৩ ধাপে নয় ২ ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের জোরালো দাবি সরকারি কর্মচারীদের
আসন্ন বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল ঘোষণার গুঞ্জন ও সরকারের সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে মাঠ পর্যায়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে, ৩ বছরে ৩টি ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের যে প্রাথমিক পরিকল্পনার কথা শোনা যাচ্ছে, তা প্রত্যাখ্যান করে সর্বোচ্চ ২ ধাপে তা বাস্তবায়নের জোর দাবি জানিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
হতাশা ও ক্ষোভের কারণ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ ১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা যদি ৩ ধাপে বাস্তবায়ন করা হয়, তবে কর্মচারীরা তাদের প্রকৃত পাওনা থেকে আরও ৩ বছর বঞ্চিত থাকবেন। ৩ ধাপে ৩ বছরে পে-স্কেল বাস্তবায়নের এই দীর্ঘসূত্রিতা সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে হতাশা ও ক্ষোভের সঞ্চার করেছে।
বাজার পরিস্থিতি ও অসাধু ব্যবসায়ীদের অপতৎপরতা কর্মচারী নেতাদের মতে, পে-স্কেল ঘোষণার সাথে সাথেই বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যায়। ৩ ধাপে বাস্তবায়নের অর্থ হলো—অসাধু ব্যবসায়ীরা পে-স্কেলকে পুঁজি করে প্রতিটি ধাপ কার্যকর হওয়ার সময় নতুন করে পণ্যের দাম বাড়ানোর সুযোগ পাবে। এতে কর্মচারীদের আর্থিক ক্ষতি আরও প্রকট হবে। দ্রব্যমূল্যের বর্তমান ঊর্ধ্বগতির কারণে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়বে বলে তারা মনে করেন।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ আবেদন এমতাবস্থায়, আসন্ন বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রেখে সর্বোচ্চ দুই ধাপে ৯ম পে-স্কেল পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে। কর্মচারীরা আশা করছেন, মানবিক দিক বিবেচনা করে এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সরকার এই যৌক্তিক দাবি মেনে নেবে।


