সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ১৯৮৫ । শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে বাধ্যতামূলক অবসর
সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ১৯৮৫ এর শৃঙ্খলামূলক কারণে বিভাগীয় কার্যক্রম গ্রহণপূর্বক দন্ড হিসাবে যে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়, উহাকেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে বাধ্যতামূলক অবসর বলে। এরূপ শাস্তিমূলক অবসর সংক্রান্ত বিধানসমূহ নিম্নরূপ-
(১) বাধ্যতামূলক অবসর গুরুদন্ড হিসাবে গণ্য। অক্ষমতা, অসদচারণ, ডিজারসন, দূনীর্তিপরায়ণ ও নাশকতামূলক অপরাধের ক্ষেত্রে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে কোন কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক অবসর দিতে পারেন না।
- চাকরি, পাসপোর্ট বা সরকারি কাজে পুলিশ ভেরিফিকেশন: যেসব কাগজপত্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখবেন
- অবসরের পর চাকরি, ব্যবসা বা বিদেশ ভ্রমণে আর লাগবে না সরকারি অনুমতি
- নতুন বেতন কাঠামো চূড়ান্তের পথে সরকার: আজ বুধবারের বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা
- দেশের চাকরির বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতা ২০২৬ : সমাজসেবা অধিদপ্তরের ১,৪৮৫ পদের বিপরীতে আবেদন ২১ লাখের বেশি, শিক্ষাগত যোগ্যতার মানদণ্ড পুনর্বিবেচনার দাবি
- অবসরে ১৮ মাসের কম অর্জিত ছুটি থাকলে কি লাম্পগ্রান্ট মিলবে না? জেনে নিন হিসাবের নিয়ম
(২) নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে কোন কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক অবসর দিতে পারেন না।
(৩) ১ম ও ২য় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দন্ড আরোপের ক্ষেত্রে কর্মকমিশনের পরামর্শগ্রহণ বাধ্যতামূলক। তবে পরামর্শকরণ অনুচ্ছেদ- ৭ অনুসারে প্রতিরক্ষার সহিত সংশ্লিষ্ট পদে নিযুক্ত বেসামরিক কর্মকর্তা এবং এনএস আই এর কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দন্ড আরোপের ক্ষেত্রে কর্মকমিশনের পরামর্শ গ্রহণের প্রয়োজন হইবে না।



