ভ্রমণ ভাতা I অধিকাল ভাতা

অধিকাল ভাতা আদেশ ২০২৫ । ড্রাইভার ছাড়া ৩য় শ্রেণীর কর্মচারীরা কি ওভার টাইম পায়?

অনেক সরকারি দপ্তর রয়েছে যেখানে ড্রাইভার ছাড়া অন্যান্য কর্মচারীদের কোন অধিকাল ভাতা দেওয়া হয় না-তবে নিয়মিত অতিরিক্ত ডিউটি করলে বিভাগ বা অধিদপ্তর কর্তৃক অধিকাল ভাতা মঞ্জুর করানো যেতে পারে– অধিকাল ভাতা আদেশ ২০২৫

সরকারি কর্মচারীগণ অতিরিক্ত কাজের জন্য টিফিন ভাতা পান? হ্যাঁ, সরকারি কর্মচারীরা অতিরিক্ত কাজের জন্য টিফিন ভাতা পান। এটি সাধারণত ওভারটাইম বা অতিরিক্ত কাজের জন্য প্রদান করা হয়। এই ভাতাটি মূলত টিফিন চার্জ বা যাতায়াত ভাতা হিসাবে দেওয়া হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে মূল বেতনের দ্বিগুণ হারে অর্থও পাওয়া যেতে পারে, যদি বাজেটে বরাদ্দ থাকে। অতিরিক্ত কাজের জন্য সরকারি কর্মচারীরা টিফিন ভাতা পান। এটি সাধারণত ওভারটাইম বা অতিরিক্ত সময়ের কাজের জন্য প্রদান করা হয়।

অধিকাল ভাতার রেট কত? বেসিকের দ্বিগুন হারে অধিকাল ভাতা প্রদান করা হয়। এই ভাতা মূল বেতনের দ্বিগুণ হারেও হতে পারে, যদি বাজেটে বরাদ্দ থাকে। কিছু দপ্তরে এই সুবিধা থাকলেও, সকল দপ্তরে এই ভাতা নাও থাকতে পারে। অতিরিক্ত কাজের জন্য যাতায়াত সুবিধাও প্রদান করা হয়। কিছু কর্মচারী এই ভাতা অল্প পরিমাণে পান। কিছু সরকারি কর্মচারী চিকিৎসা ভাতা, বাড়ি ভাড়া ভাতা, এবং অন্যান্য ভাতা পান। কিছু ক্ষেত্রে, উৎসব ভাতা, আপ্যায়ন ভাতা, এবং শ্রান্তি বিনোদন ভাতাও প্রদান করা হয়। কিছু কর্মচারী তাদের কাজের জন্য সম্মানী ও টিফিন ভাতাও পান।

অধিকাল ভাতা কি? অধিকাল ভাতা (Overtime Allowance) হলো কর্মীদের তাদের নিয়মিত কাজের সময়ের বাইরে অতিরিক্ত কাজ করার জন্য প্রদত্ত একটি বিশেষ ভাতা। সাধারণত, সরকারি কর্মচারী এবং কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের দৈনিক কাজের সময়সীমা অতিক্রম করে অতিরিক্ত কাজ করলে এই ভাতা দেওয়া হয়। এটি কর্মীদের কাজের স্বীকৃতি এবং অতিরিক্ত কাজের জন্য একটি প্রণোদনা হিসাবে কাজ করে।

প্রতিদিন ১.৫ ঘন্টা হারে অধিকার ভাতা ২০২৫ / সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ৭.৫০ মিনিট অধিকাল পায় বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা কর্মচারীগন। ড্রাইভার ছাড়া অন্য কর্মচারীদের অধিকাল পেতে হলে আলাদা আদেশ জারি করিয়ে নিতে হয়।

যখন কোনো কর্মচারী তার নির্ধারিত কর্মঘণ্টার চেয়ে বেশি সময় কাজ করেন, তখন সেই অতিরিক্ত সময়টুকুকে অধিকাল বা ওভারটাইম বলা হয়। এই অতিরিক্ত সময়ের কাজের জন্য কর্মীকে একটি বিশেষ ভাতা প্রদান করা হয়, যা অধিকাল ভাতা নামে পরিচিত। সরকারি কর্মচারী এবং কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এই ভাতা প্রদান করা হয়। এটি কর্মীদের কাজের স্বীকৃতি এবং অতিরিক্ত কাজের জন্য একটি আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করে। সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে, সাধারণত ১১ থেকে ২০ গ্রেড পর্যন্ত কর্মীরা এই ভাতা পেয়ে থাকেন। কর্মকর্তাদের জন্য সাধারণত অধিকাল ভাতা প্রযোজ্য নয়। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ১০৮ ধারায় ওভারটাইম এবং এর সাথে সম্পর্কিত বিষয়াদি উল্লেখ করা হয়েছে, অধিকাল ভাতা প্রদানের নিয়মাবলী এবং হার সাধারণত প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার নিজস্ব বিধি-বিধান বা নীতিমালা দ্বারা নির্ধারিত হয়।

Caption: Somorastra Karkhana over Time

বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার কর্মচারী কি অধিকাল ভাতা পায়?

হ্যাঁ, বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানার কর্মচারীরা সাধারণত ওভারটাইম বা অতিরিক্ত কাজের জন্য ভাতা পেয়ে থাকেন। এই ভাতা সাধারণত শ্রম আইন এবং কারখানার অভ্যন্তরীণ নিয়মকানুন অনুযায়ী নির্ধারিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী, কারখানার কর্মপরিবেশ এবং শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষার জন্য কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। যদি কোনো কর্মচারী নির্ধারিত কর্মঘন্টার বাইরে কাজ করেন, তবে তিনি ওভারটাইম বা অতিরিক্ত কাজের জন্য ভাতা পাওয়ার অধিকারী হবেন। অধিকাল ভাতার পরিমাণ সাধারণত দৈনিক মজুরির দ্বিগুণ হয়ে থাকে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা বা ভাতার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে, যা কারখানার অভ্যন্তরীণ নিয়মাবলী বা চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হতে পারে। যদি কোনো কর্মচারী ওভারটাইম ভাতা না পান, তবে তিনি কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর-এ অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।

কর্মকর্তাগণ কি অধিকাল ভাতা পায়?

সাধারণত, কর্মকর্তাদের জন্য অধিকাল (ওভারটাইম) ভাতা প্রযোজ্য নয়। সাধারণত, ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা অধিকাল ভাতা পেয়ে থাকেন। কর্মকর্তাদের সাধারণত তাদের নির্ধারিত কর্মঘন্টার বাইরে কাজ করার জন্য আলাদাভাবে ভাতা দেয়ার নিয়ম নেই। তবে, কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে বা বিশেষ দপ্তরে কর্মকর্তাদেরও অধিকাল ভাতা দেয়ার নজির রয়েছে, যা সাধারণত বাজেট বরাদ্দের উপর নির্ভর করে। অধিকাল ভাতা সাধারণত তাদের জন্য প্রযোজ্য যারা নির্ধারিত কর্মঘন্টার বাইরে কাজ করেন। সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে, যাদের গ্রেড ১১ থেকে ২০ এর মধ্যে, তারা সাধারণত এই ভাতা পেয়ে থাকেন। কর্মকর্তাদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য না হলেও, কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে, যেমন- জরুরি অবস্থা বা বিশেষ প্রকল্পের জন্য কাজ করলে, তাদেরও এই ভাতা দেয়া হতে পারে, তবে তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে।

প্রতি ঘন্টার জন্য ২০ টাকা মাত্র? হ্যাঁ। অনেক প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২০০ জন লোক বিভিন্ন পদে চাকরি করেকেউ কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, বার্তাবাহক, মালী, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, নিরাপত্তাপ্রহরী,মেসওয়েটার,বাবুর্চি,আয়া ইত্যাদি । তাদের ডিউটি তেমন কোন নির্ধারিত টাইম টেবিল নেই, যেমন ধরেন অন্যান্য অফিস সকাল ৯/১০ টায় চালু বিকাল ৫/৬ টায় বিরতি তাদের ক্ষেত্রে এমন নয় আমাদের কে মোটামুটি সারাদিন ব্যাস্ত রাখে, মাঝে সামান্য সময়ের খাওয়ার বিরতি । তো সমস্যা হলো সরকারি বন্ধের দিন গুলোতে আমাদের প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে অফিসাররা বিশেষ করে সাংস্ক্রিতিক সন্ধ্যা, বিদায় অনুষ্ঠান, বিভিন্ন পার্টি নাচ গান, জখন যা মন চায়। অনেক বার করে আবেদন করেও সাপ্তাহিক বন্ধের দিনে বিশ্রাম এর সুযোগ দেয়া হউক অন্যথায় অধিকাল ভাতা দেওয়া হউক, এখন সমস্যা হলো একাউন্টস সেকশন বলে দিন প্রতি টিফিন ভাতা পাই ২০ টাকা হারে ( সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যাতিত) । অনেকের সমস্যা হলো সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ফুল টাইম ডিউটি করায় বিনিময়ে কিছুই পায় না।

সরকারি নিয়োগ বিধিমালা ২০২৫ । ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর সকল নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধিমালা দেখুন

author avatar
admin
আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *