বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস – প্রয়োগ ও পরিধি

 বিধি-১। 

এই বিধিমালা বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস নামে পরিচিত হইবে। যে ভাবেই বর্ণিত হোক না কেন ক্ষেত্র ব্যতিত এই বিধিমালা ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ তারিখ হইতে বলবৎ হবে অর্থাৎ ১ মে ১৯৫৩ সালে জারি করা হইলেও ইহার কার্যকারিতা দেওয়া হয় তদানীন্তন পাকিস্তানের স্বাধীনতা প্রাপ্তির তারিখ ১৪ আগস্টের পরবর্তী দিন অথাৎ ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ তারিখ হইতে।

বিধি-২।

যে সকল চাকরিজীবির উপর সরকার কর্তৃত্ব সম্পন্ন তাদের উপরই এই বিধিমালা প্রযোজ্য হইবে।
যাদের জন্য প্রযোজ্য:
  • রাজস্বখাতভূক্ত সকল কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ই বিধিমালা প্রযোজ্য।
  • বিধিবদ্ধ সরকারি সংস্থার বা কর্পোরেশনের নিয়মিত কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য।
  • চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের নিয়োগ বিধিতে উল্লেখ না থাকলেও এটি প্রযোজ্য।

বিধি-৩ । বিলুপ্ত

বিধি-৪।

এ বিধিতে বলা হয়েছে, যে সকল বিষয় সরকার কর্তৃক সিদ্ধান্ত গ্রহনের বিষয়ে বলা আছে সে সকল বিষয়ে জনপ্রাসাশন বা রাষ্ট্রপতির অনুমোদন ক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।
যে সকল ক্ষেত্রে সংযুক্ত দপ্তর সৃষ্টি, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহিত ব্যয়ের প্রস্তাব ইত্যাদি জড়িত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সে সকল বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিবে না।

প্রশ্নোত্তর বিভাগ:

  • প্রশ্ন: বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস কত সালে জারি করা হয়?
  • উত্তর: ০১ মে ১৯৫৩ সালে।
  • প্রশ্ন: বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস কত সাল থেকে কার্যকর হয়?
  • উত্তর: ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ সালে।
  • প্রশ্ন: বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস পাকিস্তান আমলে প্রনীত?
  • উত্তর: হ্যাঁ, পাকিস্তান স্বাধীনতা প্রাপ্তির সময়ে।
  • প্রশ্ন: পরবর্তীতে কি বিএসআর সংশোধন করা হয়নি?
  • উত্তর: হয়েছে, একাধিক সংশোধনী প্রকাশ করা হয়েছে, এখনও হচ্ছে।

অনুচ্ছেদটির হুবহু JPG কপি সংগ্রহ করতে পারেন: ডাউনলোড

Avatar

admin

আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী। ভালবাসি চাকরি সংক্রান্ত বিধি বিধান জানতে ও অন্যকে জানাতে। আমার ব্লগের কোন কন্টেন্ট সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে বা জানাতে ইমেইল করতে পারেন alaminmia.tangail@gmail.com ঠিকানায়। ধন্যবাদ আপনাকে ওয়েবসাইটটি ভিজিট করার জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published.