না দাবী পত্র লিখবেন যেভাবে।

সাধারণত কোন দপ্তর হতে অন্য দপ্তরে বদলী বা চাকরি অবসান কালে উক্ত দপ্তর হতে না দাবী পত্র সংগ্রহ করতে হয়। অবসর গ্রহণকালে সংশ্লিষ্ট দপ্তর হতে না দাবী পত্র নিতে হয়। নিচে একটি না দাবী পত্র নমুনা প্রদত্ত হলো।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

২´২৫০ কি:ও: ক্ষুদ্র তরঙ্গ প্রেরণ কেন্দ্র
বাংলাদেশ বেতার, কবিরপুর, সভার, ঢাকা।

নম্বর: বাবে/কবিরপুর/ব্যক্তিগত-৩০৬/২০১০-                                         তারিখঃ-

না দাবী সংক্রান্ত প্রত্যয়ন পত্র
প্রত্যয়ন করা যাচ্ছে যে, জনাব Person Name, বাংলাদেশ বেতার, কবিরপুর, সাভার, ঢাকা কেন্দ্রে গত ০১-০৪-২০১০ থেকে ০৫-০৫-২০১৫ খ্রি: তারিখ পূর্বাহ্ন পর্যন্ত আবাসিক  প্রকৌশলী পদে কর্মরত ছিলেন। দপ্তরের নথিপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখা যায় যে, এই কেন্দ্রে তাঁর কর্মকালীন সময়ে “প্রাপ্ত তথ্য”অনুযায়ী তাঁর নিকট দপ্তরের কোন পাওনা নেই।

ভবিষ্যতে কোনরূপ সরকারী পাওনা প্রতীয়মান হলে তিনি নিজ দায়িত্বে পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবেন।

(Controling officer)
অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (দায়িত্বে)

প্রশ্নোত্তর পর্ব:

  • প্রশ্ন: না দাবীপত্র কেন দিতে হয়?
  • উত্তর: চাকরিকালে দপ্তর আপনার নিকট কোন পাওনা নাই মর্মে প্রত্যয়ন পত্র নিতে হয়।
  • প্রশ্ন: এটি ছাড়া কি পেনশনে যাওয়া যায় না?
  • উত্তর: না, এটি ছাড়া পেনশনে যাওয়া যায় না।

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ৮ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে admin@bdservicerules.info ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.