সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ১৯৮৫ । শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে বাধ্যতামূলক অবসর
সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ১৯৮৫ এর শৃঙ্খলামূলক কারণে বিভাগীয় কার্যক্রম গ্রহণপূর্বক দন্ড হিসাবে যে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়, উহাকেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে বাধ্যতামূলক অবসর বলে। এরূপ শাস্তিমূলক অবসর সংক্রান্ত বিধানসমূহ নিম্নরূপ-
(১) বাধ্যতামূলক অবসর গুরুদন্ড হিসাবে গণ্য। অক্ষমতা, অসদচারণ, ডিজারসন, দূনীর্তিপরায়ণ ও নাশকতামূলক অপরাধের ক্ষেত্রে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে কোন কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক অবসর দিতে পারেন না।
- ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় সর্বজনীন পেনশন স্কিম ২০২৬ : অল্প জমানোয় আজীবন নিশ্চিত আয়ের সুযোগ কি?
- ১ জানুয়ারি চাকরিতে যোগদান করলে কি জুলাইয়ে ইনক্রিমেন্ট পাওয়া যায়? জানুন সরকারি চাকরি বিধির সঠিক নিয়ম
- ৮ম বেতন কমিশন: ৪০০% পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির বৈপ্লবিক প্রস্তাব, জমা পড়ল একগুচ্ছ দাবি
- সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় নতুন চাকরিতে যোগদান : আইনি জটিলতা ও উত্তরণের উপায়
- সরকারি চাকুরেদের শ্রান্তি-বিনোদন ছুটি : ইনক্রিমেন্টের সুবিধা পেতে ছুটি পেছানো কি বৈধ? জানুন আবেদনের খুঁটিনাটি
(২) নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে কোন কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক অবসর দিতে পারেন না।
(৩) ১ম ও ২য় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দন্ড আরোপের ক্ষেত্রে কর্মকমিশনের পরামর্শগ্রহণ বাধ্যতামূলক। তবে পরামর্শকরণ অনুচ্ছেদ- ৭ অনুসারে প্রতিরক্ষার সহিত সংশ্লিষ্ট পদে নিযুক্ত বেসামরিক কর্মকর্তা এবং এনএস আই এর কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দন্ড আরোপের ক্ষেত্রে কর্মকমিশনের পরামর্শ গ্রহণের প্রয়োজন হইবে না।



