ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম ২০২৬ । এনআইডি নাম্বার দিয়ে গ্রামের নাম বের করা যায়?
ভোটার আইডি কার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র) অনলাইনে চেক করার জন্য বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট (services.nidw.gov.bd) ব্যবহার করতে পারেন। সেখানে প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন – NID নম্বর, জন্ম তারিখ ইত্যাদি দিয়ে আপনার আইডি কার্ডের তথ্য যাচাই করতে পারবেন। এছাড়া, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসএমএস করেও আইডি কার্ডের তথ্য চেক করা যায়। –ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম ২০২৬
এনআইডি নাম্বার দিয়ে গ্রামের নাম বের করা যায়? হ্যাঁ, NID (জাতীয় পরিচয়পত্র) নম্বর দিয়ে স্মার্ট কার্ডের তথ্য দেখা বা ডাউনলোড করা এবং গ্রামের নাম জানার সুযোগ রয়েছে। আপনি অনলাইনে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে অথবা তাদের মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে NID নম্বর ব্যবহার করে আপনার স্মার্ট কার্ডের তথ্য দেখতে পারেন। এছাড়াও, আপনি যদি NID নম্বর দিয়ে গ্রামের নাম জানতে চান, তাহলে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তবে আপনি services.nidw.gov.bd এই লিংকে গিয়ে এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ দিলেও গ্রামের নাম বের হয়ে আসবে।
ভোটার আইডি কার্ড কেন চেক করতে হয়? ভোটার আইডি কার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র) চেক করা প্রয়োজন, কারণ এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্র যা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন কাজে লাগে। এটি পরিচয় প্রমাণ, ভোট দেওয়া, সরকারি বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, সিমকার্ড কেনা, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে প্রয়োজন হয়। তাই, আইডি কার্ডের তথ্য সঠিক আছে কিনা, তা নিয়মিতভাবে যাচাই করা উচিত। ভোটার আইডি কার্ড বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য একটি প্রধান পরিচয়পত্র। এটি সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিচয় প্রমাণ করতে ব্যবহৃত হয়। নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত থাকলে এবং আইডি কার্ড সাথে থাকলে, ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। বিভিন্ন সরকারি সুবিধা যেমন- সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, শিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদি পাওয়ার জন্য আইডি কার্ড প্রয়োজন হয়।
ব্যাংক কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড যাচাই করে? ব্যাংক ভোটার আইডি কার্ড যাচাই করার জন্য মূলত নির্বাচন কমিশনের সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য যাচাই করে। তারা আইডি কার্ডের নম্বর এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে নির্বাচন কমিশনের ডেটাবেজে থাকা তথ্যের সাথে মিলিয়ে দেখে যে তথ্য সঠিক কিনা। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জালিয়াতি রোধ করা এবং গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। ব্যাংক প্রথমে গ্রাহকের কাছ থেকে আইডি কার্ডের নম্বর এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে। ব্যাংক নির্বাচন কমিশনের সার্ভারের সাথে একটি নিরাপদ সংযোগ স্থাপন করে। ব্যাংক সংগৃহীত তথ্য নির্বাচন কমিশনের ডেটাবেজের তথ্যের সাথে মিলিয়ে দেখে। যদি তথ্য মিলে যায়, তাহলে আইডি কার্ডটি বৈধ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ব্যাংক সেই অনুযায়ী কার্যক্রম চালায়। যদি তথ্য না মেলে, তাহলে আইডি কার্ডটি জাল বা ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
স্মার্ট কার্ডের বর্তমান অবস্থা মেসেজ দিয়ে জানা যায় / এছাড়াও ওয়েবসাইটে গিয়েও জাতীয় স্মার্ট পরিচয়পত্র কার্ড কবে দিবে অথবা প্রস্তুত কিনা তা জানা সম্ভব হয়।
জাতীয় স্মার্ট কার্ড হলো বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য একটি পরিচয়পত্র, যা আগের কাগজের তৈরি লেমিনেটিং করা জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে। এটি একটি স্মার্ট কার্ড, যাতে একটি মাইক্রোচিপ রয়েছে এবং এতে ব্যক্তির বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এটি মূলত ইলেকট্রনিকভাবে ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।

Caption: NID Smart Card Status Check by Online
হ্যাঁ, অনলাইনে আইডি কার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র) চেক করা সম্ভব। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে (nidw.gov.bd) গিয়ে আপনি আপনার আইডি কার্ড চেক করতে পারবেন।
- প্রথমে, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে (nidw.gov.bd) যান।
- যদি আপনি আগে থেকে রেজিস্টার না করে থাকেন, তাহলে “রেজিস্টার করুন” অপশনটিতে ক্লিক করে আপনার আইডি কার্ডের নম্বর, জন্ম তারিখ, এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করুন।
- যদি আপনি রেজিস্টার করে থাকেন, তাহলে আপনার ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
- লগইন করার পর, আপনি আপনার আইডি কার্ডের তথ্য দেখতে পারবেন।
- যদি আপনি আপনার আইডি কার্ডের কপি ডাউনলোড করতে চান, তাহলে “ডাউনলোড” অপশনটিতে ক্লিক করুন।
মোবাইল অপারেটরগণ কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড যাচাই করে?
