নিম্নমান সহকারী তথা মুদ্রাক্ষরিক, প্লেইন পেপার কপিয়ার, ডুপ্লিকেটিং মেশিন অপারেটর, ডেসপাস রাইডার, দপ্তরী ও এম,এল,এস,এস (মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও সংযুক্ত অধিদপ্তর) বিধিমালা, ১৯৯৩ নামে অভিহিত হইবে-তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা

সংজ্ঞা- বিষয় কিংবা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কিছু না থাকলে, এ বিধিমালার- (ক) “কমিশন” অর্থ বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন; (খ) “তফসিল” অর্থ এই বিধিমালার সহিত সংযোজিত তফসিল; (গ) “নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ” অর্থ সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন কর্মকর্তা; (ঘ) “পদ” অর্থ তফসিলে উল্লেখিত কোন পদ; (ঙ) “প্রয়োজনীয় যোগ্যতা” অর্থ সংশ্লিষ্ট পদের জন্য তফসিলে উল্লিখিত যোগ্যতা; (চ) শিক্ষানবিশ” অর্থ কোন পদে শিক্ষানবীশ হিসেবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি; (ছ) “স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় বা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বোর্ড” অর্থ আপাতত বলবৎ কোন আইনের দ্বারা বা আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত কোন বিশ্ববিদ্যালয় বা বোর্ড বুঝাবে।

নিয়োগ পদ্ধতি- (১) তফসিলে বর্ণিত বিধানসাপেক্ষে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুচ্ছেদ ২৯ (৩) এর উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে, সংরক্ষণ সংক্রান্ত নির্দেশাবলী সাপেক্ষে কোন পদে নিম্ন বিধৃত পদ্ধতিতে নিয়োগদান করা হবে: (ক) সরাসরি নিয়েঅগের মাধ্যমে; (খ) পদোন্নতির মাধ্যমে; (গ) প্রেষণে বদলীর মাধ্যমে; (২) কোন ব্যক্তিকে কোন পদে নিয়োগ করা হবে না, যদি তজ্জন্য তাঁর প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকে এবং সরাসরি নিয়োগ ক্ষেত্রে তার বয়স উক্ত পদের জন্য তফসিলে বর্ণিত বয়সসীমার মধ্যে হয়।

নিম্নমান সহকারী তথা মুদ্রাক্ষরিক, প্লেইন পেপার কপিয়ার, ডুপ্লিকেটিং মেশিন অপারেটর, ডেসপাস রাইডার, দপ্তরী ও এম,এল,এস,এস (মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও সংযুক্ত অধিদপ্তর) বিধিমালা, ১৯৯৩ PDF ডাউনলোড করুন

কমিশন কর্তৃক বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দরখাস্ত আহ্বানের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত ফি সহ যথাযথ ফরম ও নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে দরখাস্ত দাখিল না করেন। সরকারি চাকুরী কিংবা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের চাকুরীতে নিয়োজিত থাকাকালে স্বীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে দরখাস্ত দাখিল না করেন।

সরকারি পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগ কিভাবে হবে? এতদুদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক গঠিত সংশ্লিষ্ট বাছাই/নির্বাচন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কোন পদে পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগ করা যাইবে। যদি কোন ব্যক্তির চাকুরী বৃত্তান্ত সন্তোষজনক না হয় তাহা হইলে তিনি কোন পদে পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগের জন্য যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন না ।

শিক্ষানবীশী কাল কিভাবে গণ্য হবে? স্থায়ী শূন্যপদের বিপরীতে কোন পদে নিয়োগের জন্য বাছাইকৃত ব্যক্তিকে শিক্ষানবীশী স্তরে—সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে, বাস্তব নিয়োগের তারিখ হইতে দুই বৎসরের জন্য; এবং পদোন্নতির ক্ষেত্রে, এইরূপ নিয়োগের তারিখ হইতে এক বৎসরের জন্য নিয়োগ করা হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া শিক্ষানবীশীর মেয়াদ এইরূপ সম্প্রসারণ করিতে পারেন যাহাতে বর্ধিত মেয়াদ সর্বসাকুল্যে দুই বৎসরের অধিক না হয়।

যেক্ষেত্রে কোন শিক্ষানবীশের শিক্ষানবীশীর মেয়াদ চলাকালে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ মনে করেন যে, তাহার আচরণ ও কর্ম সন্তোষজনক নহে, কিংবা তাহার কর্মদক্ষ হওয়ার সম্ভাবনা নাই সেইক্ষেত্রে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ- (ক) সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে, শিক্ষানবীশের চাকুরীর অবসান ঘটাইতে পারিবেন। (খ) পদোন্নতির ক্ষেত্রে, তাহাকে যে পদ হইতে পদোন্নতি দেওয়া হইয়াছিল সেই পদে প্রত্যাবর্তন করাইতে পারিবেন।

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ৮ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে admin@bdservicerules.info ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

admin has 3008 posts and counting. See all posts by admin

One thought on “১১-২০ গ্রেডের কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা । তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা ১৯৯৩

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *