ব্যক্তিগত পেনশন বীমার সুযোগ- সুবিধাদি।

পেশাজীবী ও কর্মজীবী মানুষ স্বভাবতঃই অবসর জীবনে নিরুদ্বেগ স্বচ্ছল শান্তিময় দিন যাপনের নিশ্চয়তা চান। পরিণত বয়সে যখন নিয়মিত আয়ের কোন নিশ্চয়তা থাকে না, পেনশন বীমা পলিসি ঠিক তখনই নিয়মিত মাসিক অর্থাগমের ব্যবস্থা করে। 

অবসর জীবনের আর্থিক প্রয়ােজনের দিকে লক্ষ্য রেখেই তৈরী করা হয়েছে আমাদের পেনশন বীমা পরিকল্পনা। যে কোন পেশায় নিয়ােজিত মানুষ এই পলিসি নিতে পারেন। এর অন্যতম | প্রধান আকর্ষণ হলাে কর্মজীবনে অকাল মৃত্যুতে পরিবারের জন্য আর্থিক নিরাপত্তা বিধান যা অন্য কোন সঞ্চয় মাধ্যমে সম্ভব নয়।

ব্যক্তিগত পেনশন বীমার সুযোগ- সুবিধাদি-

পেনশন পরিকল্পনায় প্রবেশকালীন বয়সঃ ২০ বছর থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত। 

পেনশন আকাকালীন সময়ঃ ৫৫ বছর থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত । 

মেয়াদপূর্তি তারিখ থেকে মনােনীতকের জন্য ১০ বছর পেনশন লাভের নিশ্চয়তা এবং গ্রাহকের জন্য আজীবন পেনশন লাভের নিশ্চয়তা।

পেনশন পরিকল্পনা অনিষ্টের পর গ্রাহকের অকাল মৃত্যুতে মনােনীতককে এককালীন ক্ষতিপূরণ প্রদানের নিশ্চয়তা।

চাকুরিজীবীদের জন্য সর্বোচ্চ ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত আজীবন পেনশন লাভের নিশ্চয়তা।

ব্যবসায়ীদের ভন্য সর্বোচ্চ ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ) টাকা পর্যন্ত অভিীবন পেনশন লাভের নিশ্চয়তা।

এই পরিকল্পনা থেকে প্রাপ্য টাকা সম্পূর্ণ আয়করমুক্ত এবং গ্রাহক বার্ষিক প্রদেয় প্রিমিয়ামের উপর আয়কর রেয়াতের সুবিধা পেয়ে থাকে।

মেয়াদ শেষ হলে প্রাপ্য পেনশনের টাকার ৫০% অথবা ১০০% সমর্পণ (কটেন) করে এককালীন টাকা পাওয়ার সুবিধা রয়েছে।

পেনশন বীমা পরিকল্পনা ৩ বছর সচল থাকার পর সহজ শর্তে ঋণ পাওয়ার সুবিধা রয়েছে।

এটা একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং লাভজনক বিনিয়ােগ পরিকল্পনা। তাই আপনার এবং পরিবারের জন্য পেনশন বীমা পরিকল্পনা হতে পারে আর্থিক নিরাপত্তার চাবিকাঠি।

সূত্র: ডাউনলোড

Leave a Reply

Your email address will not be published.

close