বিভাগীয় প্রার্থী বলতে বুঝায় যে দপ্তরে কর্মরত আছেন সেই দপ্তরের জব সার্কুলারে প্রার্থী হওয়া। বিভাগীয় প্রার্থী বলতে চট্টগ্রাম , রাজশাহী , খুলনা , বরিশাল , সিলেট , ঢাকা , রংপুর , ময়মনসিংহ এই ৮টি বিভাগের প্রার্থী নয়। বিভাগ বলতে সার্কুলার বা চাকরির বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠান বা যে দপ্তর বা অধিদপ্তরে চাকরি করেন সেই বিভাগ কে বুঝায়।

আমরা প্রায়ই চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে দেখতে পাই যে, বিভাগীয় প্রার্থী হলে ৩৫ বছর পর্যন্ত চাকরির বয়স শিথীলযোগ্য বা বিভাগীয় প্রার্থী অগ্রাধিকার পাবেন। এই বিভাগীয় প্রার্থী বলতে বোঝানো হয়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যারা কর্মরত আছেন তাদের মধ্যে যদি কেউ চাকরির আবেদন করেন তবে তারা অগ্রাধিকার পাবেন বা বয়স শিথীলতা পাবেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ২০১৯ সালের একটি চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে চাকরির শর্তাবলীতে উল্লেখ রয়েছে যে, “বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য বয়সসীমা ৩৫ বছর পর্যন্ত শিথীলযোগ্য” । বিজ্ঞপ্তিতে একই সাথে ৩টি পদ অর্থাৎ অফিস সহায়ক, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, সাঁটমুদ্রাক্ষরিক পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রদান করা হয়েছে। এক্ষেত্রে উক্ত মন্ত্রণালয়ে অফিস সহায়ক পদে যদি কেউ নিয়োজিত বা কর্মরত থাকেন, তার ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রার্থী হিসাবে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক বা সাঁটমুদ্রাক্ষরিক পদে চাকরির আবেদন করলে তিনি ৩৫ বছর পর্যন্ত বয়স শিথীলতা পাবেন। চাকুরি হলে তিনি ২০ তম গ্রেড হতে ১৬ তম গ্রেডে চাকরিতে যোগদান করতে পারবেন, এক্ষেত্রে তিনি চাকরির বয়স বা চাকরিকাল গননা এবং বেসিক বজায় রেখে যোগদান করতে পারবেন।

বিভাগীয় প্রার্থী হয়ে আবেদন করলে কি সুবিধা?

বিভাগীয় প্রার্থী হলে বয়স শিথীলতা পাওয়া যায়। এতে করে যদি কেউ অফিস সহকারী হিসাবে ১৬ তম গ্রেডে চাকরিরত অবস্থায় থাকেন এবং সে চাকরি যদি ৭-১০ বছর করার পর তার বয়স ৩৩-৩৫ হয়ে থাকে তবুও তিনি নতুন সার্কুলারে আবেদন করতে পারেন। এতে করে তিনি ১৬ গ্রেডে এত বছর চাকরি করেও ১৩ গ্রেডের সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি নিতে পারেন তাতে তার বর্তমান বেসিক নতুন সার্কুলারে ১৩ গ্রেডের স্কেল অতিক্রমে করলেও তিনি তার বর্তমান বেসিক নিয়েও নতুন গ্রেড বা পদে চাকরি উক্ত বেসিকেই গ্রহণ করতে পারেন। বেতন সংরক্ষণ কি? বেতন সংরক্ষণে কি কি কাগজপত্র লাগে?

বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করলে অনুমতি নিতে হয় । এতে জ্যেষ্ঠতা বজায় থাকে

সূত্র দেখুন

 

অন্য দিকে তিনি যদি পর্বপদে ১০ বছর চাকরি করে থাকেন তবে নতুন চাকরিতে তার উক্ত চাকরিকাল তার মোট চাকরিকাল গননায় চলে আসে। অর্থাৎ বর্তমান নতুন চাকরিতে ১৫ বছর চাকরি করলে তার মোট চাকরিকাল বা পেনশনযোগ্য চাকরি ২৫ বছর গন্য হবে। তিনি চাইলে নতুন চাকরির বয়স ১৫ বছর পূর্ণ করেই চাকরি হতে স্বেচ্ছায় অবসর নিতে পারবেন।

আবার কিছু ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা গনণায় আসে, চাকরির ক্ষেত্রে জেষ্ঠতা তালিকায় তার নাম শীর্ষে থাকে ফলে পরবর্তী পদোন্নতিতে তিনি অগ্রাধিকার পায় বা তার নাম শীর্ষে থাকে। তাই চাকরিতে জ্যেষ্ঠতার ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রার্থী হিসাবে আবেদন করা ভাল।

