সর্বশেষ প্রকাশিত পোস্টসমূহ

৯ম পে-স্কেল ও ৭ দফা দাবিতে ফুঁসছে সরকারি কর্মচারীরা: রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আর জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিতে হিমশিম খাওয়া সরকারি কর্মচারীরা এবার রাজপথে নেমেছেন। বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেল ঘোষণা এবং ৭ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আজ শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’। সমাবেশ থেকে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, দাবি মানা না হলে আগামীতে সচিবালয় ঘেরাওসহ দেশব্যাপী সর্বাত্মক কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হবে।

আন্দোলনের মূল প্রেক্ষাপট

২০১৫ সালের পর দীর্ঘ ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও নতুন কোনো বেতন স্কেল ঘোষণা না করায় কর্মচারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। সম্প্রতি জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ তাদের প্রতিবেদন জমা দিলেও, সরকারের একজন উপদেষ্টার “বর্তমানে নতুন পে-স্কেল সম্ভব নয়” এমন বক্তব্যে এই ক্ষোভ দাবানলে রূপ নিয়েছে। আজকের সমাবেশে বক্তারা সেই বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।

প্রধান দাবিগুলো কী কী?

সমাবেশে পরিষদের সমন্বয়ক ও নেতৃবৃন্দ মূলত সাতটি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরেন: ১. ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন: অবিলম্বে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে। ২. মহার্ঘ ভাতা: পে-স্কেল বাস্তবায়নের আগ পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য ৫০% মহার্ঘ ভাতা প্রদান। ৩. বেতন বৈষম্য দূরীকরণ: সচিবালয়ের মতো সব দপ্তর ও অধিদপ্তরের পদনাম পরিবর্তন এবং ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণ। ৪. টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড: বাতিল হওয়া টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনঃবহাল। ৫. রেশন ব্যবস্থা: নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জন্য সুলভ মূল্যে রেশনিং ব্যবস্থা চালু। ৬. পেনশন ও গ্র্যাচুইটি: পেনশন ও আনুতোষিকের হার পুনঃনির্ধারণ। ৭. অভিন্ন নিয়োগবিধি: সকল দপ্তরে এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন করা।

নেতাদের বক্তব্য

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী বলেন, “আমরা গত সাত বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ১৫-২০ হাজার টাকা বেতনে পরিবার চালানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি।”

অন্যান্য বক্তারা বলেন, গত বছর জুলাই মাসে বেতন কমিশন গঠন করে এখন তা কার্যকর না করা কর্মচারীদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা। তারা হুঁশিয়ারি দেন যে, ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সুস্পষ্ট ঘোষণা না এলে ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রতিটি জেলায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে।

দেশজুড়ে সংহতি

কেবল ঢাকাতেই নয়, আজ চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, সিলেট এবং রাজবাড়ীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা এই কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিশেষ করে রেলওয়ে ও শিক্ষাখাতের কর্মচারীদের অংশগ্রহণ ছিল লক্ষণীয়।

পরবর্তী পদক্ষেপ

ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। দাবি আদায়ে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কঠোরতর কর্মসূচির ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আর জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিতে হিমশিম খাওয়া সরকারি কর্মচারীরা এবার রাজপথে নেমেছেন বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে স্কেল ঘোষণা এবং ৭ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আজ শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে'বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ'। সমাবেশ থেকে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, দাবি মানা না হলে আগামীতে সচিবালয় ঘেরাওসহ দেশব্যাপী সর্বাত্মক কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হবে।আন্দোলনের মূল প্রেক্ষাপট
২০১৫ সালের পর দীর্ঘ ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও নতুন কোনো বেতন স্কেল ঘোষণা না করায় কর্মচারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। সম্প্রতি জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ তাদের প্রতিবেদন জমা দিলেও, সরকারের একজন উপদেষ্টার "বর্তমানে নতুন পে-স্কেল সম্ভব নয়" এমন বক্তব্যে এই ক্ষোভ দাবানলে রূপ নিয়েছে। আজকের সমাবেশে বক্তারা সেই বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।প্রধান দাবিগুলো কী কী?
সমাবেশে পরিষদের সমন্বয়ক ও নেতৃবৃন্দ মূলত সাতটি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরেন: ১. ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন: অবিলম্বে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে। ২. মহার্ঘ ভাতা: পে-স্কেল বাস্তবায়নের আগ পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য ৫০% মহার্ঘ ভাতা প্রদান। ৩. বেতন বৈষম্য দূরীকরণ: সচিবালয়ের মতো সব দপ্তর ও অধিদপ্তরের পদনাম পরিবর্তন এবং ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণ। ৪. টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড: বাতিল হওয়া টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনঃবহাল। ৫. রেশন ব্যবস্থা: নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জন্য সুলভ মূল্যে রেশনিং ব্যবস্থা চালু। ৬. পেনশন ও গ্র্যাচুইটি: পেনশন ও আনুতোষিকের হার পুনঃনির্ধারণ। ৭. অভিন্ন নিয়োগবিধি: সকল দপ্তরে এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন করা।নেতাদের বক্তব্য
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী বলেন, "আমরা গত সাত বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ১৫-২০ হাজার টাকা বেতনে পরিবার চালানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি।"অন্যান্য বক্তারা বলেন, গত বছর জুলাই মাসে বেতন কমিশন গঠন করে এখন তা কার্যকর না করা কর্মচারীদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা। তারা হুঁশিয়ারি দেন যে, ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সুস্পষ্ট ঘোষণা না এলে ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রতিটি জেলায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে।দেশজুড়ে সংহতি
কেবল ঢাকাতেই নয়, আজ চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, সিলেট এবং রাজবাড়ীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা এই কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিশেষ করে রেলওয়ে ও শিক্ষাখাতের কর্মচারীদের অংশগ্রহণ ছিল লক্ষণীয়।পরবর্তী পদক্ষেপ
ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। দাবি আদায়ে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কঠোরতর কর্মসূচির ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

author avatar
admin
আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *