সর্বশেষ প্রকাশিত পোস্টসমূহ

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ক্যাডেট কলেজে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু ১ নভেম্বর; লিখিত পরীক্ষা ২৬ ডিসেম্বর

বাংলাদেশের ১২টি ক্যাডেট কলেজে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সপ্তম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল শাখার অধীন ক্যাডেট কলেজ পরিচালনা পরিষদ এ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে ১ নভেম্বর ২০২৬ সকাল ৮টা থেকে। আবেদন করা যাবে আগামী ৫ ডিসেম্বর ২০২৬ বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

ক্যাডেট কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদের সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি সামরিক প্রশিক্ষণ, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলা, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং অতিরিক্ত শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ক্যাডেটদের প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণ ও নেতৃত্বের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

১২টি ক্যাডেট কলেজে ভর্তি

দেশে বর্তমানে ছেলেদের জন্য ৯টি এবং মেয়েদের জন্য ৩টিসহ মোট ১২টি ক্যাডেট কলেজ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সপ্তম শ্রেণিতে ক্যাডেট হিসেবে ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদনকারীকে নির্ধারিত শিক্ষাগত, বয়স, শারীরিক ও অন্যান্য যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীর পাশাপাশি তার বাবা-মা বা অভিভাবককেও বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা ও ওয়েবসাইট

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদন গ্রহণের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে—

  • আবেদন শুরু: ১ নভেম্বর ২০২৬, সকাল ৮টা।

  • আবেদনের শেষ সময়: ৫ ডিসেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫টা।

  • আবেদনের মাধ্যম: অনলাইন।

  • আবেদন ফি: ২ হাজার ৫০০ টাকা।

  • ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইট: www.cadetcollege.army.mil.bd

আগ্রহী প্রার্থীরা ক্যাডেট কলেজের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে Admission Menu থেকে Apply Now অপশনে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন। এ ছাড়া সরাসরি ভর্তি-সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।

ভর্তির যোগ্যতা কী কী?

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য বিজ্ঞপ্তিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে।

১. জাতীয়তা: প্রার্থী এবং তার বাবা-মা উভয়কেই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।

২. শিক্ষাগত যোগ্যতা: আবেদনকারীকে ষষ্ঠ শ্রেণি অথবা সমমানের ফাইনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

৩. বয়স: ১ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখে প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ১৩ বছর ৬ মাস হতে হবে।

৪. উচ্চতা: ছেলে ও মেয়ে উভয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে ন্যূনতম উচ্চতা ৪ ফুট ৮ ইঞ্চি নির্ধারণ করা হয়েছে।

৫. শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা: প্রার্থীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ হতে হবে।

৬. দৃষ্টিশক্তি: বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত দৃষ্টিশক্তির মান পূরণ করতে হবে। চশমা ছাড়া এক চোখে ৬/১২ এবং অন্য চোখে ৬/১৮ পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। চশমাসহ উভয় চোখে ৬/৬ দৃষ্টিশক্তির শর্ত রয়েছে। অ্যাস্টিগম্যাটিজমের ক্ষেত্রে Spherical Equivalent হিসাব করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

যেসব কারণে ভর্তি পরীক্ষায় অযোগ্য হতে পারেন

ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে কিছু শারীরিক ও স্বাস্থ্যগত অবস্থাকে অযোগ্যতার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—

  • গ্রস নক নি (Gross Knock Knee)।

  • ফ্ল্যাট ফুট (Flat Foot)।

  • কালার ব্লাইন্ডনেস (Color Blind)।

  • অতিরিক্ত ওজন (Over Weight)।

  • অ্যাজমা (Asthma)।

  • মৃগী রোগ (Epilepsy)।

  • হৃদরোগ (Heart Disease)।

  • বাত ও বাতজ্বর।

  • যক্ষ্মা (Tuberculosis)।

  • দীর্ঘস্থায়ী আমাশয়।

  • হেপাটাইটিস।

  • ডিওডেনাল আলসার।

  • রাতকানা রোগ।

  • যেকোনো ধরনের ডায়াবেটিস।

  • হিমোফিলিয়া।

  • ক্লেপটোম্যানিয়া।

এ ছাড়া স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় মেডিকেল বোর্ড কর্তৃক চিহ্নিত অন্যান্য কারণেও প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে।

ভর্তি পরীক্ষা কবে, কোন বিষয়ে কত নম্বর?

