পরিবারের সদস্যদের ব্যবসায় সহযোগিতা করা যাইবে।

একজন সরকারি কর্মচারী নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বা অনুমতি ব্যতিরেকে চাকরির পাশাপাশি ব্যবসা করতে পারবেন না। সরকারী কর্মচারীকে জনস্বার্থে যে কোন সময় কর্মে নিযুক্ত হতে পারে এবং অন্য পেশায় জড়িত হলে সরকারি পেশায় কোন দায়িত্ব পালনে সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে তাই সাইট বিজনেজ করার অনুমতি নেই। তবে, ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনায় তার পরিবারের সদস্যকে সহযোগিতা করতে পারবেন।

হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন, সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা ১৯৭৯ এর অনুচ্ছেদ ১৭ অনুসারে একজন সরকারি নন- গেজেটেড কর্মচারী সরকারের পূর্ব অনুমতি ছাড়া ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন যাতে তার পরিবারের সদস্যগণের শ্রম বিনিয়োজিত করবেন এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি তার সম্পদের ঘোষণা সহ ব্যবসার বিস্তারিত তথ্য দাখিল করবেন।

১৭। ব্যক্তিগত ব্যবসা বা চাকুরী:

(১) এই বিধির অন্যান্য বিধান সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্মচারী সরকারের পূর্ব অনুমতি ব্যতীত কোন ব্যবসায় নিয়োজিত হতে কিংবা তার অফিসের দায়িত্ব ভিন্ন অন্য কোন চাকুরী বা কার্য গ্রহণ করতে পারবেন না।

তবে নন-গেজেটেড সরকারি কর্মচারীগণ সরকারের পূর্ব অনুমতি ছাড়া ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন যাতে তার পরিবারের সদস্যগণের শ্রম বিনিয়োজিত করবেন এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি তার সম্পদ ঘোষণা সহ ব্যবসার বিস্তারিত তথ্য দাখিল করবেন।

(২) অফিসের কাজ বিঘ্নিত না করে একজন সরকারী কর্মচারী ধর্মীয়, সামাজিক ও দাতব্য প্রকৃতির সাম্মানিত কাজ এবং সাময়িক সাহিত্য ও শিল্প কর্ম ও তৎসম্পৃক্ত এক বা একাধিক প্রকাশনা সম্পন্ন করতে পারেন তবে সরকার যে কোন সময় তার ধারণাক্রমে অবাঞ্চিত গণ্যক্রমে তাকে এই কাজ গ্রহণে নিষেধ বা কোন চাকুরী পরিত্যাগের নির্দেশ দিতে পারবেন।

(৩) একজন সরকারী কর্মচারী তাঁর আওতাধীন এলাকায় সরকারের পূর্বে অনুমতি গ্রহণ ব্যতিত তাঁর পরিবারের কোন সদস্যকে ব্যবসা করতে অনুমতি দিবেন না।

(৪) এই বিধি ক্রীড়া সংক্রান্ত কার্য এবং বিনোদন ক্লাবের সদস্য পদের জন্য প্রযোজ্য নয়।

গণকর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা,১৯৭৯

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ PDF কপি।

admin

এই ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে বা কোন তথ্য যুক্ত করতে বা সংশোধন করতে চাইলে অথবা কোন আদেশ, গেজেট পেতে এই admin@bdservicerules.info ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.