বর্তমানে বিভাগীয় প্রার্থী হিসাবে আবেদন করতে শুধুমাত্র অনলাইনে বিভাগীয় প্রার্থী সিলেক্ট করে দিলেই হয়। অতীতে আবেদন পত্রে উল্লেখ করতে হলেও বর্তমানে আবেদন পত্রের হার্ড কপি প্রেরণ করতে হয় না। তাই অনলাইনে বিভাগীয় প্রার্থীর হয়ে আবেদন করলে অবশ্যই বিভাগীয় প্রার্থী বা Departmental Candidate Option টি সিলেক্ট করে দিতে হবে।

সরকারি চাকরির জন্য সাধারন আবেদন ফরম যা প্রায় সব চাকুরিতে কাজে আসবে।

38 thoughts on “বিভাগীয় প্রার্থী ২০২৩ । বিভাগীয় প্রার্থী কে এবং সুবিধা কি পাওয়া যায়?

  • Pingback:

  • Pingback:

  • কখন বিভাগীয় প্রার্থীর অনুমতি নিতে হয়,
    পিলি পরীক্ষার আগে, না মৌখিক পরীক্ষা আগে

  • পরীক্ষায় আবেদনের পূর্বেই।

  • আস্সালামুআলাইকুম, আ‌মি অ‌ফিস সহকারী প‌দে ছিলাম তখন আমার বেতন ১১,৮২০ টাকা, বর্তমা‌নে একই দপ্ত‌রে উচ্চমান সহকারী প‌দে বিভাগীয় প্রার্থী হিসে‌বে কমর্রত আ‌ছি। কিন্তু আমার বেতন ১০২০০ টাকা থে‌কে শুরু হ‌য়ে‌ছে, এ‌ক্ষে‌ত্রে আ‌মি আ‌র্থিক ক্ষ‌তিগ্রস্থ হ‌চ্ছি, এ থে‌কে প‌রিত্রানের উপায় আ‌ছে কি? থাক‌লে কোন আইন বা বি‌ধি অনসা‌রে হ‌য়ে থা‌কে? জান‌া‌লে অ‌নেক উপকৃত হব। ধন‌্যবাদ।

  • আপনি যদি যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করে থাকেন তবে আপনার ন্যূনতম বেতন স্কেল ধাপ অনুসারে উক্ত বেতনের চেয়ে কম হবে না। আপনি হিসাবরক্ষণ অফিসে যোগাযোগ করুন।

  • আ‌মি এমইএস এ ই‌লে‌ক্টি‌শিয়ান হিসা‌বে কর্মরত আ‌ছি । আ‌মি কি উক্ত দপ্ত‌রে বিভাগীয় প্রার্থী হিসা‌বে অ‌ফিস সহকারী কামক‌ম্পিউটার প‌দে আ‌ব্নে কর‌তে পার‌বো ।

  • অবশ্যই পারবেন। বয়স থাকলে।

  • কারো বাবা অথবা ভাই চাকরিতে অবস্থায় থাকলে কোন সুবিধা আছে কিনা? ??

  • বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে অনলাইন ফিক্সেশন এ যোগদানের তারিখ কি হবে পূর্ব পদের তারিখ /নাকি নতুন পদের তারিখ,
    আর একটি অপশন আছে
    প্রফেশনাল ইনক্রিমেন্ট প্রাপ্য কিনা -হ্যা/ না, কয়টি
    এটা বলতে কি বোঝায় জানালে উপকৃত হব

  • বেতন সংরক্ষণ নতুন নিয়োগ অপশনে গিয়ে ফিক্সেশন করতে হবে। হিসাবরক্ষণ অফিসের মাধ্যমে করতে হবে। পূর্বের তথ্য সংরক্ষিত তথ্য হতে চলে আসবে। যোগদানের তারিখ উক্ত পদে যোগদানের তারিখ। প্রফেশনাল ইনক্রিমেন্ট বলতে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারগণ এটি পেয়ে থাকেন এক বা দুটি যোগদানের সময়ই।

  • মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকা অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ে অফিসিয়াল পোস্টে বিভাগীয় প্রার্থী হওয়া যাবে কি?

