সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা ১৯৭৯ মোতাবেক কোন সরকারী কর্মচারী তাঁহার কর্তৃত্বের এখতিয়ারভুক্ত এলাকার বা দাপ্তরিক কার্যের সহিত সম্পৃক্ত কোন ব্যক্তিকে অর্থ ধার দিতে, অথবা ধার করিতে অথবা তাঁহার নিকট নিজেকে আর্থিকভাবে দায়বদ্ধ করিতে পারিবেন না।

তবে এই উপবিধি যৌথ মূলধনী কারবার, ব্যাংক অথবা সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সহিত স্বাভাবিক লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।

কোন সকারী কর্মচারী যখন এমন কোন নিয়োগ লাভ করেন বা এমন স্থানে বদলী হন, যেই স্থানে ব্যক্তি বসবাস করেন বা করিবেন বা অস্থাবর সম্পত্তির অধিকারী হন বা কোন ব্যবসা পরিচালনা করেন, যাহার নিকট হইতে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ধার করিয়াছেন বা যাহার নিকট নিজেকে অন্য কোনভাবে আর্থিক দায়বদ্ধ করিয়াছেন, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী সঙ্গে সঙ্গে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সরকারের নিকট উক্ত অবস্থা সম্পর্কে ঘোষণা প্রদান করিবেন।

নন গেজেটেড কর্মচারী অফিস প্রধানের নিকট উপবিধি (২) তে বর্ণিত ঘোষনা প্রদান করিবেন।

সরকার কর্তৃক আরোপিত সাধারণ বা বিশেষ বিধি নিষেধ বা শিথিলতা সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্মচারী সমবায় সমিতি আইন, ১৯৪০ (১৯৪০ সনের ২১ নং আইন) বা প্রচলিত অন্য কোন আইন অনুসারে নিবন্ধনকৃত সমবায় সমিতির হইতে ঋণ গ্রহণ বা প্রদান করিতে পারিবেন।

প্রশ্নোত্তর পর্ব:

  • প্রশ্ন: দপ্তর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিকট হতে ধার নিতে বা কোন ব্যক্তিকে ধার দিতে কর্মচারী কাকে অবগত করবেন?
  • উত্তর: দপ্তর প্রধানের নিকট ঘোষনা প্রদান করবেন।

  • প্রশ্ন: যদি কোন সমিতি হতে ঋণ নিই তাহলেও কি দপ্তর প্রধানকে অবগত করতে হবে?
  • উত্তর: না। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সরকারী নীতি মোতাবেক লেনদেন হবে।

সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা ১৯৭৯ সংগ্রহে রাখতে পারেন: ডাউনলোড

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ৮ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে admin@bdservicerules.info ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

admin has 3000 posts and counting. See all posts by admin