৯ম পে-স্কেল ও দ্রুত গেজেট জারির দাবিতে ১৬ মে রাজপথে নামছেন সরকারি কর্মচারীরা
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এবং দ্রুত গেজেট প্রকাশের দাবিতে সরব হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এই ধারাবাহিকতায় আগামী ১৬ মে ২০২৬, শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক বিশাল প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভার ডাক দিয়েছে ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী কল্যাণ সমিতি’।
সমাবেশের মূল প্রেক্ষাপট
সংগঠনটির নেতৃবৃন্দের দাবি, ২০১৫ সালের পর দীর্ঘ ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও নতুন কোনো পূর্ণাঙ্গ পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়নি। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের আকাশচুম্বী ঊর্ধ্বগতির বাজারে বিশেষ করে নিম্ন গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা ঋণের দায়ে জর্জরিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তারা জানান, প্রতি ৫ বছর অন্তর পে-স্কেল হওয়ার কথা থাকলেও তা না হওয়ায় প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী পরিবারের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
কর্মসূচির বিস্তারিত
তারিখ ও সময়: ১৬ মে ২০২৬; শনিবার, বিকেল ৩:০০ ঘটিকা।
স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব (আব্দুস ছালাম হল), ঢাকা।
আয়োজনে: বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি।
স্লোগান: ‘একদফা এক দাবি, পে স্কেলের গেজেট জারি!’ [চিত্রের তথ্য অনুযায়ী]।
প্রধান দাবিসমূহ
সমাবেশ থেকে মূলত তিনটি প্রধান দাবি উত্থাপন করা হতে পারে বলে জানা গেছে:
১. নতুন পে-স্কেল: অবিলম্বে ৯ম জাতীয় বেতন স্কেল ঘোষণা এবং দ্রুত গেজেট প্রকাশ।
২. বৈষম্য দূরীকরণ: বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে বিদ্যমান বেতন বৈষম্য নিরসনসহ টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল।
৩. মহার্ঘ ভাতা: পে-স্কেল পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের আগে জীবনযাত্রার ব্যয়ের সাথে সংগতি রেখে বিশেষ মহার্ঘ ভাতা প্রদান।
নেতৃবৃন্দের বক্তব্য
সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবদুল মালেক জানান, কর্মচারীদের এই ন্যায্য দাবি সরকারের নজরে আনতে মে মাসজুড়ে দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। ১৬ মে-র কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশের মাধ্যমে সরকারের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে জোরালো বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য। তারা আশা করছেন, আসন্ন বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রেখে প্রধানমন্ত্রী ২২ লাখ কর্মচারীর মুখে হাসি ফোটাবেন।
এই সমাবেশকে সফল করতে দেশের সকল স্তরের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশ নেওয়ার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।