মোবাইল ফোন অপারেটররা ভোটার আইডি কার্ড যাচাই করার জন্য মূলত দুটি পদ্ধতি ব্যবহার করে: একটি হলো এসএমএস এর মাধ্যমে এবং অন্যটি হলো অনলাইনে। এসএমএস এর মাধ্যমে যাচাই করার জন্য, ব্যবহারকারীকে তাদের NID কার্ডের শেষ ৪ সংখ্যা লিখে ১৬০০১ নম্বরে পাঠাতে হয়। অনলাইনে যাচাই করার জন্য, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও, কিছু মোবাইল অপারেটর তাদের নিজস্ব পোর্টালে বা অ্যাপ্লিকেশনে ভোটার আইডি কার্ড যাচাই করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখতে পারে। মোবাইল ফোন অপারেটররা সাধারণত নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে ভোটার আইডি কার্ড যাচাই করে থাকে: ১. এসএমএস এর মাধ্যমে: ব্যবহারকারীকে তার NID (জাতীয় পরিচয়পত্র) কার্ডের শেষ ৪ ডিজিট লিখে ১৬০০১ নম্বরে পাঠাতে হয়। ফিরতি মেসেজে ব্যবহারকারীকে তার NID কার্ড দিয়ে নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা জানানো হয়। ২. অনলাইনে NID যাচাই: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট -এ গিয়ে ব্যবহারকারী তার NID নম্বর এবং জন্ম তারিখ দিয়ে ভোটার তথ্য দেখতে পারেন। কিছু অপারেটর তাদের নিজস্ব পোর্টালে বা অ্যাপ্লিকেশনেও এই যাচাই করার ব্যবস্থা রাখতে পারে। মোবাইল ফোন অপারেটরদের এই যাচাই প্রক্রিয়া মূলত সিম নিবন্ধনের সময় গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি নিশ্চিত করে যে, একজন ব্যক্তি একাধিক সিম নিবন্ধন করতে পারছেন না এবং সিম নিবন্ধনে কোনোরকম জালিয়াতি হচ্ছে না। এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাংক নিশ্চিত করে যে, গ্রাহক যে আইডি কার্ড দেখাচ্ছে, সেটি আসল এবং তার পরিচয় সঠিক।
মোবাইল থেকে NID কার্ড চেক করার নিয়ম:
| আপনার ফোনের মেসেজ অপশনে যান। একটি নতুন মেসেজ লিখুন: ” NID <space> NID নম্বর <space> জন্ম তারিখ (dd/mm/yyyy) ” লিখে 105 নম্বরে সেন্ড করুন। | কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরতি মেসেজে আপনার আইডি কার্ডের তথ্য পেয়ে যাবেন। | এই পদ্ধতিতে আপনি খুব সহজেই আপনার ভোটার আইডি কার্ড চেক করতে পারবেন। |




Rakid hasan