ডিপিসি কমিটি ২০২৬ । বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ডিপিসি কমিটিতে অর্থ বিভাগের প্রতিনিধি মনোনয়ন?
সরকারি চাকরিতে ৪র্থ থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও সিলেকশন গ্রেড প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটিতে (ডিপিসি) অর্থ বিভাগের প্রতিনিধি মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন ও সমন্বয় অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়।
বিস্তারিত প্রেক্ষাপট: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৪ সালের ০৭ ফেব্রুয়ারির পরিপত্র অনুযায়ী, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনস্থ দপ্তর বা সংস্থাসমূহের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি ও নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে এই কমিটিগুলো কাজ করবে। অর্থ বিভাগ থেকে মোট ৩৫ জন যুগ্মসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জন্য প্রতিনিধি ও বিকল্প প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মনোনীত কর্মকর্তাদের তালিকা ও দায়িত্ব: অফিস আদেশ অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ কিছু মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নাম নিচে দেওয়া হলো:
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: যুগ্মসচিব ড. মোঃ ফেরদৌস আলম (বিকল্প: মিজ্ রওনক আফরোজা সুমা)।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সেতু বিভাগ: যুগ্মসচিব ড. এ. কে. এম আতিকুল হক (বিকল্প: মিজ্ মোছাঃ রুখসানা রহমান)।
পররাষ্ট্র ও ভূমি মন্ত্রণালয়: যুগ্মসচিব মোঃ তারিকুল ইসলাম খান (বিকল্প: জনাব আবুল বাশার মুহাম্মদ আমীর উদ্দিন)।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ: যুগ্মসচিব জনাব এ. টি. এম. আব্দুল্লাহেল বাকী (বিকল্প: মিজ্ রওনক জাহান)।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ: যুগ্মসচিব মিজ্ কাউসার নাসরীন (বিকল্প: জনাব মুহাম্মদ রবিউল ইসলাম)।
জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগ: যুগ্মসচিব জনাব মোঃ আমিরুল ইসলাম (বিকল্প: জনাব মুহাম্মদ আনিসুর রহমান)।
অন্যান্য উল্লেখযোগ্য তথ্য: জারি করা এই আদেশে ১৫টি প্রধান কলামে মোট ৩৫ জন কর্মকর্তার নাম ও তাদের জন্য নির্ধারিত মন্ত্রণালয়সমূহের তালিকা প্রদান করা হয়েছে। তালিকায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কার্যকারিতা: অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। একই সঙ্গে এর আগে ২০২৩ সালের ১৩ অক্টোবর জারিকৃত এ সংক্রান্ত পূর্ববর্তী সকল অফিস আদেশ বাতিল বলে গণ্য করা হয়েছে।
এই মনোনয়নের ফলে সরকারি কর্মকর্তাদের পদোন্নতি ও নিয়োগ সংক্রান্ত দাপ্তরিক কাজগুলো আরও স্বচ্ছ ও দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।