ভর্তি কার্যক্রমে প্রথমে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের পরবর্তী সময়ে মৌখিক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে লিখিত পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ ডিসেম্বর ২০২৬, শনিবার। পরীক্ষার সময় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

লিখিত পরীক্ষার বিষয় ও নম্বর বণ্টন নিচে দেওয়া হলো—

পরীক্ষার বিষয়নম্বর
ইংরেজি৬৫
গণিত৭০
বাংলা৪৫
সাধারণ জ্ঞান২০
মোট২০০

লিখিত পরীক্ষায় ইংরেজি, গণিত, বাংলা ও সাধারণ জ্ঞানের ওপর পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রার্থীরা বাংলা অথবা ইংরেজি যেকোনো একটি মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহ। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার তারিখ, সময় এবং স্থান পরবর্তী সময়ে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

আবেদন করতে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন

অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করার পাশাপাশি প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে—

1. প্রার্থীর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, প্রাথমিক ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী অথবা সমমানের পরীক্ষার সত্যায়িত সনদ।

2. অনলাইনে জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত ফটোকপি।

3. বাবা অথবা অভিভাবক এবং মায়ের মাসিক আয়ের সপক্ষে যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র।

4. বাবা ও মা অথবা অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র, টিআইএন সার্টিফিকেট এবং পাসপোর্ট (যদি থাকে) এর সত্যায়িত ফটোকপি।

5. ষষ্ঠ শ্রেণি অথবা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার সনদ। ফলাফল প্রকাশিত না হলে প্রধান শিক্ষকের প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।

6. অনলাইন আবেদনপত্রে আপলোড করার জন্য সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সত্যায়িত ফটোকপিতে সত্যায়নকারীর নাম, পদমর্যাদা ও অফিসিয়াল সিল থাকতে হবে।

আবেদন ফি ২ হাজার ৫০০ টাকা, যেভাবে পরিশোধ করবেন

ক্যাডেট কলেজে ভর্তির আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৫০০ টাকা। নির্ধারিত অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে এ ফি জমা দিতে হবে।

আবেদন ফি জমা দেওয়ার জন্য বিকাশ, ট্রাস্ট ব্যাংক (ট্যাপ), SSL Commerz, নগদ এবং রকেটসহ নির্ধারিত পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করা যাবে।

আবেদন ফি সফলভাবে পরিশোধ না করলে আবেদন গ্রহণ করা হবে না। ফি পরিশোধের ১২ ঘণ্টার মধ্যে কনফার্মেশন এসএমএস না পেলে যে অপারেটরের মাধ্যমে টাকা জমা দেওয়া হয়েছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

অনলাইনে আবেদন করার নিয়ম

আবেদন প্রক্রিয়াটি কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করতে হবে।

প্রথম ধাপ: www.cadetcollege.army.mil.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে Admission Menu থেকে Apply Now অপশনে ক্লিক করতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপ: Sign Up অপশনে গিয়ে প্রার্থীর নাম, মোবাইল নম্বর, পাসওয়ার্ড, ই-মেইল এবং জন্মতারিখ দিয়ে নিবন্ধন করতে হবে।

তৃতীয় ধাপ: নিবন্ধন সম্পন্ন হলে মোবাইল নম্বরে User ID ও Password পাওয়া যাবে। এগুলো দিয়ে Login করতে হবে।

চতুর্থ ধাপ: Payment অপশনে গিয়ে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ২ হাজার ৫০০ টাকা আবেদন ফি পরিশোধ করতে হবে।

পঞ্চম ধাপ: অনলাইন আবেদন ফরমের ছয়টি ধাপের সব তথ্য পূরণ করতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ছবি নির্ধারিত ফরম্যাট অনুযায়ী আপলোড করতে হবে।

ষষ্ঠ ধাপ: সব তথ্য পূরণ করার পর Application Preview অপশনে গিয়ে তথ্যগুলো ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে Final Submit করতে হবে।

Final Submit করার পর আবেদনপত্রের তথ্য পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে না। তাই আবেদন চূড়ান্ত করার আগে নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, পরীক্ষার কেন্দ্র এবং অন্যান্য তথ্য ভালোভাবে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রবেশপত্র ডাউনলোড কবে থেকে?

আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।

এ জন্য আবেদন করার সময় পাওয়া User ID ও Password দিয়ে ওয়েবসাইটে Login করে Print Admit Card অপশনে ক্লিক করতে হবে।

লিখিত পরীক্ষার দিন সকাল ৮টার মধ্যে প্রবেশপত্রসহ নির্ধারিত পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রবেশপত্র ছাড়া কোনো প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না।

১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠাতে হবে

ভর্তি বিজ্ঞপ্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা হলো, অনলাইন আবেদন সম্পন্ন করার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত ক্যাডেট কলেজে পাঠাতে হবে।

আবেদন ফরম পূরণ শেষে স্টেপ-৭ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্টেপ-৮-এ চাওয়া কাগজপত্র ১৫×১০ ইঞ্চি খামের ওপর প্রার্থীর রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও পরীক্ষার কেন্দ্রের নাম লিখে সংশ্লিষ্ট ক্যাডেট কলেজের ঠিকানায় পাঠাতে হবে।

কাগজপত্র পাঠানোর শেষ সময় ১০ ডিসেম্বর ২০২৬। রেজিস্টার্ড ডাক, কুরিয়ার অথবা বাহকের মাধ্যমে কাগজপত্র পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হলে আবেদন ত্রুটিপূর্ণ বা বাতিল হিসেবে গণ্য হতে পারে। অসম্পূর্ণ কাগজপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষার কেন্দ্র

প্রার্থীদের সুবিধার্থে দেশের বিভিন্ন ক্যাডেট কলেজ এবং নির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ।

  • ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ।

  • মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ।

  • রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ।

  • সিলেট ক্যাডেট কলেজ।

  • রংপুর ক্যাডেট কলেজ।

  • বরিশাল ক্যাডেট কলেজ।

  • পাবনা ক্যাডেট কলেজ।

  • ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ।

  • কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ।

  • ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ।

  • জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ।

এ ছাড়া বিভিন্ন ক্যাডেট কলেজের অধীন ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও অন্যান্য নির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

আবেদন করার সময় প্রার্থীকে সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষাকেন্দ্র নির্বাচন করতে হবে। একবার কেন্দ্র নির্বাচন করে আবেদন সাবমিট করার পর তা পরিবর্তন করা যাবে না। নির্বাচিত কেন্দ্রের বাইরে অন্য কোনো কেন্দ্রে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

বিশেষ সুবিধা ও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

বিজ্ঞপ্তিতে মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত পরিচয় নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ যেকোনো ক্যাডেট কলেজ অথবা ঢাকা আর্মি স্টেডিয়ামে স্থাপিত E-booth Outlet-এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া দেশের প্রতিটি ক্যাডেট কলেজে একটি করে এবং ঢাকা আর্মি স্টেডিয়ামে একটি E-booth Outlet স্থাপন করা হয়েছে। এসব আউটলেট থেকে অনলাইন আবেদন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা পাওয়া যাবে।

E-booth Outlet খোলা থাকবে ১ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন বাদে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সেবা দেওয়া হবে।

আবেদনকারীদের জন্য আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে—

  • আবেদন ফরম পূরণের সময় প্রার্থী ও অভিভাবকের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে হবে।

  • প্রার্থীর সদ্য তোলা ছবি আপলোড করতে হবে।

  • জন্মনিবন্ধন সরকারি ওয়েবসাইট থেকে যাচাই করা হবে।

  • ১ জুলাই ২০১৩ তারিখের আগে জন্মগ্রহণকারী প্রার্থী আবেদনের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

  • নির্বাচিত পরীক্ষাকেন্দ্র ছাড়া অন্য কোনো কেন্দ্রে পরীক্ষা দেওয়া যাবে না।

  • প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে ঘাটতি বা তথ্যে গরমিল থাকলে আবেদন বাতিল হতে পারে।

  • আবেদনপত্রে ভুল তথ্য প্রদান করলে কর্তৃপক্ষ যেকোনো পর্যায়ে আবেদন বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে।

ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য কোথায় পাওয়া যাবে?

ক্যাডেট কলেজে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি, সিলেবাস, আবেদন নির্দেশিকা এবং পরবর্তী ফলাফল জানতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাডেট কলেজ-সংক্রান্ত নির্ধারিত ওয়েবসাইট অনুসরণ করতে হবে।

অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: https://www.cadetcollege.army.mil.bd

অনলাইন আবেদন: https://cadetcollegeadmission.army.bd

বিস্তারিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি: https://cadetcollege.army.mil.bd/notice/show/275

সবশেষে, আগ্রহী অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ৫ ডিসেম্বর আবেদন শেষ, ১০ ডিসেম্বর কাগজপত্র জমা এবং ২৬ ডিসেম্বর লিখিত পরীক্ষা—এই তিনটি তারিখ ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *