টি,আর ফরম নং ৩২ মোতাবেক আনুষঙ্গিক ব্যয়ের রেজিস্টার অফিসে সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং উক্ত রেজিস্টারের প্রতিটি পেমেন্ট অফিস প্রধান কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইতে হইবে। (টি,এস,আর-২৩১)।

১। “ক্রয়কৃত মালামাল সঠিক পরিমাণে নমুনা মাফিক ভাল অবস্থায় গ্রহণপূর্বক মজুত বহিতে লিপিবদ্ধ করা হইয়াছে” বিলে এই মর্মে প্রত্যয়ন করিতে হইবে। কোন অবস্থাতেই সরবরাহ গ্রহণের পূর্বে বা কাজের পূর্বে পেমেন্ট করা যাইবে না। শুধুমাত্র যেই পরিমাণ কাজ সমাপ্ত হইয়াছে বা যেই পরিমাণ সরবরাহ গ্রহণ করা হইয়াছে, সেই পরিমাণ চলতি বিল ঠিকাদারকে প্রদান করা যাইবে এবং চূড়ান্ত বিলে চলতি বিলের টাকা সমন্বয় করিতে হইবে এবং পূর্নাঙ্গ পরিমাণ ব্যতিরেকে চূড়ান্ত বিল প্রদান করা যাইবে না। (টি,এস,আর-৩০৪, ৩০৫ ও ৩২২)।

২। প্রাপ্য নয়, এমণ কোন অর্থ উত্তোলন করা হইলে এবং উক্ত অর্থ ট্রেজারিতে জমা প্রদানের আদেশ দেওয়া হইলে, যতক্ষণ পর্যন্ত উক্ত অর্থ ফেরত প্রদান অথবা কর্তৃন শুরু করা হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত যে কোন প্রকার বিল অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করা যায়। তবে এ ফেরত প্রদানের বা কর্তনের পরিমাণ কোন ক্রমেই ১/৩ অংশের অধিক হইবে না। (টি,এস,আর-৫৬৯, ৫৭০)

৩। পারমানেন্টটি, এ বেতন বিলের সাথে একত্রে উত্তোলন করিতে হইবে। 

৪। আয়ন ও ব্যয়ন কর্মকর্তা তাহার অধীনে ন্যস্ত ফান্ডের ব্যয়ের ব্যাপারে দায়ী থাকিবেন। প্রকৃত প্রাপ্য ব্যক্তিকে অর্থ প্রদানের নিশ্চয়তা বিধান করাও তাহার দায়িত্ব। (টি,আর-৩৯)

পুরাতন পোস্ট

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী উন্নয়ন পরিষদ গত ১৯/০৯/২০২০ খ্রি: তারিখে বিকাল ৫ থেকে ৮ পর্যন্ত জুম অনলাইন মিটিং সম্পন্ন করেছে। উক্ত অনলাইন মিটিংকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়ক, বিভাগীয় প্রধান সমন্ব য়ক ও জেলা সমন্বয়কগণ সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যবৃন্দ। অনলাইন মিটিং এ সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, আগামী ৯ অক্টোবর, ২০২০ খ্রি: তারিখে সকাল ১০ ঘটিকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে পরিষদের ১১ দফা দাবি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী উন্নয়ন পরিষদ এর ১১ দফা দাবিনামা নিম্নরূপ:

১. দ্রুত নবম পে-কমিশন গঠন এবং নবম পে স্কেলের মাধ্যমে বেতন বৈষম্য নিরসন করতে হবে। তার আগে জীবন যাত্রার মান ও আয় ব্যয়ের সংগতি সামঞ্জস্য রাখতে ৩ হতে ৮ টি স্পেশাল ইনক্রিমেন্ট অথবা ৪০% মহার্ঘভাতা (সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা) দিতে হবে।

২. টাইস্কেল, সিলেকশন গ্রেড, বেতন সমতাকরণ, ইবিক্রস, অগ্রিম ইনক্রিমেন্ট এবং বিশেষ গ্রেড প্রদান পূর্বের ন্যায় বহাল করতে হবে।

৩. সচিবালয়ের ন্যায় পদ ও গ্রেড পরিবর্তন করতে হবে।

৪. বর্তমান ২০ গ্রেডের পরিবর্তে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারের প্রণয়ণকৃত ১৯৭৩ সালের আলোকে বেতন বৈষম্য দূরকল্পে ১০টি গ্রেড বাস্তবায়ন করতে হবে।

. ১১ হতে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া বেসিকের শতভাগ ও স্বল্পমূল্যে রেশন দিতে হবে।

৬. ১১ হতে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের বিনাসুদে ৫০ লক্ষ টাকা গৃহ নির্মান ঋণ দিতে হবে।

৭. ব্লক পদে পদোন্নতির সুযোগ দিয়ে সকল পদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে নিয়োগ বিধি একমুখী করণ, কমন নিয়োগবিধিতে পদ সংখ্যা বৃদ্ধিসহ কমন পদে আন্ত: দপ্তর বদলী চালু করতে হবে।

৮. শতভাগ পেনশন সমর্পণ পূর্বের ন্যায় বহাল, পেনশনযোগ্য চাকরিকাল বর্তমানে প্রচলিত ৫-২৫ এর স্থলে ৫-২০ বছর এবং পেনশনের হার সর্বশেষ আহরিত বেতনের ৯০% এর স্থলে ১০০% এ উন্নীত করাসহ আনুতোষিক ১ টাকার পরিবর্তে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।

৯. গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল ভাতা, ঝুঁকিভাতা এবং ওভারটাইম ভাতা চালু করতে হবে।

১০. চিকিৎসা, শিক্ষা, টিফিন ও যাতায়াত ভাতা বাস্তব সম্মতভাবে পুন: নির্ধারণ করতে হবে।

১১. আউটসোর্সিং নিয়োগ বিলুপ্তসহ কর্মরতদের চাকরি স্থায়ীকরণ এবং উন্নয়ন প্রকল্পে সাকুল্য বেতন ভোগীদের রাজস্বখাতে স্থানান্তর করতে হবে।

পরামর্শের জন্য গ্রুপে জয়েন করুন: সরকারি কর্মচারীদের দাবি -দাওয়া www.facebook.com/grops/unnayanparishad

 

সূত্র: বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী উন্নয়ন পরিষদ

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ৮ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে admin@bdservicerules.info ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

admin has 3024 posts and counting. See all posts by admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *