বাচ্ছার বয়স ৫ বছর পূর্ণ হলে শিক্ষা সহায়ক ভাতা ibas++ এ যুক্ত পদ্ধতি।

iBAS++ চালু হওয়ার পর যে সকল কর্মচারীদের সন্তানের বয়স ৫ বছর পূর্ণ হয়নি বা ২৩ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে তার শিক্ষা ভাতা Employee Salary Information এ যুক্ত করা যায়নি।

বাংলাদেশ সরকার বাধ্যতামূলক ভাবে সকল প্রতিষ্ঠানে আইবাস++ চালু করায় বর্তমানে অনেকের সন্তানের বয়স ৫ বছর পূর্ণ না হলে Pre -Primary or শিশু শ্রেণীতে ভর্তি করেই শিক্ষা ভাতা নিচ্ছিলেন। যাদের সন্তানের বয়স ৫ বছর পূর্ণ হয়নি তাদের শিক্ষা ভাতা আইবাস++ এ যুক্ত করা সম্ভব হয়নি। শিক্ষা ভাতা প্রাপ্তির সর্বনিম্ন বয়সসীমা জেনে নিন।

অর্থাৎ সন্তানের বয়স ৫ বছর পূর্ণ হলেই কেবল শিক্ষা ভাতা আইবাস++ এ যুক্ত করা যাবে। শুরুতে যারা শিক্ষা সহায়ক ভাতা ৫০০ টাকা বা ১০০০ টাকা পেয়ে আসছিলেন তার দপ্তরে আইবাস++ এর মাধ্যমে ইএফটি’তে বেতন ভাতা প্রদান শুরু হওয়ার সাথে সাথে তা বাতিল হয়ে গেছে। আইবাস++ এ পারিবারিক বা ব্যক্তিগত তথ্য প্রদানের সময় সন্তানের জন্ম নিবন্ধন দেওয়া বাধ্যতামূলক তাই জন্ম নিবন্ধনের জন্ম তারিখ অনুসারেই আইবাস++ তার শিক্ষা ভাতার প্রাপ্যতা নির্ধারণ করে। আবার কারও ক্ষেত্রে বয়স ১০/ ১২ হলেও জন্ম নিবন্ধন না থাকায় শিক্ষা ভাতা যুক্ত করা যাচ্ছে না। এক্ষেত্রে পররর্তীতে জন্ম নিবন্ধন করায় বা সন্তানের বয়স ৫ বছর পূর্ণ হলে শিক্ষা সহায়ক ভাতা আইবাস++ এ যুক্ত করার প্রয়োজন পড়ছে।

আইবাস++ এ কিভাবে শিক্ষা সহায়ক ভাতা যুক্ত করা যায়?

প্রথমে দেখে নিন কর্মচারীর সন্তানের জন্ম তারিখ অনুসারে ৫ বছর পূর্ণ হয়েছে কিনা। যদি এ মাসের মাঝামাঝিতে পূর্ণ হয়ে থাকে তবে এ মাসে আপনি শিক্ষা ভাতা যুক্ত করতে পারবেন না। পরবর্তী মাসে যুক্ত করতে হবে। কর্মচারীর সন্তানের বয়স ৫ বছর পূর্ণ হলে ডিডিও আইডি’র মাধ্যমে দপ্তর হতেই শিক্ষা ভাতা যুক্ত করা যাবে। শিক্ষা ভাতা বেতনের সাথে যুক্ত করতে হিসাবরক্ষণ অফিসে যেতে হবে না।

Login to iBas++ >Budget Execution>Master Data>Employee Salary Information>সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর NID>GO>Select Economic থেকে Education Allowance >Add>Next>Next>Save & Exit

উপরের স্টেপগুলো অনুসরণ করলেই ৫ বছর পূর্ণ হওয়া বাচ্ছার শিক্ষা ভাতা যুক্ত করতে পারবেন ডিডিও আইডি থেকেই।

সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে যারা প্রশাসন শাখা বা হিসাব শাখায় কাজ করেন তারাই কেবল চাকরি সম্পর্কিত বিধি বিধানগুলো সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখেন। অবশিষ্ট ৮০% কর্মকর্তা/ কর্মচারীই সরকারি চাকরির বিধানাবলীবাংলাদেশ সার্ভিস রুলস, হালনাগাদ পেনশন রুলসভ্রমণ বিধি ও প্রাপ্যতা , উৎসব ভাতার প্রাপ্যতা, সরকারি কর্মচারীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা বা চিকিৎসা শেষে ব্যয় উত্তোলন, বিভিন্ন ভাতাদির প্রাপ্যতা, বিভিন্ন ধরনের অগ্রিম সুবিধা গ্রহণ, নিয়োগ ও বদলি নীতিমালা, বিভিন্ন ধরনের ছুটি কিভাবে নিতে হয়, বাসা বরাদ্দ বা বাড়ি ভাড়া প্রাপ্যতা, শিক্ষা সহায়ক ভাতা বা রেশন সুবিধা ইত্যাদি সর্ম্পকে ভাল ধারনা রাখেন না। এই ওয়েবসাইটটিতে উপরোক্ত বিষয়গুলো সহজ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সাধারণ কর্মচারী যাতে সহজেই ব্যাপার গুলো বুঝতে পারে এবং যদি কোন বিধি বুঝতে সমস্যা হয় তা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করতে পারেন সে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কেউ যদি কোন বিধি বা নীতিমালা বুঝতে অসমর্থ হয় তবে আমাদের ফেসবুক পেইজগ্রুপ এবং ইমেইল ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন।

প্রতিটি পোস্টের রেফারন্স পোস্টের শেষে “ডাউনলোড” নামের যে লিংক দেওয়া আছে সেখান থেকে সংগ্রহ করে নিতে পারেন। ডাউনলোড ফাইল Google Drive or Box.com এ স্টোর করা আছে। কারও যদি ফাইলটি ডাউনলোড করতে সমস্যা হয় তবে আপনি আপনার নিজের gmail Account এ Login করে নিন। লগইন করার পর ঠিকই ফাইলটি ডাউনলোড হবে। তবুও যদি আপনি রেফারেন্স ফাইল ডাউনলোডে সমস্যায় পড়ে তবে আপনি এডমিনকে alaminmia.tangail@gmail.com এ ফাইলের নাম দিয়ে নক করুন। এডমিন আপনার ইমেইলের উত্তর দিবে।

কিছু কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের কাছে সরকারি চাকরির বিধি বিধানের কিছু বইও হয়তো সংগ্রহে আছে কিন্তু তা মূলত সংগ্রহেই মাত্র বের করে পড়ার সময় বা সুযোগ নেই। কারও সময় বা সুযোগ থাকলেও বের করে পড়া পর্যন্ত হয় না। আবার দেখা যায় যে, অসংখ্য বইয়ের মধ্যে একটি সামারি বই চাকরির বিধানাবলীই শুধুমাত্র সংগ্রহ রয়েছে। সরকারি চাকরি সংক্রান্ত অসংখ্যা বই রয়েছে যেগুলো আবার প্রতি বছরই আপডেট হয়ে থাকে আপনি যদি শুধুমাত্র এই ওয়েবসাইটের সাথে যুক্ত থাকেন তবে আপনি সকল আপডেট তথ্যই পেয়ে যাবেন। ব্লগটি ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

admin

এই ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে বা কোন তথ্য যুক্ত করতে বা সংশোধন করতে চাইলে অথবা কোন আদেশ, গেজেট পেতে এই admin@bdservicerules.info ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.