বার্ধক্যজনিত পেনশন নির্ণয়।

গণকর্মচারী (অবসর) আইন, ১৯৭৪ এর ৪ ধারার বিধান অনুযায়ী একজন গণকর্মচারীকে ৫৯ বৎসর বয়স পূর্তিতে এবং ৪ এ ধারার বিধান অনুযায়ী একজন মুক্তিযোদ্ধা গণকর্মচারীকে ৬০ বৎসর বয়স পূর্তিতে অবসরগ্রহণ করিতে হয়। এই অবসরগ্রহণের ক্ষেত্রে বার্ধক্যজণিত পেনশন প্রাপ্য।

উদাহরণ: একজন কর্মচারী ২০/০১/১৯৮৪ খৃ: তারিখে চাকরিতে যোগদান করে। তাঁহার জন্ম তারিখ ২১/০১/১৯৫৬ খৃ:। তাঁহার ২০/০১/২০১৫ খ্রি: তারিখে ৫৯ বৎসর পূর্ণ হওয়ায় সে ২১/০১/২০১৫ তারিখ হইতে ১ (এক) বৎসর পূর্ণ গড় বেতনে অবসর উত্তর ছুটি ভোগ শেষে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি চাকরি জীবনে ২ বৎসর অধ্যয়ন ছুটি, ১০ মাস অর্জিত ছুটি এবং ১ বৎসর ৬ মাস অসাধারণ ছুটি ভোগ করেন। অবসরগ্রহণকালে তাঁহার মূল বেতন ছিল ৭১,২০০/- টাকা।

এইক্ষেত্রে তাঁহার মোট চাকরিকাল হইবে (২০/০১/২০১৬-২০/০১-১৯৮৪ = ৩২ বছর। পেনশনযোগ্য চাকরিকাল হইবে (৩২-১ বৎসর ৬ মাস) ৩০ বৎসর ৬ মাস। এই ক্ষেত্রে পেনশনযোগ্য চাকরিকাল ২৫ বৎসরের অধিক হওয়ায় পূর্ণ হারে পেনশন পাইবেন। অর্থাৎ প্রাপ্য মোট পেনশন হইবে (৭১২০০ এর ৯০%) = ৬৪০৮০/- টাকা। মোট পেনশনের ৫০% অর্থাৎ ৩২,০৪০ /- টাকা সমর্পণপূর্বক প্রতি এক টাকার জন্য ২৩০ টাকা হারে (৩২,০৪০*২৩০) = ৭৩,৬৯,২০০/- টাকা আনুতোষিক প্রাপ্য। অবশিষ্ট ৫০% হিসাবে ৩২,০৪০/- টাকা মাসিক পেনশন প্রাপ্য।

প্রশ্নোত্তর পর্ব:

  • প্রশ্ন: ২৫ বছরের উর্ধ্বে চাকরি হলে অসাধারণ ছুটি কোন প্রভাব ফেলে কি?
  • উত্তর: হ্যাঁ ফেলে। যদি অসাধারণ ছুটি বাদ দেওয়ার পর ২৫ বছর পেনশনযোগ্য চাকরিকাল থাকে তাহলে কোন সমস্যা নাই।

admin

আমার ব্লগের কোন কন্টেন্ট সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে বা জানাতে ইমেইল করতে পারেন admin@bdservicerules.info ঠিকানায়।