অফেরতযোগ্য জিপিএফ অগ্রিম উত্তোলনের বিধি বিধান।
অফেরতযোগ্য অগ্রিম। বিধি-১৩(৯) ও (১০)
১। চাঁদা দাতার ৫২ বৎসর পূর্ণ হইলে কৃষি জমি ক্রয়সহ যে কোন প্রকৃত উদ্দেশ্যে মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ অফেরতযোগ্য অগ্রিম মঞ্জুর করিতে পারিবেন। এই অগ্রিম চাঁদা দাতার নিকট হইতে আদায় করিতে হইবে না এবং সঞ্চিত অর্থ চূড়ান্ত পরিশোধের সময় এই অগ্রিমকে চূড়ান্ত প্রদানের অংশ হিসাবে গণ্য করিতে হইবে।
- ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বেতন থেকে উৎসে আয়কর কর্তনের নতুন হিসাব: মাসে ৩,৫২৯ টাকা করের উদাহরণ
- গেজেট প্রকাশের শেষ সময়ে নতুন দাবি নিয়ে বিতর্ক, ‘আগস্টেই গেজেট’ চাইল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি
- বাড়ি ভাড়া ভাতার হার নির্ধারণে অসঙ্গতি : বেশি মূল বেতনেও কম ভাতা, সংশোধনের দাবি
- এক দশকে পে-স্কেল বাস্তবায়ন হয়নি: নবম পে-স্কেল চালুর উদ্যোগ ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ কি কি?
- নামেই পদোন্নতি, বাস্তবে যেন বিদ্রূপ! মাত্র ২৫০ টাকার স্কেল বৃদ্ধিতে নিম্নশ্রেণির কর্মচারীর কপালে প্রহসন
অফেরতযোগ্য অগ্রিমের পরিমাণ অগ্রিম মঞ্জুরের সময় তহবিলে সঞ্চিত অর্থের ৮০% এর অধিক হইবে না। এই অগ্রিম একাধিকবার প্রদান করা যাইবে। তবে অগ্রিমের পরিমাণ প্রত্যেকবারই উক্ত সময়ে তহবিলে সঞ্চিত অর্থের ৮০% এর মধ্যে থাকিতে হইবে। এই অগ্রিম চূড়ান্ত পরিশোধের অংশ হিসাবে গণ্য হইবে এবং গৃহ নির্মানের উদ্দেশ্যেও ইহা এক কিস্তিতে প্রদান করা যাইবে। বিধি-১৩(৯)
২। চাঁদা দাতা ৫২ বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়ার পর ইচ্ছা করিলে পূর্বে গৃহীত এক বা একাধিক অগ্রিমের অপরিশোধিত অংশকে অফেরতযোগ্য অগ্রিমে রূপান্তর করিতে পারিবেন এবং এই ক্ষেত্রে ইহা চূড়ান্ত প্রদানের অংশ হিসাবে গণ্য হইবে। বিধি-১৩(১০)



