সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ১৯৮৫ । শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে বাধ্যতামূলক অবসর
সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ১৯৮৫ এর শৃঙ্খলামূলক কারণে বিভাগীয় কার্যক্রম গ্রহণপূর্বক দন্ড হিসাবে যে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়, উহাকেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে বাধ্যতামূলক অবসর বলে। এরূপ শাস্তিমূলক অবসর সংক্রান্ত বিধানসমূহ নিম্নরূপ-
(১) বাধ্যতামূলক অবসর গুরুদন্ড হিসাবে গণ্য। অক্ষমতা, অসদচারণ, ডিজারসন, দূনীর্তিপরায়ণ ও নাশকতামূলক অপরাধের ক্ষেত্রে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে কোন কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক অবসর দিতে পারেন না।
- ১২ মাস কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার পর কি চাকরিতে ফেরা যাবে? আইন কী বলছে—জানুন বিস্তারিত
- জিপিএফের শুধু মূল টাকা ফেরত: স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
- নবম জাতীয় পে স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে: সেপ্টেম্বরে গেজেটের লক্ষ্য, ১ জুলাই থেকে কার্যকরের আলোচনা
- নবম জাতীয় পে-স্কেলের সর্বশেষ খবর: সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে গেজেট, অক্টোবরে নতুন বেতন?
- নিজ জেলায় পোস্টিং কি নিষিদ্ধ? সরকারি কর্মকর্তাদের বদলি-পদায়ন নীতিমালা নিয়ে যা জানা গেল
(২) নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে কোন কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক অবসর দিতে পারেন না।
(৩) ১ম ও ২য় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দন্ড আরোপের ক্ষেত্রে কর্মকমিশনের পরামর্শগ্রহণ বাধ্যতামূলক। তবে পরামর্শকরণ অনুচ্ছেদ- ৭ অনুসারে প্রতিরক্ষার সহিত সংশ্লিষ্ট পদে নিযুক্ত বেসামরিক কর্মকর্তা এবং এনএস আই এর কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দন্ড আরোপের ক্ষেত্রে কর্মকমিশনের পরামর্শ গ্রহণের প্রয়োজন হইবে না।



