এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে-স্কেলে আলাদা প্রজ্ঞাপন লাগবে না, এবার বাস্তবায়নের অপেক্ষা
নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যেও দীর্ঘদিন ধরে যে অনিশ্চয়তা ছিল, তা অনেকটাই কেটে গেল। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আলাদা প্রজ্ঞাপন জারির প্রয়োজন হবে না।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপনের প্রয়োজন হতে পারে—এমন আলোচনা থাকলেও সর্বশেষ অবস্থান হচ্ছে, সরকারি কর্মচারীদের জন্য জারি করা পে-স্কেলের গেজেটই এমপিওভুক্ত জনবলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
এদিকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হিসেবে ধরা হয়েছে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য কী পরিবর্তন হচ্ছে?
সর্বশেষ বক্তব্য অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির জন্য নতুন করে পৃথক গেজেটের অপেক্ষায় থাকার প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ সরকারি কর্মচারীদের জন্য জারি করা মূল পে-স্কেল আদেশের আওতায় তাদের বেতন নির্ধারণের পথ তৈরি হয়েছে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। নতুন পে-স্কেলে মূল বেতন বাড়লেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সব ভাতা সরকারি চাকরিজীবীদের মতো একই হারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে—এমন কথা বলা হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, বেতন বাড়বে; ভাতার বিষয়গুলো আগের কাঠামো অনুযায়ী থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কাজ করবে।
ফলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এখন মূল প্রশ্ন হচ্ছে—কীভাবে নতুন বেতন নির্ধারণ হবে, কোন তারিখ থেকে কার্যকর হবে এবং বকেয়া কীভাবে হিসাব করা হবে।
সরকারি কর্মচারীদের পে-ফিক্সেশন এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ
নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের পর বাস্তবায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর একটি হচ্ছে প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর নতুন বেতন নির্ধারণ বা পে-ফিক্সেশন।
সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নতুন পে-স্কেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া অনলাইনে iBAS++-এর মাধ্যমে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কর্মচারীকে নির্ধারিত তথ্য দিয়ে পে-ফিক্সেশনের আবেদন করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট ডিডিও ও হিসাবরক্ষণ অফিস তথ্য যাচাই ও অনুমোদন করবে।
অর্থাৎ শুধু গেজেট প্রকাশ করলেই নতুন বেতন সরাসরি ব্যাংক হিসাবে চলে যাবে না। প্রত্যেকের চাকরির তথ্য, বর্তমান বেতন, গ্রেড, ইনক্রিমেন্ট, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেডসহ প্রাসঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতে নতুন বেতন নির্ধারণের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
iBAS++-এর অনলাইন ব্যবস্থায় তথ্য জমা দেওয়ার পর নির্ধারিত নতুন মূল বেতন সিস্টেমে দেখা যাবে। যাচাই ও অনুমোদনের পর ভেরিফিকেশন নম্বর তৈরি হবে এবং তা সার্ভিস বইয়ে লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থাও রয়েছে।
অক্টোবরে পে-ফিক্সেশন শুরু—নভেম্বরে নতুন বেতন?
বর্তমানে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় হচ্ছে অক্টোবর মাসে পে-ফিক্সেশন শুরু এবং পরবর্তী মাস থেকে নতুন কাঠামোর বেতন পাওয়ার সম্ভাবনা।
সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে অক্টোবর থেকে পে-ফিক্সেশন-সংক্রান্ত কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। তবে সবার জন্য একই দিনে পে-ফিক্সেশন শুরু বা একই দিনে নতুন বেতন চালুর বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সর্বজনীন সময়সূচি প্রকাশিত হয়েছে—এমন নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই অক্টোবর-নভেম্বরের সময়সূচিকে আপাতত বাস্তবায়ন-প্রক্রিয়ার সম্ভাব্য ধাপ হিসেবে দেখা উচিত।
এখানে আরেকটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি—কোনো কোনো ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানে নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন বিল প্রস্তুত বা ড্র করা হয়ে থাকলেও সেটিকে সারা দেশের সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেলের বেতন পরিশোধ শুরু হয়ে গেছে—এমন সাধারণ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না।
কারণ সরকারি বেতন বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পে-ফিক্সেশন, হিসাবরক্ষণ অফিসের যাচাই, বেতন বিল প্রস্তুত এবং অর্থ ছাড়—সবগুলো ধাপ সম্পন্ন হতে হয়।
জুলাই থেকে কার্যকর, কিন্তু পুরো বেতন একবারে নয়
নবম পে-স্কেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে—গেজেটে কার্যকারিতা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধরা হলেও নতুন নির্ধারিত বেতন একবারে শতভাগ কার্যকর হচ্ছে না।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম ধাপে নতুন কাঠামোয় নির্ধারিত বর্ধিত মূল বেতনের নির্দিষ্ট অংশ কার্যকর হবে। ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের ক্ষেত্রে এই অংশ ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ। দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে যথাক্রমে ৭০ শতাংশ ও ৭৫ শতাংশ কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। ১ জুলাই ২০২৭ থেকে শতভাগ বর্ধিত মূল বেতন কার্যকর হওয়ার কাঠামো দেওয়া হয়েছে।
তাই ‘নতুন পে-স্কেল কার্যকর’ এবং ‘পুরো নতুন বেতন হাতে পাওয়া’—এই দুটি বিষয়কে এক করে দেখলে হিসাবের ক্ষেত্রে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তাহলে বকেয়া কীভাবে আসবে?
এখানেই সরকারি কর্মচারীদের সবচেয়ে বেশি আগ্রহ।
নতুন পে-স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে। ফলে বাস্তবে নতুন বেতন নির্ধারণের সময় ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন কাঠামো অনুযায়ী প্রাপ্য ও ইতোমধ্যে পাওয়া বেতনের পার্থক্য হিসাব করতে হবে।
তবে বকেয়া হিসাবের ক্ষেত্রেও পুরো নতুন বেসিক × মাসের সংখ্যা—এমন সরল হিসাব করা যাবে না। কারণ নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে কার্যকর হচ্ছে।
উদাহরণ হিসেবে, কোনো কর্মচারীর পুরোনো মূল বেতন এবং নতুন স্কেলে নির্ধারিত মূল বেতনের মধ্যে ১০ হাজার টাকা পার্থক্য থাকলেও প্রথম ধাপে তিনি পুরো ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত পাবেন না; তার গ্রেড অনুযায়ী প্রযোজ্য ধাপের অংশ বিবেচনায় আসবে।
ফলে জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরের বকেয়া হিসাব করতে সংশ্লিষ্ট মাসে কার্যকর বর্ধিত বেতনের হার বিবেচনা করতে হবে।
অক্টোবরের কার্যক্রম কেন গুরুত্বপূর্ণ?
সেপ্টেম্বরে গেজেট প্রকাশ হওয়ার পর অক্টোবর মাসটি বাস্তবায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
কারণ এই সময়ের মধ্যে কয়েকটি কাজ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে—
প্রথমত, কর্মচারীদের নতুন বেতন নির্ধারণ।
দ্বিতীয়ত, iBAS++-এ তথ্য যাচাই ও অনুমোদন।
তৃতীয়ত, নতুন বেতন অনুযায়ী বেতন বিল প্রস্তুত।
চতুর্থত, ১ জুলাই থেকে প্রাপ্য বেতন পার্থক্যের হিসাব করা।
পঞ্চমত, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে বেতন ও বকেয়া পরিশোধের ব্যবস্থা করা।
অনলাইনে পে-ফিক্সেশন চালুর মূল উদ্দেশ্যও হচ্ছে এই প্রক্রিয়াকে দ্রুত ও স্বচ্ছ করা।
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্যও এখন বাস্তবায়নের পালা
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে আজকের শিক্ষা সচিবের বক্তব্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পৃথক প্রজ্ঞাপন নিয়ে যে অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা কার্যত নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ অবস্থান অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের জন্য জারি করা গেজেটই এমপিওভুক্ত জনবলের নতুন পে-স্কেলের ভিত্তি হবে। ফলে এখন মূল কাজ হবে এটি কীভাবে এমপিও ব্যবস্থায় বাস্তবায়ন করা হবে এবং নতুন বেতন ও সংশ্লিষ্ট পাওনা কীভাবে হিসাব হবে—সেটি নির্ধারণ করা।
এর আগে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু না হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। আজকের নতুন বক্তব্য সেই অবস্থানে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
‘চলতি মাসেই নতুন বেতন’—কতটা বাস্তব?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে বিভিন্ন দাবি ছড়িয়েছে যে কোনো কোনো ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানে নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন ড্র করা হয়েছে।
এ ধরনের কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বেতন ড্র হয়ে থাকলে সেটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব হিসাব ও পেরোল কার্যক্রমের অংশ হতে পারে। কিন্তু সারা দেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের বেতন চলতি মাসেই দেওয়া শুরু হয়েছে—এমন সার্বজনীন সরকারি ঘোষণা ছাড়া বিষয়টিকে নিশ্চিত খবর হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না।
বরং বর্তমানে নিশ্চিত বিষয় হলো—গেজেট প্রকাশিত হয়েছে, পে-ফিক্সেশনের অনলাইন ব্যবস্থা সামনে এসেছে এবং নতুন বেতন বাস্তবায়নের প্রশাসনিক কাজ এখন মূল পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।
এখন সামনে কী?
সব মিলিয়ে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের বর্তমান চিত্রকে কয়েকটি ধাপে দেখা যায়—
১. গেজেট প্রকাশ: সম্পন্ন হয়েছে।
২. কার্যকর তারিখ: ১ জুলাই ২০২৬ থেকে।
৩. নতুন বেতন নির্ধারণ: iBAS++-ভিত্তিক অনলাইন পে-ফিক্সেশনের মাধ্যমে।
৪. তথ্য যাচাই: সংশ্লিষ্ট ডিডিও ও হিসাবরক্ষণ অফিসের মাধ্যমে।
৫. নতুন বেতন বিল: পে-ফিক্সেশন সম্পন্ন হওয়ার পর।
৬. বকেয়া হিসাব: ১ জুলাই থেকে প্রযোজ্য ধাপ অনুযায়ী বেতন পার্থক্য হিসাব।
৭. এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী: পৃথক প্রজ্ঞাপনের প্রয়োজন নেই—শিক্ষা সচিবের ৩০ সেপ্টেম্বরের বক্তব্য অনুযায়ী সরকারি পে-স্কেলের গেজেটই প্রযোজ্য হবে।
শেষ কথা
নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এখন বাস্তবায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে সরকার। গেজেট প্রকাশের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু আর শুধু ‘পে-স্কেল হবে কি না’ নয়; বরং কবে পে-ফিক্সেশন হবে, কবে নতুন বেতন বিল তৈরি হবে এবং জুলাই থেকে জমে থাকা বেতন পার্থক্য কবে পরিশোধ হবে—এখন মূল প্রশ্ন সেটিই।
সরকারি কর্মচারীদের জন্য iBAS++-এ অনলাইন পে-ফিক্সেশনের ব্যবস্থা সামনে আসায় বাস্তবায়নের প্রশাসনিক ভিত্তি তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পৃথক প্রজ্ঞাপনের প্রয়োজন নেই—শিক্ষা সচিবের আজকের বক্তব্য তাদের নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্পষ্টতা তৈরি করেছে।
তবে অক্টোবরে পে-ফিক্সেশন শুরু, নভেম্বরে নতুন বেতন এবং একই সঙ্গে জুলাই-অক্টোবরের বকেয়া পরিশোধ—এই পুরো সময়সূচি বাস্তবে কবে ও কীভাবে কার্যকর হবে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত নির্দেশনা ও হিসাবরক্ষণ কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করবে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নির্দিষ্ট বেতন-ড্র বা বকেয়া পরিশোধের দাবিকে সরকারি নির্দেশনা ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে ধরা উচিত নয়।
এখন সবার অপেক্ষা—অক্টোবরেই পে-ফিক্সেশনের কার্যক্রম কত দ্রুত শুরু হয় এবং নতুন পে-স্কেলের বেতন ও বকেয়া বাস্তবে কোন বেতন মাসে কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাবে পৌঁছায়।



