সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ১৯৮৫ । শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে বাধ্যতামূলক অবসর
সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ১৯৮৫ এর শৃঙ্খলামূলক কারণে বিভাগীয় কার্যক্রম গ্রহণপূর্বক দন্ড হিসাবে যে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়, উহাকেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে বাধ্যতামূলক অবসর বলে। এরূপ শাস্তিমূলক অবসর সংক্রান্ত বিধানসমূহ নিম্নরূপ-
(১) বাধ্যতামূলক অবসর গুরুদন্ড হিসাবে গণ্য। অক্ষমতা, অসদচারণ, ডিজারসন, দূনীর্তিপরায়ণ ও নাশকতামূলক অপরাধের ক্ষেত্রে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে কোন কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক অবসর দিতে পারেন না।
- ৯ম পে-স্কেলে উচ্চতর গ্রেডের পূর্ণাঙ্গ নিয়ম ২০২৬: ৮ বছর পর প্রথম, ৬ বছর পর দ্বিতীয়—ব্লকড পদে তৃতীয় গ্রেডের সুযোগ
- ৯ম পে-স্কেল ২০২৬: আইবাস++-এ পে-ফিক্সেশন করতে যেসব তথ্য পূরণ করতে হবে, ধাপে ধাপে জেনে নিন
- বেতন নির্ধারণ ২০২৬: iBAS++-এ স্যান্ডব্যাক, পিআরএল, নবনিয়োগ ও প্রেষণে কর্মরতদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
- আইবাস++-এ ২০২৬ সালের নতুন বেতন পুনঃনির্ধারণ: ১১তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন কত হবে, দেখে নিন ধাপে ধাপে হিসাব
- iBAS++ পে-ফিকেশন ২০২৬: বদলি-প্রেষণের তারিখে অসংগতি ও ORA-06502 ত্রুটি, সমাধানে কী করবেন সরকারি কর্মচারীরা?
(২) নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে কোন কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক অবসর দিতে পারেন না।
(৩) ১ম ও ২য় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দন্ড আরোপের ক্ষেত্রে কর্মকমিশনের পরামর্শগ্রহণ বাধ্যতামূলক। তবে পরামর্শকরণ অনুচ্ছেদ- ৭ অনুসারে প্রতিরক্ষার সহিত সংশ্লিষ্ট পদে নিযুক্ত বেসামরিক কর্মকর্তা এবং এনএস আই এর কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দন্ড আরোপের ক্ষেত্রে কর্মকমিশনের পরামর্শ গ্রহণের প্রয়োজন হইবে না।



