ফৌজদারী মামলায় ১ বছরের কম সময়ের জন্য শাস্তি হলে চাকরিতে পুর্নবহাল হতে পারেন।

সরকারি কোন কর্মচারীর ফোজদারী মামলায় চাকরি যাওয়ার জন্য ন্যূনতম এক বছরের অধিক দন্ডাদেশ থাকতে হবে। এক বছরের কম সময়ের জন্য যদি কোন ফোজদারী মামলায় দন্ডিত হয় কোন সরকারি কর্মচারী তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর চাকরি যাবে না তবে যদি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ নিম্নরূপ দন্ড প্রদান করে চাকরি পুর্নবহাল করতে পারে। তবে এ রকম দন্ডের জন্য কোনক্রমেই সে আপীল করতে পারবে না।

 

ফৌজদারি মামলায় দণ্ডিত কর্মচারীর ক্ষেত্রে ব্যবস্থা

৪২। (১) কোনো সরকারি কর্মচারী ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড বা ১ (এক) বৎসর মেয়াদের অধিক মেয়াদের কারাদন্ডে দণ্ডিত হইলে, উক্ত দণ্ড আরোপের রায় বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে চাকরি হইতে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত হইবেন।

(২) কোনো সরকারি কর্মচারী ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর মেয়াদের কোনো কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইলে, নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ তাহাকে নিম্নবর্ণিত যে কোনো দণ্ড আরোপ করিতে পারিবে, যথা:-

(ক) তিরস্কার;

(খ) নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পদোন্নতি বা বেতন বৃদ্ধি স্থগিতকরণ;

(গ) নিম্ন পদ বা নিম্নতর বেতন স্কেলে অবনমিতকরণ; অথবা

(ঘ) কোনো আইন বা সরকারি আদেশ অমান্যকরণ অথবা কর্তব্যে ইচ্ছাকৃত অবহেলার কারণে সরকারি অর্থ বা সম্পত্তির ক্ষতি সংঘটিত হইলে যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ আদায়।

(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, রাষ্ট্রপতি যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডে দণ্ডিত ও চাকরি হইতে বরখাস্তকৃত কোনো ব্যক্তিকে অনুরূপ বরখাস্ত হইতে অব্যাহতি প্রদানের বিশেষ কারণ বা পরিস্থিতি রহিয়াছে, তাহা হইলে তিনি উক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবেন, এবং অনুরূপ আদেশ প্রদান করা হইলে উক্ত কর্মচারী চাকরিতে পুনর্বহাল হইবেন।

(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন দণ্ড আরোপের জন্য নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোনো বিভাগীয় কার্যধারা রুজু করিবার বা কারণ দর্শাইবার প্রয়োজন হইবে না এবং এতদুদ্দেশ্যে প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য হইবে না।

(৫) ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক আরোপিত দণ্ডাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে-

(ক) উপ-ধারা (১) এর অধীন বরখাস্তকৃত ব্যক্তি, পরবর্তীতে আপিল আদালত কর্তৃক খালাসপ্রাপ্ত হইলে তাহাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করিতে হইবে; এবং

(খ) উপ-ধারা (২) এর অধীন দণ্ডিত ব্যক্তি, পরবর্তীতে আপিল আদালত কর্তৃক খালাসপ্রাপ্ত হইলে, তাহার উপর আরোপিত দণ্ডাদেশ প্রত্যাহার করিতে হইবে।

(৬) খালাসপ্রাপ্ত কোনো কর্মচারী, অবসরে গমনের বয়সে উপনীত হইলে অথবা সংশ্লিষ্ট পদ বা চাকরির বিলুপ্তি ঘটিলে, তাহাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করা যাইবে না, তবে তিনি সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত আর্থিক সুবিধা প্রাপ্য হইবেন।

 

আরও বিস্তারিত জানতে চাইলে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ দেখে নিতে পারেন: ডাউনলোড

 

পুরাতন পোস্ট

শর্তাদি প্রতিপালন সাপেক্ষে যত সিট তত যাত্রী নিয়ে পূর্বের ভাড়ায় আগামী ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ হতে গণপরিবহন চলাচরের জন্য সরকার অনুমোদন দিয়েছেন।

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)

বিআরটিএ ভবন

নতুন বিশান বন্দর সড়, বনানী, ঢাকা-১২১২

www.brta.gov.bd

স্মারক নং-৩৫.০৩.০০০.০০২.০৬.০০২.১৯.২৪১৮; তারিখ: ২৯/০৮/২০২০

বিষয়: গণপরিবহনে পূর্বের ভাড়ায় যত সিট তত যাত্রী পরিবহন সংক্রান্ত।

সূত্র : ১। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২৭/০৮/২০২০ খ্রি: তারিখের ১৫৮ নম্বর পত্র

২। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ২৯/০৮/২০২০ খ্রি: তারিখের ৩০৩৪ নম্বর পত্র।

উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রোক্ত স্মারকদ্বয়ের প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, নিম্নোক্ত শর্তাদি প্রতিপালন সাপেক্ষে যত সিট তত যাত্রী নিয়ে পূর্বের ভাড়ায় আগামী ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ হতে গণপরিবহন চলাচরের জন্য সরকার অনুমোদন দিয়েছেন।

শর্তসমূহ:

ক) আসন সংখ্যার অতিরিক্ত কোনো যাত্রী পরিবহন করা যাবে না;

খ) গণপরিবহনের যাত্রী, চালক, সুপারভাইজার/কন্ডাক্টর, হেল্পার এবং টিকিট বিক্রয় কেন্দ্রে


গ) যাত্রার শুরু ও শেষে যানবাহন পরিস্কার-পরিচ্ছন্নসহ জীবানুনাশক দিয়ে জীবানুমুক্ত করতে হবে। এছাড়াও যানবাহনের মালিকগণকে যাত্রীগণের হাতব্যাগ, মালপত্র জীবানুমুক্ত করার ব্যবস্থা করতে হবে; এবং হ্যান্ড স্যাটিটাইজার থাকতে হবে।

ঘ) গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়াদি মেনে চলতে হবে।

এমতাবস্থায় গণপরিবহনে অতিরক্ত ভাড়া আদায় ও আসনের অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন রোধে বর্ণিত শর্তাদির আলোকে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

 

(নুর মোহাম্মদ মজুমদার)

চেয়ারম্যান

ফোন: ৫৫০৪০৭১১

 

আগামী ০১ সেপ্টেম্বর ২০২০ থেকে পূর্বের ভাড়ায় গণপরিবহন চলার আদেশ জারি: ডাউনলোড

admin

আমার ব্লগের কোন কন্টেন্ট সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে বা জানাতে ইমেইল করতে পারেন admin@bdservicerules.info ঠিকানায়।

Leave a Reply