যে মাস থেকে জিপিএফ এ কর্তন বাড়াবেন/কমাবেন।

সাধারণ ভবিষ্য তহবিল বিধিমাল ১৯৭৯ অনুচ্ছেদ ৩ মোতাবেক জুন মাসের বেতন বিল হতে আপনার সাধারণ ভবিষ্য তহবিল এ কর্তন কৃত জমা/অগ্রিমের টাকার পরিমাণ বাড়ানো বা কমানো যাবে। সাধারণত জিপিএফ (GPF) এর হিসাব বছরের ধরা হয় জুন থেকে মে মাস সময় পর্যন্ত। এটি মূলত বেতন হওয়ার তারিখ বা মাস বিবেচনায় নিয়ে করা হয়েছে। পরবর্তী কোন আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত জুন মাসের বেতন বিল হতেই স্থিতি বা অগ্রিম কর্তন হ্রাস বৃদ্ধি করা যাবে। 

প্রশ্নোত্তর পর্ব:

  • প্রশ্ন: কোন মাসের বেতন বিল হতে জিপিএফ কর্তন হ্রাস/বৃদ্ধি করা যাবে?
  • উত্তর: জুন মাসের বেতন বিল থেকে। 
  • প্রশ্ন: অন্য কোন মাসে জিপিএফ কর্তন শুরু করা যাবে না?
  • উত্তর: যাবে। সেক্ষেত্রে ১৩% সুদের হিসাব জুন-মে পর্যন্ত সময়ে করা হয় বিধায়। অন্য মাসে কর্তন করলে ঐ মাসগুলোতে কর্তনকৃত অর্থের উপর কোন সুদ পাবেন না।
  • প্রশ্ন: যদি অন্য কোন মাসে জিপিএফ কর্তন বাধ্যতামূলক হয়ে যায় তবে কর্তন করতে হবে না?
  • উত্তর: হবে। যে মাসে প্রভেশনাল পদে ০২ বছর পূর্ণ হবে। তার আসন্ন মাসেই কর্তন শুরু করা যাবে। তবে আগামী জুন মাস থেকেও কর্তন শুরু করা যাবে।
  • প্রশ্ন: জিপিএফ থেকে কি যে কোন সময়ে অর্থ  অগ্রিম উত্তোলন করা যায়?
  • উত্তর: হ্যাঁ যায়। আপনার প্রয়োজনে আপনার অর্থ যে কোন সময় উত্তোলন করতে পারবেন।
  • প্রশ্ন: আগামী জুলাই মাসের ইনক্রিমেন্ট সহ মূল বেতনের ২৫% কর্তন করা যাবে?
  • উত্তর: হ্যাঁ। জুন মাসে যদি আপনার মূল বেতন ১১৮৯০ টাকা হয় তবে আপনি একই বছর জুলাই মাসে আপনার বেতন ১২৪৯০ টাকার উপর ২৫% অর্থাৎ ৩১২২ টাকা কর্তন দেখাতে পারবেন।

আমরা যারা সরকারি চাকরি করি তারা প্রায়ই দ্বিধায় থাকি, কোন মাস হতে জিপিএফ এর কর্তন বাড়ানো বা কমানো যাবে।

প্রাসঙ্গিক কথা:

  • জুন মাসের বেতন বিলে জিপিএফ কর্তন বাড়ানো বা কমানো যাবে।
  • সাধারণত পূর্বের মাসের কর্তন পরের মাসে যোগ হয়।
  • জুন মাসে কর্তন করলে জুলাই মাসে জমা হবে।
  • হিসাবটা সাধারণত জুন-মে পর্যন্ত ১২ মাসের। 

সাধারণ ভবিষ্য তহবিল বিধিমাল ১৯৭৯ এর অনুচ্ছেদটি তুলে ধরা হলো:

চাঁদা দাতা প্রতি বৎসর তাহার নির্ধারণকৃত মাসিক চাঁদার পরিমাণ নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে অবহিত করিবেন, যথা:

(ক) যদি এমণ হয় যে, তিনি পূর্ববর্তী বৎসরের ৩০ জুন তারিখে কর্মরত ছিলেন, তাহা হইলে তিনি তাহার উক্ত মাসের বেতন বিল হইতে এই উদ্দেশ্যে কর্তন করিয়া;

(খ) যদি এমন হয় যে, তিনি পূর্বতী বৎসরের ৩০ জুন তারিখে ছুটিতে ছিলেন এবং চাঁদা প্রদান না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছিলেন অথবা সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন, তাহা হইলে তিনি পুনরায় কর্মে যোগদানের পর প্রথম বেতন বিল হইতে এই উদ্দেশ্যে কর্তন করিয়া;

(গ) যদি এমণ হয় যে, তিনি উক্ত বৎসরে প্রথম সরকারি চাকরিতে যোগদান করিয়ােছন অথবা বাধ্যতামূলক চাঁদা হিসাবে বিধি-৫ এর অধীনে তহবিলে যোগদান করিয়াছেন তাহা হইলে যে মাসে তিনি তহবিলে যোগদান করিয়াছেন সেই মাসের বেতনবিল হইতে এই উদ্দেশ্যে কর্তন করিয়া;

(ঘ) যদি এমন হয় যে, তিনি পূর্ববর্তী বৎসরের ৩০ জন তারিখে ছুটিতে ছিলেন এবং অব্যাহতভাবে ছুটি ভোগ করিতেছিলেন এবং ঐ ছুটিকালীন সময়ে চাঁদা প্রদান করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছিলেন তাহা হইলে এই উদ্দেশ্যে উক্ত মাসের বেতনবিল হইতে কর্তন করিয়া;

(ঙ) যদি এমন হয় যে, তিনি পূর্ববর্তী বৎসরের ৩০ জুন তারিখে বৈদেশিক চাকরিতে কর্মরত ছিলেন, তাহা হইলে চলতি বৎসরের জুলাই মাসের চাঁদা সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করিয়া;

সাধারণ ভবিষ্য তহবিল বিধিমাল ১৯৭৯ এর এ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদটির JPG সংগ্রহ করতে পারেন: ডাউনলোড

Avatar

admin

আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী। ভালবাসি চাকরি সংক্রান্ত বিধি বিধান জানতে ও অন্যকে জানাতে। আমার ব্লগের কোন কন্টেন্ট সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে বা জানাতে ইমেইল করতে পারেন alaminmia.tangail@gmail.com ঠিকানায়। ধন্যবাদ আপনাকে ওয়েবসাইটটি ভিজিট করার জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published.