  • না। স্বতন্ত্র আবেদন করা যাবে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বয়স থাকা সাপেক্ষে।

  • আমার বয়স ৩৩, বর্তমানে আমি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ ২০ তম গ্ৰেডে কর্মরত আছি, আমি কি এখন সব সরকারি সার্কুলারে আবেদন করতে পারবো।প্লিজ একটু জানাবেন, খুব দরকার।

  • অবশ্যই না। বয়স অতিক্রম করেছে। যদি সার্কুলারে লেখা থাকে ৩৫ তবে পারবেন তবে অবশ্যই আপনার দপ্তরের সার্কুলার হতে হবে।

  • এক সরকারী প্রতিষ্ঠান হতে অন্য সরকারী প্রতিষ্ঠানে বিভাগীয় বিভাগীয় প্রার্থি হিসাবে আবেদন করতে পাবর।

  • এক সরকারী প্রতিষ্ঠান হতে অন্য সরকারী প্রতিষ্ঠানে বিভাগীয় প্রার্থি হিসাবে আবেদন করতে পাবর কি?

  • বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করলে সার্কুলারে বয়স ৩৫ উল্লেখ না থাকলে কি আবেদন করতে পারব?? এবং
    আমি যে দপ্তরে জব করি সেই দপ্তরের মন্ত্রণালয়ের সার্কুলার হলে সেই মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে পারব??
    অনুগ্রহপূর্বক জানাবেন..

  • না। বিভাগ বলতে ঐ দপ্তর বা অধিদপ্তর বা মাদার প্রতিষ্ঠানকে বুঝায়। সার্কুলারে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে বয়স এবং বিভাগের বিস্তৃতি।

  • ১.৫ বছর চাক‌রি করার পর বিভাগীয় প্রার্থী হি‌সে‌বে নতুন চাক‌রি হ‌লে ঐ ১.৫ বছ‌রের সা‌র্ভিস কি গণনা করা হ‌বে ?? না‌কি আবার সব‌কিছু প্রথম থে‌কে শুরু হ‌বে ?

  • চাকরি হিসেবে গন্য হবে।

  • এখন তো সকল চাকরির পরিক্ষায় ডিপার্টমেন্টাল ক্যান্ডিডেট কিনা জানতে চাওয়া হয়। অপশানে থাকে গভঃ জব, সেমি গভঃ জব, কিংবা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এগুলোর যেকোন একটাতে চাকরী করলেই কি আবেদনে আমি ডিপার্টমেন্টাল ক্যান্ডিডেট হবো।

  • যে কোন একটাতে করলে হবে না। সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা মন্ত্রণালয়ে চাকরিরত হতে হবে।

  • সম্প্রতি সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার একটি সার্কুলার হয়েছে যা বিভাগীয় কোটায় পূরণ করা হবে।
    ২০১২-২০১৩ সেশনে ফাজিল ডিগ্রি পাশ করি এবং ২০১৩/১৪ সেশনে একটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স মাস্টার্স শেষ করি। অনার্সের রেজাল্ট হওয়ার আগেই ফাজিল শেষ হয় যা দিয়ে আমি প্রাইমারি জব শুরু করি।
    এখন প্রশ্ন হলো এটিইও পদে অনার্স-মাস্টার্স যোগ্যতা দিয়ে আবেদন করলে ভাইভাতে বা ভবিষ্যতে সমস্যা হবে?? বিস্তারিত জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো।

  • সমস্যা হবে না।

  • চাকুরী স্থায়ী না হলে কী বিভাগীয় সুবিধা পাওয়া যাবে? আমার চাকুরীর বয়স ১ বছর। আমি কী এই সুবিধা পাব? একটু জানাবেন, দয়া করে।

  • বিভাগীয় সুবিধার ক্ষেত্রে চাকরি স্থায়ী হওয়ার কোন সম্পর্ক নেই।

  • আমি বিভাগীয় প্রার্থী না,আমার আবেদন কপিতে বিভাগীয় প্রার্থী অপশন সিল্কেট হয়ে গেছে। এটা কি পরিবর্তন করা যাবে।

  • আমি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার পদে চাকরিরত আছি। আমি কি কৃষি মন্ত্রণালয়ে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করতে পারব।

  • না। শুধুমাত্র অধিদপ্তরের সার্কুলারে পারবেন।

  • আমি কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট ঢাকা (উত্তর), ঢাকায় কর্মরত আছি। এখন আমি কি কাস্টমস, এক্সাইজ ও বন্ড কমিশনারেট ঢাকা (উত্তর), ঢাকায় আবেদন করতে পারব?

  • আপনার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ এবং সার্কুলার কর্তৃপক্ষ একই হতে হবে।

  • আমি জেলা জজ আদালতে কর্মরত আছি। আমার বয়স শেষ। আমি কি হাইকোর্ট, সুপ্রীম কোর্ট কিংবা আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করা পারবো????

  • সার্কুলারে বয়সসীমা উল্লেখ থাকলে পারবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *