালে প্রত্যেক প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পরিশিষ্ট-“খ” ফরমে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সরকারের সাথে একটি চুক্তি সম্পাদন করতে হবে।

(২) বিশেষ অগ্রিমের মঞ্জুরিকৃত অর্থ প্রাপ্তি এবং গাড়ি ক্রয়ের পর প্রত্যেক প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পরিশিষ্ট-“গ” ফরমে সরকার বরাবর সংশ্লিষ্ট গাড়িটি অগ্রিমের নির্ধারিত টাকা পরিশােধ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধক রাখতে হবে।

(৩) বিশেষ মঞ্জুরিকৃত অর্থ দ্বারা ক্রয়কৃত গাড়ির অগ্রিমের নির্ধারিত টাকা পরিশােধ হয়ে গেলে সরকার উক্ত কর্মকর্তার অনুকূলে পরিশিষ্ট-“ঘ” ফরমে বন্ধক অবমুক্ত বিষয়ে একটি প্রত্যয়নপত্র প্রদান করবে।

৯। গাড়ির বীমা

প্রত্যেক প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এ নীতিমালার অধীন ক্রয়কৃত গাড়ির অগ্নি, চুরি, দূর্ঘটনাজনিত ক্ষতি ইত্যাদির জন্য ফার্স্ট পার্টি ইস্যুরেন্স বা বীমা করতে হবে।।

১০। গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়

(১) প্রাধিকারপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা সরকারের নিকট হতে বিশেষ অগ্রিম গ্রহণ করলে তিনি গাড়ি ক্রয়ের পর “গ” ফরম স্বাক্ষরের তারিখ হতে গাড়ি মেরামত/সংরক্ষণ, জ্বালানী, ড্রাইভারের বেতন ইত্যাদি বাবদপ্রাপ্য মাসিক রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ের অর্থ প্রাপ্য হবেন, তবে এ রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ের জন্য মাসিক অর্থের পরিমান অর্থ বিভাগের পূর্বানুমােদনক্রমে সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে নির্ধারণ পূর্বক প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে। নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় উক্ত কর্মকর্তা মাসিক বেতন বিলের সাথে উত্তোলন করবেন। তিনি চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ হতে উক্ত মাসের অবশিষ্ট সময়ের জন্য আংশিক রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় প্রাপ্য হবেন। স্বাক্ষরিত “গ”ফরমের প্রমাণ ছাড়া কোনক্রমেই গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় প্রাপ্য হবেন না। এর ব্যত্যয় হলে শতকরা ১৫ (পনের) টাকা হারে সুদ প্রদান করতে হবে।

(২) নীতি ৮ এর অধীন সম্পাদিত চুক্তির কোন শর্তের বরখেলাপ বা সরকারের অনুমতি ব্যতিরেকে ক্রয়কৃত গাড়ি বিক্রয় করলে এ বিধির অধীনে কোন গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় পাবেন না।

(৩) প্রাধিকারপ্রাপ্ত সকল কর্মকর্তা এল.পি.আর সময়ে গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় প্রাপ্য হবেন।

(৪) সশস্ত্র বাহিনীর মেজর জেনারেল/সমর্যাংক ও তদুর্ধ্ব কর্মকর্তাগণ তাঁদের পদমর্যাদানুসারে গাড়ি সংক্রান্ত অন্যান্য সুবিধা প্রাপ্য হবেন।

(৫) নীতি-১০ (৩) ও (৪) এ যা কিছুই থাকুক না, কোন প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এল.পি.আর সময়ে অভােগকৃত অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটি (এল.পি.আর) বাতিলের শর্তে চাকুরিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়ােজিত হলে প্রাধিকারের নীতিমালা অনুযায়ী কোন আর্থিক সুযােগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন না। তবে, তা চুক্তির শর্তানুযায়ী নির্ধারণ হবে। এবং

(৬) বিশেষ অগ্রিম গ্রহণকারী কর্মকর্তা সরকারের নিকট হতে গাড়িচালক, জ্বালানী, গাড়ি ব্যবহারজনিত ক্ষয়, রক্ষণাবেক্ষণ বা কোন প্রকার মেরামতের জন্য পৃথক কোন রকম আর্থিক সুযােগ সুবিধা, প্রকৃত ব্যয় বা খরচ দাবী করতে পারবেন এবং উক্ত গাড়ির জন্য কার সেন্ট, এয়ার ফ্রেসনার, টিস্যু পেপার ও এ্যারােসল ইত্যাদি কোন প্রকার সুবিধা পাবেন ।

১১। অগ্রিম অর্থে ক্রয়কৃত গাড়ি বিক্রয়

(১) অগ্রিমের অর্থে ক্রয়কৃত গাড়ি অগ্রিম পরিশােধের পূর্বে বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।

(২) বিক্রয় মূল্য হতে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে বকেয়া অগ্রিম জমা প্রদান করার শর্তে বিক্রয়ের অনুমতি প্রদান করা যেতে পারে এবং গাড়ি বিক্রয়ের অনধিক ১৫(পনের) দিনের মধ্যে অপরিশােধিত অর্থ এককালীন জমা দিতে হবে।।

(৩) যদি কোন কর্মকর্তা নীতি ১১ এর (২) অনুসারে অপরিশােধিত অর্থ জমা প্রদান করতে ব্যর্থ হন তা হলে অপরিশােধিত | অর্থের উপর শতকরা ১৫ (পনের) টাকা হরে সুদ আদায় করা হবে।

(৪) পুরাতন গাড়ি বিক্রয় করে নতুন গাড়ি ক্রয়ের ক্ষেত্রে সচিব প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিম্নোক্ত শর্তে বিক্রয়ের অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, যথাঃ

(ক) বকেয়া অগ্রিম অপেক্ষা নতুন গাড়ির মূল্য কম হলে পার্থক্যের সমপরিমাণ অর্থ সরকার বরাবর ফেরত দিতে হবে।

(খ) বকেয়া অগ্রিম পূর্বোক্ত হারেই আদায়/পরিশােধ অব্যাহত রাখতে হবে; এবং 

(গ) নতুনভাবে ক্রয়ক্রত গাড়ির ক্ষেত্রে ফার্স্ট পাটি বীমা করতে হবে এবং সরকারের নিকট বন্ধক রাখতে হবে।

১২। গাড়ি দুর্ঘটনা ও চুরি 

গাড়ি ক্রয়ের পর দুর্ঘটনায় বিনষ্ট বা চুরি হলে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় প্রাপ্তি অব্যাহত থাকবে, তবে এক্ষেত্রে কিস্তির টাকা নিয়মিত পরিশােধ করতে হবে অন্যথায় অপরিশােধিত কিস্তির উপর শতকরা ১৫ (পনের) টাকা হারে সুদ প্রদান করতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে তিনি নিজস্ব বাহিনী হতে গাড়ির সুবিধা পাবেন না।

১৩। গাড়ির মালিকানা।

গাড়ি ক্রয়ের জন্য গৃহীত সমুদয় অগ্রিমের কিস্তি পরিশােধের পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা গাড়ির মালিক হবেন।

১৪। গাড়ি ব্যবহার 

(১) কর্ম অধিক্ষেত্র অর্থাৎ কোন কর্মকর্তার দাপ্তরিক কার্যালয় যে স্থানে অবস্থিত, তার ৮(আট) কিলােমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সরকারি কাজে ভ্রমণের জন্য ব্যবহারকারী কর্মকর্তা কোন টি.এ/ডি.এ দাবী করতে পারবেন না;

তবে শর্ত থাকে যে, ৮(আট) কিলােমিটার ব্যাসার্ধের বাইরে কোন সরকারি কাজে ভ্রমণের জন্য (বাসায় যাতায়াতের ক্ষেত্র ব্যতীত) গাড়িটি ব্যবহৃত হলে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে টি.এ/ডি.এ প্রাপ্য হবেন।

ব্যাখ্যাঃ কোন কর্মকর্তার একাধিক দাপ্তরিক কার্যালয় থাকলে এ ক্ষেত্র তিনি প্রধানতঃ যে দপ্তরে পদায়িত বা অধিক সময় অবস্থান করেন তা বিবেচনা করতে হবে।

