১৬ তারিখের প্রতিনিধি সমাবেশ সফল করার ডাক: নতুন পে-স্কেলের দাবিতে উত্তাল কর্মচারী মহল
সরকারি চাকুরিজীবীদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও নতুন পে-স্কেলের জোরালো দাবি নিয়ে আগামী ১৬ মে আয়োজিত হতে যাচ্ছে বিশাল প্রতিনিধি সমাবেশ। “পে-স্কেল আমাদের প্রাণের দাবি”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সারাদেশে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা ও প্রস্তুতির খবর পাওয়া গেছে। আন্দোলনের সমন্বয়কদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নতুন পে-স্কেল ঘোষণা নিয়ে কোনো প্রকার কালক্ষেপণ বা ‘তালবাহানা’ সাধারণ কর্মচারীরা আর বরদাস্ত করবেন না।
সমাবেশের প্রেক্ষাপট
বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে সংগতি রেখে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যম সারির সরকারি কর্মচারীরা। ২০১৫ সালের সর্বশেষ পে-স্কেলের পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও নতুন কোনো বেতন কাঠামো ঘোষণা না করায় এই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য, যা দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে অপর্যাপ্ত।
কর্মচারী নেতাদের হুঁশিয়ারি
প্রতিনিধি সমাবেশের প্রস্তুতি সভায় একাধিক কর্মচারী নেতা বলেন:
“পে-স্কেল কোনো বিলাসিতা নয়, এটি আমাদের টিকে থাকার অধিকার। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আমাদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। ১৬ তারিখের সমাবেশ থেকে আমরা সরকারকে পরিষ্কার বার্তা দিতে চাই যে, কর্মচারীরা ঐক্যবদ্ধ এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বে না।”
তারা আরও জানান, যদি এই সমাবেশের পর সরকার দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তবে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।
নিউজ হাইলাইটস:
প্রধান দাবি: দ্রুততম সময়ে ৯ম পে-স্কেল ঘোষণা ও বাস্তবায়ন।
কর্মসূচি: ১৬ মে রাজধানীসহ দেশব্যাপী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে বিশাল সমাবেশ।
মূল বার্তা: বেতন বৈষম্য দূরীকরণ এবং অন্তর্বর্তীকালীন মহার্ঘ ভাতা প্রদান।
আহ্বান: দেশের সকল স্তরের সরকারি কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সমাবেশে যোগদানের আহ্বান।
জনসাধারণের ওপর প্রভাব ও প্রত্যাশা
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকারি কর্মচারীদের এই বৃহত্তর ঐক্য প্রশাসনের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে আন্দোলনকারীদের দাবি, তারা শান্তিপূর্ণ উপায়ে তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় করতে চান। ১৬ তারিখের এই সমাবেশটি কেবল একটি সভা নয়, বরং এটি আগামী দিনের বৃহত্তর আন্দোলনের ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিঃদ্রঃ সকল সরকারি কর্মচারীকে নিজ নিজ দপ্তর ও ইউনিটের মাধ্যমে সংগঠিত হয়ে উক্ত প্রতিনিধি সমাবেশে যথাসময়ে যোগ দেওয়ার জন্য প্রচারপত্র ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জোর প্রচারণা চালানো হচ্ছে।


