Govt. Employee Foreign Tour 2026 । সরকারি কর্মচারীদের বিদেশে চিকিৎসার নিয়ম ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কি লাগে?
সরকারি চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় অনেক সময় উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তবে সরকারি বিধি মোতাবেক, একজন সরকারি কর্মচারী চাইলেই হুট করে চিকিৎসার জন্য বিদেশ গমন করতে পারেন না। এর জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পালন এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক।
আবেদনের প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় শর্তাবলি: বিদেশে চিকিৎসার জন্য ছুটি পেতে হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশীয় চিকিৎসা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা প্রমাণ করা।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহ: আবেদনের সাথে যেসকল নথিপত্র সংযুক্ত করতে হবে তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
১. আবেদনপত্র: যথাযথ মাধ্যমে (Proper Channel) সংশ্লিষ্ট সচিব বরাবর লিখিত আবেদন।
২. অসুস্থতার প্রমাণপত্র: বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত রিপোর্ট।
৩. দেশীয় চিকিৎসার প্রেসক্রিপশন: দেশে এ পর্যন্ত যে চিকিৎসা গ্রহণ করা হয়েছে তার নথিপত্র।
৪. মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ: দেশের সরকারি মেডিকেল বোর্ড কর্তৃক বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।
৫. ছুটির হিসাব (Rest and Recreation/Earned Leave): সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে বহিঃবাংলাদেশ অর্জিত ছুটির পাওনা সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র। ৬. আয়কর সনদ: সর্বশেষ বছরের হালনাগাদ ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র।
৭. বৈদেশিক হাসপাতালের আমন্ত্রণ: যে দেশে চিকিৎসা নিতে ইচ্ছুক, সেই দেশের নির্দিষ্ট ডাক্তার বা হাসপাতালের অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা আমন্ত্রণপত্র।
বিশেষ পরামর্শ: ছুটির প্রক্রিয়া এবং দাপ্তরিক ভিন্নতার কারণে সংশ্লিষ্ট অফিসের ‘সিটিজেন চার্টার’ বা নাগরিক সনদ দেখে নেওয়া জরুরি। প্রয়োজনে নিজ দপ্তরের প্রশাসন শাখার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে সর্বশেষ বিধিবিধান জেনে নেওয়া শ্রেয়।
বিদেশ যাওয়ার ছুটি নেয়ার নিয়ম ২০২৬ । বহিঃ বাংলাদেশ ছুটি মঞ্জুর আদেশ কত দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকে?