(২) কোন কর্মকর্তা চাকুরিতে থাকা অবস্থায় দাপ্তরিক প্রয়ােজন মিটানাের পরে গাড়িটি ব্যক্তিগত প্রয়ােজনে পরিবারের সদস্য সমন্বয়ে ব্যবহার করতে পারবেন,এ ক্ষেত্রে প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার গাড়ি ব্যবহার বিষয়ে দূরত্ব সংক্রান্ত সরকারি নিষেধাজ্ঞা প্রযােজ্য হবে না।

১৫। বৈদেশিক চাকুরীতে নিয়ােগ/ লিয়েন গ্রহণ

(১) বিশেষ অগ্রিম প্রাপ্ত কোন প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বৈদেশিক চাকুরিতে নিয়ােগ/লিয়েন বা জাতিসংঘ মিশনে কর্মরত থাকলে উক্ত সময়ে এ নীতিমালার অধীন প্রদত্ত গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় প্রাপ্য হবেন না।

(২) নীতি ১৫ এর (১) অনুসারে গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় প্রদান স্থগিত থাকলেও অগ্রিমের কিস্তি নিয়মিত পরিশােধ করতে হবে এবং এর ব্যত্যয় হলে শতকরা ১৫(পনের) টাকা হারে সুদ প্রদান করতে হবে।

১৬। প্রেষণ

প্রেষন/প্রকল্পে নিয়ােজিত প্রাধিকার প্রাপ্ত কোন সশস্ত্র বাহিনী কর্মকর্তা কর্তৃক কর্মস্থলে গাড়ি ব্যবহারের সুবিধা থাকলেও তিনি নিজ গাড়ি সচল রাখার প্রয়ােজনে মেরামত/সংরক্ষণ, জ্বালানী, ড্রাইভারের বেতন ইত্যাদি বাবদ নীতি ১০(১) অনুযায়ী গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ের শতকরা হারে নির্ধারিত অর্থ প্রাপ্য হবেন, যা অর্থ বিভাগের পূর্বানুমােদনক্রমে সময়ে সময়ে নির্ধারিত হবে এবং প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে। গাড়ির ক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ের যে পরিমান অর্থ প্রাপ্য হবেন তা সংশ্লিষ্ট সংস্থা/অফিস হতে উত্তোলন করবেন। সার্বক্ষণিক গাড়ি ব্যবহারের সুবিধা না থাকলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রধানের সুপারিশসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের ছাড়পত্র প্রদানের পর ১০০% রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় প্রাপ্ত হবেন। ১০০% গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় প্রাপ্য কর্মকর্তা অফিসে যাতায়াত বা অন্য কোন কাজের জন্য কোনভাবেই কর্মস্থলের গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন না।।

১৭। সরকারি অথবা নিজস্ব বাহিনীর গাড়ি রিকুইজিশন নিষিদ্ধ 

(১) বিশেষ অগ্রিম সুবিধা গ্রহণকারী কোন কর্মকর্তা সাধারণভাবে তাঁর দপ্তর হতে রিকুইজিশনের ভিত্তিতে কোন গাড়ি সরকারি বা ব্যক্তিগত প্রয়ােজনে ব্যবহার করতে পারবেন না।

তবে শর্ত থাকে যে, (ক) জরুরি পরিস্থিতি (দাপ্তরিক বা ব্যক্তিগত) উদ্ভবের পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষেত্র বিশেষ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমােদন ও বাহিনী কর্তৃক নির্ধারিত পরিচালনা ব্যয়বহন সাপেক্ষে গাড়ি রিকুইজিশন করতে পারবেন; এবং

(খ) উক্ত কর্মকর্তার এ নীতিমালার অধীন ক্রয়কৃত গাড়িটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অচল থাকলে উক্ত মর্মে | প্রত্যয়নসহ রিকুইজিশনের ভিত্তিতে গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে প্রতিদিনের রিকুইজিশনের জন্য বাহিনী কর্তৃক নির্ধারিত আনুপাতিক হারে গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কর্তনযােগ্য হবে।

(২) নীতি ১৭(১) এ যা কিছুই থাকুক না কেন সশস্ত্র বাহিনীর মেজর জেনারেল/সমর্যাংক ও তদুর্ধ্ব এবং অন্যান্য উর্ধ্বতন পদমর্যাদার কর্মকর্তা কর্তৃক পরিদর্শনের জন্য নির্ধারিত টিওএন্ডইভুক্ত গাড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে এ শর্ত প্রযােজ্য হবে না।

১৮। বিশেষ অগ্রিম আদায় পদ্ধতি

(১) নগদায়ন সুবিধার বিপরীতে ১.০% (এক শতাংশ) সার্ভিস চার্জ প্রযােজ্য হবে। বিশেষ অগ্রিম এবং সার্ভিস চার্জ সর্বোচ্চ ১২০টি সমান কিস্তিতে আদায়যােগ্য হবে। অগ্রিমের চেক ইস্যুর পরবর্তী মাসের বেতন হতে কর্তন শুরু করা হবে। এর ব্যত্যয় হলে শতকরা ১৫ (পনের) টাকা হারে বিলম্ব ফি প্রদান করতে হবে। এছাড়া বন্ধকী ফরম(‘গ’ ফরম) স্বাক্ষরের পর প্রাপ্য অবচয় বাদ দিয়ে বিশেষ অগ্রিমের অবশিষ্ট পরিশােধযােগ্য টাকার কিস্তির হার (সংশ্লিষ্ট প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার কর্তন বিষয়ে প্রত্যয়ন সাপেক্ষে) পুনঃ নির্ধারণ করা যাবে।

(২) কোন কর্মকর্তা কর্মরত অবস্থায় যে কোন সময়ে বা অবসরে যাওয়ার পূর্বে অপরিশােধিত সমুদয় অর্থ এককালীন | পরিশােধ করতে ইচ্ছুক হলে ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে নির্ধারিত কোডে তা জমা প্রদান করতে পারবেন। 

(৩) কর্মরত ও এল.পি.আর সময়ে সমুদয় কিস্তির টাকা আদায় করা সম্ভব না হলে অগ্রিম বাবদ গৃহীত অপরিশােধিত অর্থ নিম্নরূপভাবে আদায় করা হবে, যথাঃ

(ক) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার গ্র্যাচুয়িটি হতে এককালীন আদায় করা হবে; 

(খ) দফা (ক) অনুযায়ী গ্র্যাচুয়িটি হতে আদায়ের পরও বকেয়া থাকলে অগ্রিমের অপরিশােধিত অর্থ উক্ত কর্মকর্তার পেনশন হতে কর্তন করতে হবে; (গ) দফা (খ) অনুযায়ী পেনশন হতে আদায়ের পরও বকেয়া থাকলে অগ্রিমের অপরিশােধিত অর্থ বন্ধকী গাড়ি বিক্রয়পূর্বক সমন্বয় করতে হবে; অথবা

(ঘ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তাঁর নিজস্ব সঞ্চয় হতে অপরিশােধিত টাকা পরিশােধ করবেন;

(ঙ) দফা (ক), (খ), (গ) ও (ঘ) এর মাধ্যমে আদায়ের পরও অগ্রিম অপরিশােধিত থাকলে দাবী আদায় আইনের বিধান অনুযায়ী সরকারি পাওনা হিসেবে আদায়যােগ্য হবে।

(৪) কোন কর্মকর্তা স্বেচ্ছায় চাকুরী ত্যাগ করলে বা সরকার কর্তৃক কোন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান, চাকুরী হতে বরখাস্ত বা চাকুরীচ্যুত করা হলে বকেয়া পাওনা পেনশন/গ্র্যাচুয়িটির সাথে সমন্বয় করা হবে। সরকারি সিদ্ধান্ত মােতাবেক উল্লিখিত ক্ষেত্রে আর্থিক সুবিধা প্রদান করা না হলে বকেয়া পাওনা নগদে পরিশােধ/বন্ধকী গাড়ি বিক্রয়ের মাধ্যমে সমন্বয় হবে। এর পরও বকেয়া অপরিশােধিত থাকলে সরকারি দাবী আদায় আইনের বিধান অনুযায়ী সরকারি পাওনা হিসেবে আদায়যােগ্য হবে।

(৫) নীতি ৮ এর অধীন সম্পাদিত চুক্তির কোন শর্তের বরখেলাপ হলে সরকার বন্ধকী গাড়ি বিক্রয়পূর্বক অগ্রিম সমন্বয় করবে এবং এর পরও অগ্রিম অপরিশােধিত থাকলে সরকারি দাবী আদায় আইনের বিধান অনুযায়ী সরকারি পাওনা হিসেবে আদায়যােগ্য হবে।

(৬) অগ্রিম গ্রহীতার মৃত্যু হলে এবং দুর্ঘটনা অথবা মানসিক কারণে পঙ্গু/প্রতিবন্ধী হয়ে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণকারী দূর্দশাগ্রস্থ কর্মকর্তা হলে, সে ক্ষেত্রে –

(ক) তাঁর গ্র্যাচুয়িটি হতে অগ্রিমের টাকা আদায় করা হবে; (খ) তাঁর গ্রাচুয়িটি হতে আদায়ের পর অগ্রিম অপরিশােধিত থাকলে উক্ত কর্মকর্তার পারিবারিক পেনশন হতে কর্তন করতে হবে;

(গ) উপরি উক্ত (ক) ও (খ) এ যা কিছুই থাকুক না কেন, মৃত কর্মকর্তার উত্তরাধিকারী অথবা অক্ষম হয়ে অবসর গ্রহণকারী দূর্দশাগ্রস্থ কর্মকর্তা বা তাঁর প্রতিনিধি যৌক্তিক অর্থনৈতিক কারণে সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিমের অপরিশােধিত অর্থ (আসল ও সুদ) মওকুফের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন এবং তাঁর আবেদনপত্রটি অর্থ বিভাগ কর্তৃক গঠিত “অগ্রিমের আসল ও সুদ মওকুফ” সংক্রান্ত কমিটিতে প্রেরন করা হবে এবং উক্ত কমিটি মওকুফের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে ।

(৭) গাড়ির প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সরকারি দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে সরকারি গাড়ির পরিবর্তে গাড়ি ক্রয়ের জন্য নগদায়নের সুবিধা প্রদান করা হয়। সরকারি দায়িত্ব পালনে গাড়ি ব্যবহারের ফলে প্রতি বছর গাড়ির আয়ুস্কাল হ্রাস পায় এবং সরকারি আদেশ অনুযায়ী গাড়ির আয়ুস্কাল ৮(আট) বছর। এ কারণে বছরে ১০% হারে অবচয় (Depreciation cost) বাদ দিয়ে অবশিষ্ট মূল্য এবং সার্ভিস চার্জ পরিশােধ করে নীতিমালার “ঘ” ফরম অনুযায়ী গাড়ির বন্ধক কাল শেষ হবে। ক্রয়কৃত রিকন্ডিশন্ড গাড়ির ক্ষেত্রে প্রথম বছর থেকেই [(বন্ধকী ফরম)(“গ” ফরম) স্বাক্ষরের তারিখ হতে] অবচয় সুবিধা প্রাপ্য হবেন। তবে, সম্পূর্ণ নতুন গাড়ির (রিকন্ডিশন্ড নয়) ক্ষেত্রে প্রথম বছর অবচয় সুবিধা প্রাপ্য হবেন না। গাড়ির অবচয় সুবিধা প্রাপ্য সময়ে (অবচয়কাল ৮ (আট) বছরের মধ্যে) কোন কর্মকর্তা এল.পি.আর গমন করলে, উক্ত কর্মকর্তা এল.পি.আর সময় অবচয় সুবিধা প্রাপ্য হবে।

* স্বাক্ষরের তারিখ যে কোন দিবসে হলেও নগদায়ন অগ্রিম পরিশােধের সুবিধার্থে কিস্তি কর্তন পরবর্তী মাস হতে শুরু হবে।

১৯। অস্পষ্টতা দূরীকরণ

সংশােধিত এ নীতিমালার কোন কিছু অস্পষ্ট থাকলে বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা দেখা দিলে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তা দূরীকরণের ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

মােঃ মঞ্জুরুল করিম

উপসচিব

 

প্রাধিকারপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম এবং গাড়ি সেবা নগদায়ন নীতিমালা, ২০১৯ : ডাউনলোড

Leave a Reply

Your email address will not be published.

close