পেনশন ও জিপিএ ফান্ড ম্যানেজমেন্ট সহজীকরণে সিজিএ এর আলাদা কার্যালয়।

হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের অন্তর্ভুক্ত সকল দপ্তরের অন্যতম প্রধান কার্যাবলী হলো সরকারি কর্মচারীগণের নিয়মিত বেতন-ভাতাদি পরিশোধের পাশাপাশি আর্থিক লেনদেনের হিসাবরক্ষণ এবং সাধারণ ভবিষ্য তহবিলের অর্থ পরিশোধ। সঠিক সময়ে পেনশন ও আনুতোষিক প্রদান হিসাব অফিস সমূহের আরো একটি প্রধান কাজ। কর্মচারীগণের বেতন-ভাতাদি বর্তমানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইএফটি অর্থাৎ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে পরিশোধিত হচ্ছে। কিন্তু “ডিজিটাল বাংলাদেশ” শ্লোগানটি প্রশ্নবিদ্ধ হবে যদি পেনশনারদের পেনশন উত্তোলনের জন্য মাস শেষে হিসাব অফিস কিংবা ব্যাংকেই যেতে হয়।

কাজেই পেনশন নিয়ে অর্থ বিভাগের একটি অফিস অর্ডারের মাধ্যমে হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে ২০১৮ সালের ১৩ই আগস্ট স্থাপিত হয় চিফ একাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স অফিসারের কার্যালয়, পেনশন ও ফান্ড ম্যানেজমেন্ট।

পেনশন ও ফান্ড ম্যানেজমেন্ট কার্যালয়ের প্রধান কাজ

এই কার্যালয়ের মূল লক্ষ্য সকল পেনশনারগণের পেনশন ইএফটি এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর এবং সাধারণ ভবিষ্য তহবিলসহ অন্যান্য সরকারি তহবিলের যথাযথ ব্যবস্থাপনা। কার্যারম্ভের পর থেকেই সিএএফও পিএন্ডএফএম পেনশন ও অন্যান্য ভাতা সরাসরি গ্রাহকদের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করছে, যার কলেবর দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর পাশাপাশি, তহবিল ব্যবস্থাপনা আরো দক্ষ ও সহজীকরণের লক্ষ্যে এই কার্যালয় অর্থ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিকে আধুনিক, স্বয়ংক্রিয়, আইটি নির্ভর এবং গণমানুষমুখী করণের ক্ষেত্রে সরকারকে প্রতিনিয়ত সহযোগিতা করে যাচ্ছে।

ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ বা রূপকল্প

বেসামরিক পেনশনারদের পেনশন সেবা প্রদানে উৎকর্ষতা অর্জন এবং তহবিলের তথ্য ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা। পেনশনারদের ঝামেলা বিহীন পেনশন প্রদান এবং সরকারি তহবিল (জিপিএফ বা সিপিএফ) অর্থ ম্যানেজমেন্টকে আরও সহজতর ও ডিজিটাল সুবিধার আওতায় আনয়ন।

 

পেনশন ম্যানেটমেন্ট-কে আরও বিশদ ভাবে জেনে নিই : সূত্র

  • একাউন্টের নিয়ামক সাধারণের অধীনে অ্যাকাউন্ট অফিসের প্রচলিত পদ্ধতিতে নিয়মিত গ্র্যাচুয়মেন্ট প্রদানের পরে অবসরপ্রাপ্ত বেসামরিক সরকারী কর্মচারীদের মাসিক পেনশন এবং ভাতা ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা।
  • দেশের নাগরিক পেনশনারদের জন্য কেন্দ্রীয় পেনশন বাজেট এবং এর পরিচালনা করা।
  • পেনশনারদের জন্য ইএফটি অ্যাকাউন্ট এবং পেনশন প্রদানের পাশাপাশি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভাতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রস্তুত করুন।
  • মৃত পেনশনারদের সনাক্ত করার ব্যবস্থা করা। এটি অর্জনের জন্য ডিজিটাল সিস্টেম সহ জীবিত পেনশনারদের চিহ্নিত করুন।
  • মাসিক পেনশন / ভাতা প্রদানের প্রতিবেদন ফিনান্স বিভাগ এবং অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রককে প্রদান করুন।
  • আইবিএস ++ এর পেনশন মডিউলটির মাধ্যমে সমস্ত পেনশন প্রদানের অর্ডার (পিপিও) এর একটি কেন্দ্রীয় বৈদ্যুতিন ভান্ডার প্রস্তুত এবং পরিচালনা।
  • পেনশনারদের কাছ থেকে বিভিন্ন অভিযোগ গ্রহণ এবং তাদের সমাধান এবং সঠিক ডিজিটাল সিস্টেমের সমাধান করা।
  • পেনশন সম্পর্কিত নীতিতে সাড়া দিন এবং নীতিমালা বাস্তবায়ন করুন।
  • সহজতম পেনশন ব্যবস্থার জন্য সরকারের সময়ে সময়ে সুপারিশ।
  • সেন্ট্রাল রেকর্ড কিপিং এজেন্সিতে অবসরপ্রাপ্ত ও চাকুরীজীবী সকল কর্মীর বিশদ রেকর্ড / তথ্য রাখা।
  • কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যাংকগুলির সাথে সমঝোতার হিসাব।
  • পেনশন মডিউল সম্পর্কিত আইবিএএস পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কিত কাজ সমাপ্তকরণ ++ (উদাহরণ:
  • ব্যবহারকারী পরিচালনা, কাস্টমাইজড প্রতিবেদন প্রণয়ন, নতুন চাহিদার সুযোগ এলে ফিনান্স বিভাগে বিজ্ঞপ্তি) ফিনান্স বিভাগ দ্বারা করা।

সর্বপরি বলা যায় শুধুমাত্র দুটি উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে পেনশন ও ফান্ড ম্যানেজমেন্ট সেকশনটি গঠন করা হয়েছে। এ সেকশনটি হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের অধিনেই নিয়ন্ত্রিত। সূত্র: পেনশন ও ফান্ড ম্যানেজমেন্ট ওয়েবসাইট

 

admin

আমার ব্লগের কোন কন্টেন্ট সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে বা জানাতে ইমেইল করতে পারেন admin@bdservicerules.info ঠিকানায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.