জাতীয় সংসদের সাংসদ জনাব জিএম কাদের ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের দাবী দাওয়া তুলে ধরেছেন।

মরহুম রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জনাব হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ -এর শাসনামলে ১৯৮৫ সালে ১ম বারের মত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দ্বিগুণ বা তার বেশি হয়েছিল।

উদাহরণস্বরূপ,

গ্রেড-১ এবং গ্রেড-২-এর বেতন যথাক্রমে ৩০০০ টাকা (নির্ধারিত) এবং ২৮৫০ টাকা (নির্ধারিত) থেকে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছিল যথাক্রমে ৬০০০ টাকা (নির্ধারিত) এবং ৫৭০০ টাকা (নির্ধারিত)। বেতন বৃদ্ধির হার ছিল ১০০ ভাগ। গ্রেড-৩-এর পে-স্কেল ২৩৫০-২৭৫০ টাকার পরিবর্তে নির্ধারিত হয়েছিল ৪৭৫০-৫৫০০ টাকা। বেতন বৃদ্ধির হার ছিল ১০২ শতাংশ। নবম গ্রেডের বেতন স্কেল ৭৫০-১৪৭০ টাকার স্থলে নির্ধারিত হয়েছিল ১৬৫০-৩০২০ টাকা। বেতন বৃদ্ধির হার ছিল ১২০ শতাংশ। গ্রেড-১৯-এর কর্মচারীদের পে-স্কেল ২৪০-৩৪৫ টাকার স্থলে নির্ধারিত হয়েছিল ৫৫০-৯৬৫ টাকা। বেতন বৃদ্ধির হার ছিল ১২৯ শতাংশ। সর্বনিম্ন গ্রেডে (গ্রেড-২০) পে-স্কেল ২২৫-৩১৫ টাকার স্থলে নির্ধারিত হয়েছিল ৫০০-৮৬০ টাকা। বেতন বৃদ্ধির হার ছিল ১২২ শতাংশ। অর্থাৎ কোনো গ্রেডেই বেতন ১০০ ভাগের কম বাড়েনি।

তাঁর শাসনামলেই ২টি উৎসব ভাতা হিসেবে দুই মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়। যার সুফল এখনো ভোগ করে চলেছি আমরা। যা এর আগে ছিল ২টি উৎসব ভাতা হিসেবে ২ ভাগে ১ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ।

বর্তমানে তাঁরই যোগ্য উত্তরসূরি বর্তমান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও মহান জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা জনাব জিএম কাদের- এর মাধ্যমে আমাদের ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারিদের বৈষম্যের কথা দাবীর কথা মহান জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেছেন।

তিনি কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের মধ্যে যে বেতন বৈষম্য রয়েছে তা সঠিক ভাবে তুলে ধরেছেন। একই সাথে তার বক্তব্যের মাঝে ১১-২০ গ্রেডের সরকারি চাকুরিজীবীদের সম্মিলিত অধিকার আদায় ফোরামের লিখিত ৮ দফা দাবি পেশ করেছেন।

১১-২০ গ্রেডের সরকারি চাকুরিজীবীদের সম্মিলিত অধিকার আদায় ফোরামের দাবী সমূহ:

১। ২০১৫ সালে প্রদত্ত ৮ম পে-স্কেল সংশোধন সহ বেতন বৈষম্য নিরসন করে গ্রেড অনুযায়ী বেতন স্কেলের পার্থক্য সমহারে নির্ধারণ ও গ্রেড সংখ্যা কমাতে হবে(ILO অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ)।

২। এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন করতে হবে।

৩। সকল পদে পদোন্নতি বা ০৫(পাঁচ) বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড প্রদান করতে হবে(ব্লক পোষ্ট নিয়মিতকরণ করতে হবে)।

৪। টাইমস্কেল সিলেকশন গ্রেড পুণঃবহাল সহ জেষ্ঠতা বজায় রাখতে হবে।

৫। সচিবালয়ে ন্যায় পদবী ও গ্রেড পরিবর্তন করতে হবে। ৬. সকল ভাতা বাজার চাহিদা অনুযায়ী সমন্বয় করতে হবে।

৭। নিম্ন বেতন ভোগীদের জন্য রেশন ও ১০০% পেনশন চালু সহ পেনশন গ্রাচুইটি হার ১টাকা = ৫০০ টাকা করতে হবে। ৱ

৮। কাজের ধরণ অনুযায়ী পদ, নাম ও গ্রেড একিভূত করতে হবে।

admin

আমার ব্লগের কোন কন্টেন্ট সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে বা জানাতে ইমেইল করতে পারেন admin@bdservicerules.info ঠিকানায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.